
০১.
যে আন্দোলন গতি পেলো ছাত্রছাত্রীদের দেহের রক্তে লেখা শ্লোগান দিয়ে সে আন্দোলন এখন বলতে গেলে মুখ থুবড়ে পড়লো।

আন্দোলনের চতুর্থ দিন শনিবার দুপুরে শতাধিক শিক্ষার্থী সিরিঞ্জ দিয়ে শরীর থেকে রক্ত সংগ্রহ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয় ও প্রশাসনিক ভবনের দেয়ালে লিখে দিয়েছে- 'বর্ধিত বেতন ফি প্রত্যাহার কর, সুজনের বহিস্কারাদেশ বাতিল কর।'

০২.
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সাধারণত বেতনফি বৃদ্ধি করে টানা কোনো বন্ধের কাছাকাছি সময়ে যেমন রমজানের বন্ধের আগে। এবং আন্দোলন বাঞ্ছাল করার জন্যে হয় শিবির, নাহয় ছাত্রলীগ, নাহয় ছাত্রদলকে দিয়ে কোনো না কোনো ঘটনা ঘটায়। ফলত আন্দোলন একটা বাঁকে যেতে না যেতেই মুখ থুবড়ে পড়ে। এবং সাফার করে হাজার হাজার ছাত্রছাত্রী। এইসব আমার শোনা কথা নয়, এটা আমার কাছ থেকে দেখা বিষয়।
এবার যেমন ছাত্রলীগের ছেলেদের কাজে লাগিয়ে প্রশাসনিক ভবন এবং আশপাশ ভাঙচুর করালো। যার জের ধরে আগে ভাগেই দীর্ঘদিনের জন্যে ক্যাম্পাস বন্ধ করে দিলো।

০৩.
সহকারি প্রক্টর চন্দন পোদ্দার মিডিয়ার কাছে বলেছেন, আন্দোলনকারিদের দায়দায়িত্ব আমাদের নয়। ক্যাম্পাসে কেউ উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করলে তাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনির হাতে তুলে দেয়া হবে।
এমতাবস্থায় গ্রেফতারকৃত শতাধিক শিক্ষার্থীর কী হবে বুঝতে পারছি না।

এই বিষয়ে আমার আগের পোস্ট:
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়: বেতন-ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে আন্দোলন এবং ষড়যন্ত্র

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

