somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আলোচনা ও সমাধান

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১:৩৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মুল্যবোধ থাকাটা একটি দেশের জন্য ভীষনভাবে জরুরী।

সেই মূল্যবোধের নানা ধরনের ছোট গল্প বা প্রবন্ধ বা প্রচলিত কথন ছোটবেলার পাঠ্য পুস্তকে ছিল ভর্তি।
এশিয়ার পরিবার শিক্ষাকে সাধারনতঃ অধিকতর গুরুত্ব দিয়ে থাকে। সামর্থ মোতাবেক পরিবারের আসল উপার্জনক্ষম ব্যক্তিটি চেষ্টা করেন এই দিকে তার সন্তান যেন পিছিয়ে না থাকে।

বর্তমানে পুঁজিবাদের কাছে আমাদের দেশে মূল্যবোধের মূল্য ক্রমাগতভাবে হৃাস পেতে শুরু করে এটি কে এখন বিনা মূল্যের পণ্যের মধ্যেও গণনা করতে চান না।

চোখের সামনে বড় ভাই বা বোন মোবাইল ফোনে যদি অসত্য বলতে থাকেন(যা আজকাল অহরহ হচ্ছে, ছোট ভাই-বোন বা নবীনরা সেই থেকে কি শিখবে, তা বলাই বাহুল্য)

=======
বহু শতক বছর পূর্বে মূল্যবোধ সম্পন্ন একটি আরব দেশে এক প্রবীন হিতৈশীর তিন ছেলে সন্তান ছিল। ঐ সময়ে উটের সম্ভার ই ছিল বিরাট সহায় সম্পত্তির বিরাট অংশ।
সেই প্রবীন হিতৈশী ঠিক করলেন(অর্থাৎ উইল করলেন) তার ১৭টি উটের মাঝে তিনি মারা যাবার পর নিচে বর্ণিত অংশ বিভাজনের মাধ্যমে উট গুলি বন্টন হবে।
উইল খোলা হবার পর সবাই দেখল
১। বড় ছেলে সব উটের অর্ধেক পাবে।
২। মেঝ ছেলে পাবে ১৭টি উটের ১/৩ অংশ (এক তৃতীয়াংশ)
এবং
৩। ছোট ছেলে পাবে ১/৯ অংশ (এক নবমাংশ)
পারার মুরুব্বীরা উইল দেখলেন এবং চলে গেলেন।

পরদিন থেকেই তিন ভাই এর ঝগড়া শুরু হয়ে গেল। কারন ১৭টি উট কোন ভাবেই "উইল" অনুসারে বন্টন করা যাচ্ছে না।

এক সপ্তাহ ঝগড়া - মারামারি করার পর তিন ভাই ই ঠিক করলেন, তারা ঝগড়া মারামারি না করে একজন বিদ্যান ও বিবেকবান লোকের কাছে এর ফয়সালা চাইবেন।


বিদ্যান লোক খুব ধৈর্য সহকারে তাদের বক্তব্য শুনলেন।
কিছুক্ষন পর তিনি বললেন,
"ঠিক আছে আমি আমার একটি উট এই ১৭টির সংগে যোগ করে ১৮টি বানালাম।"
ছেলেরা আপত্তি জানিয়ে বলল, "এটা তো আমরা অনেক আগেই করতে পারতাম; কিন্তু আমরা ১৭টি উট ই বিভাজন চাচ্ছি, উইল অনুসারে"।

-- আরে দেখই না আজকের বিভাজন আমি পরে করছি, একটু ধৈর্য করে আমাকে হিসাব করতে দাও।

--- ঠিক আছে!!

১৮ এর অর্ধেক = ৯; সুতরাং বড় ভাই ৯টি উট পাচ্ছে, ঠিক আছে?
১৮ এর ১/৩ অংশ (এক তৃতীয়াংশ) হচ্ছে ৬; সুতরাং মেঝ ভাই পাচ্ছে ৬টি উট!!
এবং
১৮ উঠ এর ছোট ছেলে পাবে ১/৯ অংশ (এক নবমাংশ) =২টি উট।

এখন ৯+৬+২=১৭টি উট। আর আমি আমারটি ফেরত নিলাম;
তোমাদের হিসাব এবার মিলল।
=========

ইচ্ছে থাকলে অন্য কোন বিদ্যান ও বিবেকবান লোকের সাহায্য নিয়ে সমস্যা সমাধান করতে হয়। দুঃখ জনক হলেও সত্য আমাদের দেশের বর্তমান নেতৃতে এটির প্রচন্ড অভাব। আমরা আর কি শিখব?
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১০:০১
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অভিনন্দন নাবিহা সাকলায়েন: ৩০ বছর পরের এআই পটেনশিয়াল

লিখেছেন কলাবাগান১, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৩:৩৮


কনসেপ্ট টা খুবই সোজা...পৃথিবীর তাবত মানুষ ই জানে যে আপনার বিশ বছর বয়সে শরীরে যে কোষ গুলি আছে তা আপনার ৬০ বছর বয়সের কোষ আর সেইম না ..লম্বা সময়... ...বাকিটুকু পড়ুন

যাদের স্বপ্নের দেশ আমেরিকা: তাদের জন্যে আজকের পোস্ট

লিখেছেন অপলক , ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:১৮



এমন এক সময় ছিল, ছেলে বা মেয়ে ডিভি লটারীতে স্বপ্নের দেশে গেছে, বাপ মায়ের পাড়া প্রতিবেশী গর্বে কথা বলাই মুশকিল। সেখানে গিয়ে OC(Office Cleaner) নাকি DC(Dish Cleaner) হবে তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

”আমার রাজনীতির রূপরেখা” -- জিয়াউর রহমান

লিখেছেন প্রামানিক, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:০০


শহীদুল ইসলাম প্রামানিক
আমি তখন দৈনিক দেশ পত্রিকায় চাকরি করি। এটা আমার দ্বিতীয় চাকরি। প্রথম চাকরি নিয়েছিলাম ব্রিটিশ আমলের প্রকাশিত দৈনিক আজাদ পত্রিকায়। আজাদ পত্রিকাটি ব্রিটিশ আমলে মুসলমানের পক্ষের একমাত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

শহীদ জিয়া ২৭ মার্চের ভাষণে 'জয় বাংলা' বলেছিলেন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:১১





সূত্রঃ আমার রাজনীতির রূপরেখা
লেখকঃ জিয়াউর রহমান
পৃষ্ঠাঃ ১৭৭

...বাকিটুকু পড়ুন

ওরা জিডিপি আর সেমিকন্ডাক্টরে ব্যস্ত , আমরা ব্যস্ত গোরুর জিয়াফত নিয়ে ....।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৩৫


গতকাল মামার ফোন এল দুবাই থেকে, রাতের বেলা। বললেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গরু জবাই করে জিয়াফত খাওয়ার খবর এখান পর্যন্ত পৌঁছে গেছে, ব্যাপার কী? আমি বললাম, মামা, ওরা গরুর মাংস... ...বাকিটুকু পড়ুন

×