যুদ্ধাপরাধীর বিচার ঠিক আছে আছে কিন্তু টিপাইমুখী বাধ দিলে সোনার বাংলা হবে কিভাবে ?
আওয়ামী লীগ সাধারণ জনগণ ও নতুন প্রজন্মের মুখে রসালো লেবেনচুষ যুদ্ধাপরাধীর বিচার এর ধোয়া তুলে দিয়ে জনগণের মন ও চোখ এক ফ্যান্টাসীতে আবদ্ধ রেখেছে । অন্যদিকে তলে তলে ভারতের খেদমতগার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করছে । হাসিনার মুখে যতবার যুদ্ধাপরাধীর কথা আসে তার দশভাগের একভাগও আসে না বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ভারতের সব অপকীর্তিগুলো এবং সাম্প্রতিক সময়ের হট টপিক টিপাইমুখীবাধ নিয়ে । কেন ? বাংলাদেশের জন্য কোনটা বেশী হুমকি বর্তমান সময়ের জন্য ? যুদ্ধাপরাধীর বিচার না টিপাইমুখী বাধ ?
এই বাধের ফলে দেশের একটা অংশ মরুভূমি হয়ে যাবে । তিন কোটি লোক ক্ষতিগ্রস্ত হবে । এটা দেশের জন্য কত বড় বিপর্যয় । অথচ এটা নিয়ে আওয়ামী লীগ ও তাদরে ঘারানার বুদ্ধিজীবিগণ নিশ্চুপ । এরা কি বাংলাদেশে থাকে ? না অন্য দেশের নাগরিক ?
দুটো নিয়ে একসাথে সরব হওয়া যায় না ? একটা নিয়ে চুপ কেন ?
৭১ -এ জামায়াত রাজাকার ছিল আর ১১ তে হলো আওয়ামী লীগ ! যে দেশ ও দেশের মানুষের বিরোধী কাজ করবে তারাই রাজাকার । জামায়াতের টান হলো পাকিস্তানের জন্য আর আওয়ামী লীগের টান হলো ভারতের জন্য । দেশের জন্য কারোরই টান নেই । বড় অভাগা এদেশ ও এদেশের জনগন ।
পাকিস্তানতো ডাইরেক্ট গুলি করে মেরেছে । আর ভারত তো পানি না দিয়ে তাড়িয়ে তাড়িয়ে মারবে । যে মরা আরে বেশী কষ্টকর ।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:৩৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


