রোজার দেশীয় ঐতিহ্য বজায় রেখে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য সর্বস্তরের ব্যাবসায়ীদের ধন্যবাদ।
এই করোনার সময়ে ফেসবুকের পোস্টকারিগন একটা ব্যাপারে ধন্যবাদ পেতেই পারে আর তা হলো খাবারের ছবি পোস্ট না করা। করোনায় বাসায় থাকার কারনে পরিবারের নানান সদস্য নানান আইটেম তৈরি করার পরেও পোস্টে খাবার বা সেলফি আসে নাই। স্ব স্ব সুচিন্তার ফল।
ভিজুয়াল মিডিয়ার সাংবাদিকগন বিশেষ করে মুন্নি সাহা ধন্যবাদ পেতেই পারে কোনো করোনা আক্রান্ত রোগীকে, করোনা আক্রান্ত হওয়ার পরে আপনার অনুভূতি কেমন জানতে না চাওয়ায় জন্য। সেই সাথে সময় টিভি, ডিবিসি, একাত্তর টিভি ধন্যবাদ পেতে পারে করোনা আক্রান্তের বাড়ি বা হাসপাতাল হতে সরাসরি সম্প্রচার না করার জন্য কিংবা পরিবারের সদস্যদের কাছে জানতে না চাওয়ার জন্য করোনা কিভাবে হলো, হওয়ার পর আপনারা কি কি করলেন ইত্যাদি।
ধন্যবাদ পেতে পারেন মাহফুজুর রহমান এবং সিস্টার হেলেনা, কোনো করোনা সংগীত প্রকাশ না করে ইউটিউব এবং ফেসবুক ভারমুক্ত রাখার জন্য।
ধন্যবাদ পেতে পারেন কেকা ফেরদৌসি করোনা নুডুলস রান্না পদ্ধতি না দেখানোর জন্য।
ধন্যবাদ পেতে পারেন ইংরেজির ছাত্র হয়েও চিকিৎসা বিজ্ঞানের শিক্ষক-ছাত্রদের পথের নির্দেশনা দেওয়ার জন্য।
যাইহোক, আল্লাহ্ আমাদের সকলের রোজা কবুল করুন। খোশ আমদেদ মাহে রমজান।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

