বর্তমান নীতিমালায় সারের প্রাপ্তি খুব জটিল হয়ে পড়েছে। সীমিত আউটলেট থাকায় সবার পক্ষে সার সংগ্রহ সম্ভব হচ্ছে না। এজন্য সার আগেরমতো খোলাবাজারে বিক্রির সুযোগ দেওয়া দরকার। বর্তমান নীতিমালায় যার জমি আছে শুধুমাত্র তিনিই সার পাবেন। কিন্ত অনেক ক্ষুদ চাষী আছে যাদের নিজস্ব কোন জমি নাই, তাদের সার সংগ্রহ করা দুঃসাধ্য হয়ে পড়ছে। এ সুযোগে অনেকে দূনীর্তির মাধ্যমে সার সংগ্রহ করতে বাধ্য হচ্ছেন।
ইউরিয়া সারের দাম বাড়ানো এখন সময়ের দাবি। কারন, ইউরিয়া'র বর্তমান দামটি নির্ধারিত হয়েছিল ১৯৯৫ সালে। তখন থেকে বস্তা প্রতি ৩০০ টাকা অপরিবর্তিত আছে। আন্তর্জাতিক বাজারে উপকরণ মূল্য বৃদ্ধির ফলে ইউরিয়া সারের বস্তায় ৭০০-২০০০ টাকা ভতুর্কী সরকারকে দিতে হচ্ছে। পাশের দেশ গুলোতে ইউরিয়া সারের দাম বাংলাদেশের তুলনায় কয়েকগুন বেশি। তাই ইউরিয়া সারের ওপর থেকে ভতুর্কী কমিয়ে এই টাকা অন্য সার যেমন, টিএসপি, এমওপি সারে দিলে ঐ সারগুলোর দামো কমবে সাথে সাথে সারের সুষম ব্যবহারের বিষয়টিও নিশ্চিত হবে।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:২৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


