"ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের এক ওয়ার্ড কমিশনার ও ক্ষমতাসীন বিএনপি নেতা 2005-06 অর্থবছরে সবচেয়ে বেশি কালো টাকা সাদা করেছেন। তার নাম চৌধুরী আলম। তিনি খুব বড় মাপের রাজনীতিবিদও নন, আবার বড় ব্যবসায়ীও নন। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের একটি সূত্র জানায়, তিনি শতকরা সাড়ে 7 ভাগ হারে 67 লাখ টাকা কর দিয়ে প্রায় 9 কোটি টাকা সাদা করে নিয়েছেন। এ ব্যাপারে চৌধুরী আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিডিনিউজকে জানান, 'আমিই সবচেয়ে বেশি টাকা সাদা করেছি কি-না জানি না। কিন্তু আমি আমার সামর্থ্য অনুযায়ীই এটা করেছি।' তিনি বলেন, 'সরকারকে আমার কর দেওয়া উচিত বলে আমি ভেবেছি। আর এ কারণেই আমি এটা করেছি।'
সূত্র জানায়, বড় মাপের রাজনীতিবিদ বা ব্যবসায়ী না হয়েও একজন সামান্য ওয়ার্ড কমিশনার সবচেয়ে বেশি কালো টাকা সাদা করায় এনবিআরের শীর্ষ কর্মকর্তারা রীতিমতো অবাক হয়েছেন। এর আগে জোট সরকার 2004-05 অর্থবছরে সাড়ে 7 শতাংশ কর প্রদান করে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ করে দেয়।
জানা গেছে, ক্ষমতাসীন বিএনপির মহানগর কমিটির নেতা হওয়ার আগে মোহাম্মদ আলম একজন হকার ছিলেন। 2001 সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর তিনি ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড কমিশনার নির্বাচিত হন।
এনবিআরের একটি শীর্ষ পর্যায়ের সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানায়, তিনি সর্বোচ্চ করদাতা ইউনিট এবং জোন-1-এ 67 লাখ টাকা কর দিয়ে 8 কোটি 93 লাখ টাকা সাদা করেছেন। তবে তিনি তার আয়ের উৎস জানাতে অস্বীকার করেন।"
যে যাই বলুক এই মুহূর্তে আমি কিন্ত ু চৌধুরী আলমকে দেশের পক্ষ থেকে এনবিআরকে পুরষ্কারই দিতে বলব
। কারন তিনি সরকারকে মোটা অংকের রাজস্ব প্রদান করেছে
, এত বেশি কালো টাকা সাদা করেছে , এক্ষেত্রে অন্য কোনো পেশার লোককেই আশা করেছিলাম(বাঁচাওওও)। কিন্তু ঐ কালো টাকার মালিকরা কর প্রদানে তেমন সাড়া দেয় নাই। চৌধুরী আলম দেশের মধ্যে পয়সার দিকে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি ছিলেন না
। আর পয়সার দিকে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিরা বেমালুম কালো টাকা চেপে গেছে। অথর্াৎ তাদের কালো টাকা কালোই রয়ে গেছে
(খাইয়ালামু)।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই জুলাই, ২০০৬ রাত ৩:৫৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




