
একটা নিউজ দেখলাম: অনুসন্ধানের সময়ই দুর্নীতিবাজদের সম্পদ জব্দের সিদ্ধান্ত দুদকের। নিউজের লিঙ্ক: news
মানুষের এত কষ্টের মাথার ঘাম পায়ে ফেলা টাকার প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশনের চোখ পড়েছে। তাদের জিহ্বা লক লক করছে টাকার গন্ধে। তারা কী জানেনা যে, এই টাকা গাছে ধরেনা? এই টাকা মানুষ কষ্ট করে আর্ন করে? এর আগেও অর্থমন্ত্রী আবুল মাল মুহিত সাহেব বলেছিলেন, বাংলাদেশে যার এক লাখ টাকা আছে সেই বড়লোক। কষ্ট করে মানুষ দুইটা টাকা ইনকাম করবে, আর আপনারা ক্ষমতার জোরে মানুষের এত কষ্টার্জিত অর্থের উপরে কালো থাবা বসাবেন?
দুদক মানুষের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করবে। কোন যুক্তিতে করবে? একজন মানুষের কষ্টার্জিত টাকা কেড়ে নিবে? মামাবাড়ির আবদার নাকি? টাকার অভাবে একজন অসহায় মানুষকে মানবেতর জীবনযাপন করাতে তারা বাধ্য করবে? আর নিজেরা আরাম আয়েশে এসির মধ্যে বাতাস খাবে? পৃথিবীর কোথাও দোষী সাব্যাস্ত হবার আগে কোন মানুষকে শাস্তি দেওয়ার বিধান নেই। এটা আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। দুদক নিজেই যদি আইনের লঙ্ঘনকারী হয়, তাহলে মানুষ কার কাছে যাবে?
দুদক বলছে যে, মামলা হলে সম্পদ সাথে সাথে বাজেয়াপ্ত হবে। কারণ হিসেবে মাথামোটা দুদক বলেছে যে, মামলা হলে একজন মানুষ তার সম্পত্তি, টাকা পয়সা বিভিন্ন খাতে ঘুস হিসেবে ব্যবহার করে পুলিশ কিনে, উকিল কিনে, টাকা দিয়ে মামলার রায় বদলায় ফেলে। তাহলে দুদক কী চায় দুদকের পেছনেই সব টাকা ঢালা হোক? দুদক কী তাহলে নিজেই সবার পেটে লাথি মেরে নিজেই টাকাখোর হতে চায় এখন? তাহলে কী দুদক পুলিশ, উকিল এমন সব পেশাজীবিদের পেটে লাথি মারতে চাচ্ছে? মেরে সকল ঘুষের টাকা একাই খেতে চাচ্ছে? এতো দেখি বাঘের ঘরে ঘোঘের বাসা!
এরকম একটা ন্যাক্কারজনক আইনের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। সময় থাকতে সকলেই আওয়াজ তুলুন। নিজের সম্পদ বাজেয়াপ্ত হয়ে যাবার আগেই কলম ধরুন।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ভোর ৪:৪৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



