somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

ক্লোন রাফা
আমি আমাদের কথা বলতে এসেছি। আমি বাংলাদেশের কথা বলবো।আমি পৃথিবির অবহেলিত মানুষের পক্ষে ।জয় বাংলার প্রতিটি শহিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে। ৭১-এর স্বাধীনতা রক্ষায় জিবন বাজী রেখে লড়াই করে যাবো।জিবনের শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে ।জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু ।

২০০১ থেকে ২০০৬ / ২০২৬শে এসে আবারও দেশ ফিরে গেলো খাম্বার খপ্পরে ‼️

০৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:২৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
তারেক জিয়া “ ২০০১ থেকে

২০০৬ পর্যন্ত যা করে গিয়েছিলেন। তিনি ঠিক সেখান থেকেই ২০২৬ শুরু করলেন। অনেকেই তার অনেক ইতিবাচক পরিবর্তনের কথা বলছেন। ছোট ছোট কিছু কথা বা কাজ’কে ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ সংযোজন মনে করছেন। কেউ জিয়া এবং খালেদা জিয়া’কে ছাপিয়ে যাওয়ার স্বপ্নে বিভোর।অনেকেই পদ‍্য , গদ‍্য এমনকি উপন্যাস পর্যন্ত লিখে চলেছেন তার খাল কাটা আর বৃক্ষরোপণ নিয়ে!

বাস্তবতা আসলে কি বলছে। তারেক জিয়া , কোন পথে হাঁটছেন। আই হ‍্যাভ এ প্ল‍্যান আসলে কি ⁉️ না তারেক জিয়ার বিন্দুমাত্র পরিবর্তন নেই। একমাত্র বয়সের কারনে যতটুকু হয় ঠিক ততটাই পরিবর্তন হয়েছে তার। প্রতিহিংসা পরায়ন মনোভাব শতভাগ বজায় রেখেই তার ২য় ইনিংস শুরু হয়েছে। বিচক্ষণতা বিন্দুমাত্র নেই। প্রকৃত পক্ষে শিক্ষা মানুষের ইতিবাচক পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সুযোগ থাকা সত্ত্বেও তিনি বিদ‍্যা অর্জনের চেষ্টা করেন নাই।ষোলো বছরে অনেক কিছুই অর্জিত হোতে পারতো। তিনি সেই প্রবাদ বাক্যটি সত্য প্রমাণ করেছেন “ যার হয় না ন’য়ে তার হবেনা ৯৯-এ! একজন সেক্টর কমান্ডার পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি/ একজন প্রধানমন্ত্রীর রক্ত প্রবাহিত হোচ্ছে তার ধমনী’তে। আরো একজন রাষ্ট্রপতির (এরশাদের) শতভাগ সহযোগিতা ছিলো তার এগিয়ে যাওয়ার জন্য। পড়া লেখা, বাসস্থান, বস্ত্র, চিকিৎসা সেবা ফ্রি ছিলো তার জন্য।ইচ্ছে করলেই বিদেশ গিয়ে ভালো কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি অর্জন করতে পারতেন।
পেটে ভাত নাই কিন্তু সাইকেল দিয়ে হাগু করতে যাওয়ার শখ আছে। মার্কিনিদের সাথে ইউনূসের করে যাওয়া গোলামী চুক্তির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। চুক্তির প্রথম চালানেই অস্ত্র কিনতে পাঠিয়েছে ওয়াকারুজ্জামানকে আমেরিকায়। রাশিয়া থেকে তেল কিনতে অনুমতি চাওয়া হয়েছে আমেরিকার। অথচ দেশে শুরু হয়েছে করুণা কালীন পরিস্থিতি। বিদ্যুৎ নাই তেল নাই গ্যাস নাই কর্মসংস্থান নাই রাষ্ট্রীয় কোষাগার খালি তারপরেও অস্ত্র কিনতে হবে মার্কিনীদের থেকে না হলে ক্ষমতা টিকবে না।

