আনন্দ এখন চরাচরে নিষ্কলুষ নীলে আর
নির্মল ছন্দিত সমীরণে দেহপল্লব ছাড়িয়ে
আরও অনেক দূরে হৃদয়মন্দিরের মেলা অব্দি
এ গাঁয়ে একটি সমুদ্রের আজ গম্ভীর গর্জন
বারশত নদী মায়াময় মাঠ-ঘাট-জনপদ
শূষে নেয় তার কলতান বুকে উষ্ণ স্পর্শ নিয়ে
নৌকাগুলো দৈবাৎ জীবন্ত পাল তুলে জুড়ে দিল
নাচ । শুধু কি তাই? হঠাৎ বাদামী বর্ণের ফ্রেমে
বন্দি হল স্মৃতিনিপিড়ীত ভাতিয়ালির জোয়ার
আজ প্রাণ-ভোম্রা থেকে মুক্তি পেয়েছে আমার প্রাণ শব্দগুলি
বহুবর্ণিল মাছের সাথে জেগেছে সাঁতার দিয়ে
পাখিদের সাথে উড়ে উড়ে নীলের সাথে মিতালি
করেরেশ্মি-নরম রোদ গাঁয়ে মেখে ভ্রমরের
মতন আমারি চারিপাশে খেলা করে কতশত
রঙের বর্ণে-অক্ষর-শব্দ কত কতইনা আকৃতি
আমি দেখছি, অনুভব করছি, স্পর্শ করছি। ভাবতে পার
একজন মুরতিকারিগরের পাশে থরে থরে রং,
তুলি,খাঁটিমাটি পরিপাটি করে সাজানো থাকলে
কেমনটা তার লাগে তখন!শান্ত? স্তব্ধ? সমাহিত?
গীতা, আমি তোমাকে বোঝাতে পারবনা ঐ হাহাকার
কতখানি ব্যপ্ত কতকিছু বিদির্ণ করতে পারে
এই অসম্ভব গাঢ় কষ্ট জন্মের আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত
হওয়া অবধি শুরু
শুন্যতার বয়স দিনকে দিনকে বেড়ে চলেছে
নতুন করে প্রেম হল না কেন এরকম ছ্যাবলামি
কখনও করিনি সেটা তুমি আজ ভাল করে জান
তবে, হ্যা, মানছি, কিছুকিছু অনুভুতি বারেবারে
পাঁজরের খাঁচা ধরে তীব্র নাড়া দেয় অনিবার
তারও নিয়ন্ত্রন আমার পায়ে পায়ে বারেবারে
সেটার পাছায় কষে লাথি মেরে যদ্দুর সম্ভব
ফুটবলের মত আকাশে তুলে দিই আবর্তনের নিয়মে
আবার ফেরে, যাওয়া আর আসা মেতে আছি এও
এক খেলায় কিন্তু বিশ্বাস কর গীতা আস্থা রাখ
বিশ্বাসিনী একমাত্র আমার একমাত্র শূন্যতা ছাড়া
কোনকিছু আমার অস্তিত্বে এভাবে বিদ্রুপ করা
দূরে থাক সাহস করেনি

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


