
গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান সাইন্স এ্যাণ্ড টেকনোলজী ইনভার্সিটির ছয় স্টুন্টেকে সম্প্রতি কর্তৃপক্ষ আজীবন বহিষ্কার করেছে। তাদের নামে মামলা-মোকদ্দমাও হবে শুনলাম। তাদের অপরাধ? তারা ফার্স্ট ইয়ারের দুই জুনিয়রকে ragging করেছে। এই ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।
আজীবন বহিষ্কার - শব্দটার মানে হলো, তারা আর এই ইন্সটিটিউশনে পড়তে পারবেনা। তারা সেকেণ্ড ইয়ারের ইলেকট্রনিক্স এ্যাণ্ড টেলিকমিউনিকেশনের ছাত্র ছিল। সবাই এই সাবজেক্টে চান্স পায়না। এইখানে পড়তে মেধা লাগে। মেধাবী এই ছয়জনকে কর্তৃপক্ষ বের করে দিল?
এরপর তাদের লাইফে কী হবে? একবারও কী আমরা কেউ ভেবে দেখেছি? বের করে দেওয়াটা সহজ কাজ। কিন্তু এরাওতো আমাদেরই কারও না কারও সন্তান, এরাও বাংলাদেশী। নাকি এরা এলিয়েন? এরা ভিনগ্রহের বাসিন্দা?
এরা এখন কী করবে? অন্যকোথাও ভর্তির চেষ্টা করবে? পড়াশুনা চালিয়ে যাবে? এত সহজ? তাদের পরিবার, সমাজ তাদেরকে সাপোর্ট করবে? তারা সমাজে এখন অচ্ছুত। এরা ড্রপ আউট হবে। এবং এভাবেই নতুন ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসী হিসেবে তারা আত্মপ্রকাশ করার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। তারা যদি ভবিষ্যতে সন্ত্রাসী হয়, তাহলে এই দায়বার কে নিবে? বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষতো তাদের বের করে দিয়েই খালাশ।
সমস্যার মূলে সমাধান করা দরকার। পড়াশুনা থেকে বের করে দিয়ে জীবন নষ্ট করাটা সমাধান না। এদের জীবন নষ্ট করে দেওয়া বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বিচার কে করবে?
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:১২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