মার্কিনিদের সাথে ইনুসের করে যাওয়া দাস-খত থেকে এক চুল এদিক সেদিক লড়লেই ক্ষমতা হারাতে হবে তারেক রহমানকে। তবে মার্কিনিদের কথার বাইরে একটু যে নড়বে না বর্তমান ক্ষমতাসীন এবং তাদের মামা বিরোধীরা সেটা আমরা ভালোভাবেই বিশ্বাস করি। কারণ মামা ভাগিনাদের লক্ষ্যই ছিল ক্ষমতা পাওয়া সেটা দেশ দিয়ে হোক আর পাছা দিয়ে হোক ক্ষমতাটা ধরে রাখতে হবে। মার্কিন রাষ্ট্রদূতের অনুমতি ব্যতীত অন্য কোন দেশের রাষ্ট্রদূতের সাথে কথাও বলতে পারবেনা বর্তমান ক্ষমতাসীনরা এবং বিরোধীরা।

মার্কিনিদের নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করলে যতদিন মন চায় ততদিন তারা ক্ষমতায় থাকতে পারবে।এখানে বিরোধী দল এবং দেশের জনগণের উপরে যত রকমের জুলুম অত্যাচার নির্যাতন চালাক না কেন তাতে মার্কিনিরা কোন হস্তক্ষেপ করবে না। মার্কিনিদের কাছ থেকে পাওয়া সেই ভরসায় বর্তমান ক্ষমতাসীন ও বিরোধীরা স্বাধীনতার পক্ষ শক্তির দল আওয়ামী লীগকে দমনে আরো কঠিন পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে।

ইন্টেরিম সরকার একটি ভুয়া অধ্যাদেশের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম স্থগিত করলেও তার কোন আইনগত ভিত্তি ছিল না। যেখানে ছিল আওয়ামী লীগ সভা সমাবেশ মিছিল মিটিং তাদের অফিস খোলা প্রেসব্রিফিং এই সমস্ত কিছু করতে পারবে না। তবে করলে কি হবে এই ব্যাপারে কোন সুনির্দিষ্ট আইন উল্লেখ ছিল না। বর্তমান মামা ভাগিনার সরকার অধ্যাদেশটিকে সংশোধন করে শাস্তির বিধান যুক্ত করতে যাচ্ছে।

অথচ ইউনুস সরকার ক্ষমতা থাকা অবস্থায় বিএনপি বলেছিল নির্বাহী আদেশে কোন রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করার পক্ষে তারা নয়। কোন দল রাজনীতিতে থাকবে কোন দল রাজনীতিতে থাকবে না এটা দেশের জনগণ সিদ্ধান্ত নিবে। অথচ ক্ষমতা গ্রহণের পর বিএনপি সরকার ইউনুসের সেই অবৈধ অধ্যাদেশটিকে আইনে পরিণত করতে যাচ্ছে। যার ফলে অধ্যাদেশটি প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগের উপরে নিষেধাজ্ঞা বলবত থাকছে।

২০০১ থেকে ২০০৬ এই সময়টায় খালেদা জিয়া সরকার ক্ষমতায় থাকলেও সরকার ছিল তিনটি। একটা চালাতো স্বয়ং খালেদা জিয়া আরেকটা চলা তো তারেক রহমান আরেকটা চালাতো জামাতিরা। তখনো তাদের একটাই প্রচেষ্টা ছিল আওয়ামী লীগকে চিরতরে ধ্বংস করে দেয়া। কারণ আওয়ামী লীগ মাঠে থাকলে রাজনৈতিকভাবে আওয়ামী লীগকে মোকাবেলা করা জামাত-বিএনপির পক্ষে সম্ভব না। ধ্বংস করার লক্ষ্যে তারা সেই প্রচেষ্টা বহু বার করেছে। একুশে আগস্ট এর গ্রেনেড হামলার মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে হত্যার মিশন সফল করতে পারেনি বিদায় তাদেরকে দীর্ঘদিন ক্ষমতার বাইরে থাকতে হয়েছে। এবং সেনাবাহিনীর হাতে পাপের সাজা কিছুটা হলে ও ভোগ করতে হয়েছে।

