বন্ধুর কাছে মনের খবর কেমনে পৌছাইতাম..........
যোগাযোগ ব্যাবস্থার এই অভুতপূর্ব উন্নতির পূর্বে মানুষকে মনের খবর পৌছানোর জন্য প্রচুর জল্পনা কল্পনা করার প্রয়োজন দেখা দিতো।তাই বলে এই যুগে এসে এ ধরনের গান কিংবা ছন্দ শুনলে অনেকে পাগলের প্রলাপ বলে ধারনা করতে পারে।তবে যদি গানের ধারাটা একটু পরিবর্তন/সংশোধন করা যায় তাহলে কেমন হয় বলুন দেখি।
লাইনগুলো যদি এমন হয়
"আছেরে টেলিফোন, আছেরে পিয়ন, আছেরে টেলিগ্রাম ........
বন্ধুর কাছে মনের খবর পেঁৗছাইতে আরো আছে.....
মোবাইল ফোন ,ই-মেইল আর ইন্টারনেট কানেকশন......"
(কোজআপ হাসি)
প্রেমিক-প্রেমিকার জন্য মোবাইল ফোন যেমনি একটি প্রয়োজনীয় বস্তু হয়ে দেখা দিয়েছে তেমনি জুটি তৈরিতেও এর অবদান কিন্তু কম নয়।যাক এবার আসাযাক শিরোনামকরন এর কাহিনিতে...........
আকাশ তার বন্ধুর অনুরোধে একটা নতুন নাম্বারে টাকা পাঠানোর জন্য ফ্লেক্সি করলো।কিন্তু ক্ষনিক পরে তার বন্ধু মোবাইলে টাকা না পেয়ে আবার ফোন করলো।ঘটনা্চক্রে একটি ডিজিট ভুলের কারনে ফ্লেক্সিটি অনত্র চলে যায়।আকাশ তার বন্ধুকে আবার ফ্লেক্সি পাঠালো এবং নিশ্চিত হয়ে ভুল ফ্লেক্সিটি পুনরুদ্ধারের চেষ্টায় লিপ্ত হলো।
পুনরুদ্ধারের চেষ্টায় লিপ্ত হওয়া আকাশ উক্ত নাম্বারে কল করে ফ্লেক্সিকৃত টাকা ফেরত পাঠানোর জন্য আবেদন করলো ।কিন্তু সুকন্ঠী অন্তরা( যার কাছে ভুলে ফ্লেক্সি করা হয়েছিলো) তা ফেরত দিতে টালবাহানা শুরু করলো।ব্যাস শুরু হলো আকাশের কল করা...........
আকাশ একদিন, দুইদিন, তিনদিন কল করতে করতে একসময় তার কাজের কথা ভুলে গিয়ে অন্তরার প্রেমে পড়ে যায় ।শুরু হয় তাদের মোবাইল প্রেম । এভাবে ছয় মাস কাটলো । তারপর তারা দুজনই সিন্ধান্ত নেয় বিবাহ বন্ধনে অবদ্ধ হওয়ার ।এখন তারা সুখে-শান্তিতে দিন কাটাচ্ছে।
( এখানে ব্যবহরিত নামগুলো কাল্পনিক)
ভেবে দেখুন " ফেঙ্েিতও প্রেম হয়
!!!আবার বিবাহ বন্ধনেও আবদ্ধ!!!
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




