আমি না টেকাদের দলে। যেবার পরীক্ষা দিলাম সেবার শুধু জানতাম ঢা:বি দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠ। স্রেফ অতটুকু জেনে এত বিশাল এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এ বিশ্ববিদ্যালয়ে আমি যে চান্স পাবো না সে আমি পরীক্ষা দিতে গিয়েই টের পেয়েছিলাম। পাওয়ার মধ্যে আমাকে দেখিয়েছিল চ্যানেল ওয়ান। বড় খালা ফোন করে জানালেন- এই তোরে টিভিতে দেখছি! আমি জিগ্যেস করেছিলাম- কেমন দেখলে খালা? খালা হেসে বলেছিলেন- খুবই সিরিয়াস, তুই শিওর চান্স পাবি। ফলাফল এলো। চশমা পড়লেই যে সিরিয়াস ছাত্র হওয়া যায়না তা প্রমাণ করতে আমি চান্স পেলাম না। কত মার্ক পেয়েছি তাও জানার আগ্রহ হয়নি। কী হবে জেনে? যাইহোক দ্বিতীয়বার আমি আর গেলাম না ব্যর্থ হতে। বাবা রাগ করলেন। আমি বাবার রাগ মেটাতে ফোন অফ করে রাখলাম। মফস্বলে থাকা বাবা কিছুদিন পরেই আমাকে ক্ষমা করে দিলেন। বাবা সত্যিই মহান। আমার ছেলে এমন হলে আমি তাকে অর্ধচন্দ্র দান করবো।
কত কথা বলে ফেললাম। আসলে এসব আমার অভিমান। কেউ কেন বলেনি এখানে ফুলার রোড আছে, কেন বলেনি এখানে দীর্ঘ গাছের দীর্ঘতর ছায়ায় ফুটপাথ আছে। কেন বলেনি রিকশায় চেপে বৃষ্টি খাওয়া যায় আরামসে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের রাস্তায়। কেন বলেনি- পস্তাবি, না চান্স পেলে। বললে আমি পড়তাম, খুব ভালো প্রিপারেশন নিতাম।
তারপরেও যদি চান্স না পেতাম, দু:খ আমি ঠিকই পেতাম। যেমন পাচ্ছে আজ, যারা টেকেনি তারা। নিশ্চয় কান্না করছে অথবা আড়ালে সিগারেট টানছে।
টানুক। আমাদের দু:খ আপনারা বুঝবেন না। বুঝলে ছোটবেলায় ছেড়ে দিতেন। প্রথমে শেখাতেন স্বপ্ন দেখা, তারপর তেরোর নামতা।
লেখাটা আমার না তবে লেখাটা পড়ে অনেক ভালো লেগেছে তাই এখানে দিয়ে দিলাম
কার্টেসি(মাজহার মিথুন)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