১৯ বছর পরে হলেও আমাদের একাত্তরের স্বাধীনতা বিরোধী মার্কিনীদের এবং সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় একাত্তরের পক্ষ শক্তিকে ক্ষমতা থেকে সরাতে সক্ষম হয়েছে। এবং ক্ষমতার স্বাদ ভোগ করতে শুরু করেছে ২০২৪ এর ৫ ই আগস্ট থেকে। এখন মার্কিনিদের এবং প্রশাসনের এবং তাদের দলীয় সন্ত্রাসীদের সমন্বয়ে আওয়ামী লীগ নিধন কার্যক্রমে মরিয়া মামা ভাগিনার দলেরা।জামাত বি এন পি জানে তারা অপরাধীদের দল। অপরাধীদের কাছে সত্য মানে ভয়ঙ্কর অপরাধীদের সব সময় লক্ষ্য থাকে সত্যকে নির্মূল করা মিথ্যাকে প্রতিষ্ঠিত করা। সুযোগ যেহেতু পেয়েছে সেটা তারা কাজে লাগাবে এটাই স্বাভাবিক। যত বড় অপরাধী করুক না কেন সে তার নিজেকে সেভ করার জন্য যা করা লাগে তাই করবে। এখন দেখার পালা সন্ত্রাসী জঙ্গি চাঁদাবাজদের নির্মূলে একাত্তরের পক্ষ শক্তি কি ভূমিকা রাখতে পারে।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৬:৩১
৭টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ওয়াশিংটন থেকে বেইজিং: বাংলাদেশের নতুন কূটনৈতিক সমীকরণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৫


মার্চ ২০২৬-এর ক্যালেন্ডার বলছে, বাংলাদেশের কূটনীতি নতুন দিকে মোড় নিয়েছে । একই সময়ে বাংলাদেশের তিনজন হেভিওয়েট ব্যক্তিত্ব আমেরিকার মাটিতে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান নিউ ইয়র্কে ব্যস্ত নিজের ক্যাম্পেইনে। সেনাপ্রধান জেনারেল... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০০১ থেকে ২০০৬ / ২০২৬শে এসে আবারও দেশ ফিরে গেলো খাম্বার খপ্পরে ‼️

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ০৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:২৪

তারেক জিয়া “ ২০০১ থেকে

২০০৬ পর্যন্ত যা করে গিয়েছিলেন। তিনি ঠিক সেখান থেকেই ২০২৬ শুরু করলেন। অনেকেই তার অনেক ইতিবাচক পরিবর্তনের কথা বলছেন। ছোট ছোট... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশে AI, গণমাধ্যম, এবং জনস্বার্থের প্রশ্ন

লিখেছেন শরৎ চৌধুরী, ০৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৩২

বাংলাদেশে AI নিয়ে আলোচনা এখন আর শুধু “নতুন প্রযুক্তি” নিয়ে উত্তেজনা বা ভয় নয়। এখন বিষয়টা অনেক বড়। AI ধীরে ধীরে গণমাধ্যম, সরকারি কাজ, জনবিশ্বাস, ভাষা, এবং নীতিনির্ধারণের অংশ হয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাল্যবিবাহে আমারও আপত্তি নেই, তবে…(একটু প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য)

লিখেছেন বিচার মানি তালগাছ আমার, ০৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:৩০



১. প্রথমেই সেসব ফেসবুক যোদ্ধাদের কাছে প্রশ্ন, যারা লুবাবা‘র বাল্যবিবাহ নিয়ে খুব উৎসাহ দিচ্ছেন, তেনারা নিজেদের ১৪/১৫ বছরের কন্যা সন্তানকে বিয়ে দিবেন কিনা। বিয়ে মানে কিন্তু শুধু জীবনসঙ্গীর সাথে এক... ...বাকিটুকু পড়ুন

ট্রেইন্ড সালাউদ্দিন ওরফে শিলং সালাউদ্দিন ওরফে সংবিধান সালাহউদ্দিন

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:৫০


ট্রেইন্ড সালাউদ্দিন ওরফে শিলং সালাউদ্দিন যিনি দীর্ঘসময় ভারতের তত্ত্বাবধানে শিলংয়ে সংবিধানের ওপর পিএইচডি করেছেন ফলে উনি এখন সংবিধান সালাহউদ্দিন যার সুফল এখন আমরা পেতে চলেছি। ইতোমধ্যেই আপনারা লক্ষ্য করেছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×