somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

চট্রগ্রামে মেট্রো, ইউলুপ এবং বি আর টি 'র কথা এখনই ভাবুন

১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ২:১২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কারিগরি দিক থেকে মেট্রো রেল বাস্তবায়ন খুব বেশি ঝামেলা পূর্ন হয়ে উঠার আগেই চট্রগ্রামে এখনই মানসম্পন্ন এবং ব্যাপক কানেক্টিভিটির মেট্রো ডিজাইন করে ইমপ্লিমেন্টেশন শুরু করা হোক।


ফুটপাথ এবং বাই-সাইকেলের জন্য পর্যাপ্ত রাস্তা রিজার্ভ করে ঠিক যে পরিমান স্বাভাবিক যানচলাচলের ট্রাফিক ক্যাপাসিটি অবশিষ্ট থাকে তার অতিরিক্ত সব ট্রাফিক মেট্রোতে নিন, ভবিষ্যৎ গ্রোথ কে মেট্রোতে নিবার ওয়ে ডাইমেনশনে রেখেই মেট্রো ডিজাইন করুন।

সাধারণত একটি রাস্তার সর্বচ্চ ট্রাকিফ ক্যাপাসিটির ৮০-৮৫% ধরেই সেই রাস্তায় যানবাহন সংখ্যা অনুমোদন দিতে হয়। বাংলাদেশে রোড সাইড পার্কিং এর প্রভিশন না থাকায় এই সীমা আরো কম হওয়া দরকার। উপরন্তু সিগন্যাল ফ্রি রোড না থাকা, নিত্ত নৈমত্তিক ঘটনা-দূর্ঘটনা, অনভিজ্ঞ চালনা, মানুষের অনিয়ন্ত্রিত রাস্তা পারাপার এইসব মিলে রাস্তার ক্যাপাসিটি আরো কমে আসে। তাই একচূয়াল ক্যাপাসিটি জানা দরকার। কি পরিমান ট্রাফিক সরিয়ে নিলে বিভিন্ন রাস্তায় স্বাভাবিক যানচলাচল ব্যবস্থা ফিরে আসবে, ভবিষ্যৎ গ্রোথ কত হবে এবং তার কি পরিমান সরাতে হবে এসব বিবেচনায় রেখে মেট্রো ডিজাইন এবং বাস্তবায়ন করতে হবে। উল্লেখ্য মেট্রো নিজেই রাস্তার কিছু ক্যাপাসিটি নষ্ট করবে তাও বিবেচনায় নিতে হবে।

মেট্রো দিয়ে সিগ্নিফিক্যান্ট ট্রাফিক সরিয়ে নিয়ে রাস্তার বাকি ক্যাপাসিটির সাথে সামঞ্জস্য রেখে এবং যথা সম্ভভ সিগন্যাল ফ্রি ইউ লুপ বাস্তবায়ন করে রেপিড বাস সার্ভিস "বি আর টি" চালূ করা হোক।

চট্রগ্রামে রাস্তার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতে ড্রেনেজ পরিকল্পনা আধুনিক করা দরকার। বাস্তবায়নের অপেক্ষায় থাকা দুই দশক পুরানো ১৯৯৫ এর চট্রগ্রাম ড্রেনেজ মাস্টার প্ল্যানও যুগোপযুগী করা দরকার, বাস্তবায়নতো বটেই।

ঢাকায় যেসব দুঃখ জনক এবং জ্ঞান হীন ভুল হয়েছে, তাকে চট্রগ্রামে বহন করে নিয়েন না, প্লিজ।


ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশের (আইইবি) চট্টগ্রাম কেন্দ্র ‘টেকসই জনবান্ধব গণপরিবহনব্যবস্থা ও করণীয়’ নিয়ে আলোচনা সভার বক্তব্যে এবং ঘটনার পরিক্রমায় এটা স্পষ্ট যে সরকারের অভ্যন্তরে ফ্লাইওভারের অকার্যকরিতা নিয়ে একটা অস্বস্তি এসেছে। মন্ত্রী বলছেন "বহদ্দারহাট ও কদমতলী উড়ালসড়কে তেমন গাড়ি উঠে না। গাড়ি না উঠলে এসব উড়ালসড়ক রেখে লাভ নেই। এভাবে গাড়ি না উঠলে একপর্যায়ে এই উড়ালসড়কগুলো ভেঙে ফেলতে হবে।"

সভায় প্রবন্ধ উপস্থাপক প্রকৌশলী সুভাষ বড়ুয়া বলেন, "হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে লালখান বাজার থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত উড়ালসড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে। কিন্তু এর সুফল পাবে নগরের মাত্র দশমিক শূন্য ২ শতাংশ লোক।" এই টাকা ওয়েল ডিজাইন্ড গণ পরিবহণে (প্রথমে মেট্রোতে এবং পরে বি আর টি) ইনভেস্ট করুন। ‘ফ্লাইওভারের নামে অপ-উন্নয়ন হচ্ছে’

সভায় এম্পি বলেছেন "‘উড়ালসড়কগুলো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলেই হয়েছে। এই সময় আমরা কেউ মন্ত্রী ছিলাম, কেউ এমপি (সাংসদ) ছিলাম। এর দায়ভার আমাদেরকেই নিতে হবে।’"চট্রগ্রামে অকার্যকর ফ্লাইওভার

আপনারা নিজেরাই বুঝতে পারছেন পলিটিক্যালি মটিভেটেড ভুলে ভরা মানহীন ডিজাইনের ফ্লাইওভার প্রকল্প নগরের ট্রাফিক ক্যাপাসিটি বাড়াচ্ছে না , তাই জ্যামও কমাচ্ছে না। তাই আসল কাজে হাত দিন, ঢাকার মত স্থবির নগরী হয়ে উঠার আগেই চট্রগ্রামকে নিয়ে ভাবুন। মেট্রো এবং বিআরটি নিয়ে কাজ শুরু করুন।

চট্রগ্রামে কিছু ভালো কাজ করুন, দেশের অর্থনীতির দিকে একটু মান্সম্পন্ন নজর দিন। খুব বেশি দেরি করে সবকিছু লেজে গোবরে করে ফেলার আগেই!
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ১:০৫
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ইয়ামানাকা ফ্যাক্টরস

লিখেছেন কলাবাগান১, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৫৭


ছবিতে যাকে দেখছেন উনার নাম প্রফেসর ইমানাকা। উনাকে সারা বিশ্ব মনে রাখবে উনার যুগান্তরী আবিস্কার এর জন্য। তার আবিস্কার যেভাবে সবার জীবনকে বদলে দিবে এবং দিচ্ছে সেটা জানানোর জন্যই... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি কে? রাজাকার!

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:০১



ভারতে দেশপ্রেমের সজ্ঞা কী? ভারতে একজন কট্টরপন্থীর দেশপ্রেম হলো প্রথমত পাকিস্তান বিরোধী হতেই হবে। দ্বিতীয়ত মুসলিম বিরোধী হতেই হবে। এই দুই ছাড়া কোনভাবেই সে ভারতকে ধারণ করেনা এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

খেলা ফাইনাল হয়ে যেতে পারে আগামীকাল ...

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:৪৮


আগামীকাল অপপ্রচারকারীদের খেলা ফাইনাল হয়ে যেতে পারে। গ্যাস আর বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে সরকারকে কাবু করার দিন ফুরিয়ে এসেছে। 'কাছিমের মতো গর্ত থেকে বের হয়ে' যারা এতদিন সরকারের... ...বাকিটুকু পড়ুন

নতুন ভোরের গান

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে আগস্ট, ২০২৬ ভোর ৬:৪৭


নতুন ভোরের গান



কষ্টের দিন পেরিয়ে এবার
আসবে আলোর গান,
নতুন দিনের নতুন সুরে
জাগবে সবুজ প্রাণ।

নষ্ট স্মৃতির আড়ষ্টতা
ঝরিয়ে দেবো অনেক দূরে,
নিজের মনেই ভালোবাসার
নূপুর বাজবে সুরে সুরে।



ভ্রষ্ট পথের আঁধার কেটে
ভোর... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগে চার বছর একদিন হয়ে গেল । কি আশ্চর্য!

লিখেছেন সামরিন হক, ৩১ শে আগস্ট, ২০২৬ ভোর ৬:৪৭

অবজ্ঞা

তোমার বিশেষ ঘৃণা দ্বারা আক্রান্ত আমি
চারপাশ ঘিরে ফেলেছে ঘৃণারা আমাকে
আস্তে আস্তে গ্রাস করে নিচ্ছে আমাকে তোমার ঘৃণা
আমার কথা শোন
আমি কখনই মনুষ্যত্বের সীমা পার করিনি
কিন্তু তোমার ঘৃণায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×