ইসরাইলের প্রতিরক্ষান্ত্রী আমির পেরেজ হুমকি দিয়েছেন, লেবাননে এমন হামলা বা আক্রমণ করা হবে, যা গোটা মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র বদলে যাবে। তার এ হুমকি শুধু আগুনের তেজ বাড়াবে, মোটেও কমাবে না।
বুশ বলেছেন, ইসরাইলিরা নিজেদের রক্ষা করার অধিকার আছে। আর এ অধিকার রক্ষায় যত সব কার্যকলাপ সব বৈধ। বুশের এ কথার ওপর একটি প্রশ্ন জাগে, ইসরাইল যদি তাদের রক্ষার প্রয়োজনে যে কোনো দেশে হামলা চালিয়ে অগণিত মানুষ হত্যা করতে পারে, তাহলে হামাস এবং হিজবুল্লাহর সে অধিকার কি থাকবে না? নিশ্চয় আছে, কিন্তু এটাকে পাশ কাটিয়ে বরং হামাস এবং হিজবুল্লাহর কর্মকা-কে অবৈধ এবং সন্ত্রাসী কাজ বলে সার্টিফিকেট দেওয়া হচ্ছে। হিজবুল্লাহ লেবাননের মানুষের একটি প্রিয় সংগঠন। যদি তা না হতো, সত্যি সত্যি যদি হিজবুল্লাহ সন্ত্রাসী হতো তাহলে নিশ্চয় লেবাননের আপামর জনগণ হিজবুল্লাহর বিরোধিতা করত।
1982 সালে ইসরাইল যখন লেবানন দখল করে, হত্যা করে প্রায় 18 হাজার মানুষ, সেই হত্যাযজ্ঞের পর থেকে কেবল ইসরাইলি হামলা এবং আগ্রাসনকে প্রতিহত করার জন্য প্রতিষ্ঠা করা হয় এ হিজবুল্লাহ সংগঠন।
[গাঢ়]গণতন্ত্রের ধ্বজধারী, তথাকথিত মুক্তবিশ্বের মুখোশধারীরা একবারও ভাবছে না, অসংখ্য লেবাননিকে কারা রক্ষা করবে? তারা কোথায় পালিয়ে যাবে? কোথায় আশ্রয় নেবে?[/গাঢ়]
ইসরাইলি হামলার পর পুরো লেবাননে জ্বালানি ও ওষুধ সংকট দেখা দিয়েছে। এক্ষেত্রে সাহায্য-সহযোগিতায়ও ইসরাইল বাধা দিচ্ছে। সমুদ্র বন্দর দিয়ে জাতিসংঘের সাহায্য পেঁৗছানোর দাবি প্রত্যাখ্যান করছে ইসরাইল কর্তৃপক্ষ। দক্ষিণ লেবাননে রেডক্রসের সাহায্য বহনকারী ট্রাকে ইসরাইল হামলা চালিয়েছে।
ইসরাইল এবং তার মিত্রদের স্মরণ রাখা উচিত, অপরসীম ধ্বংস, অবরোধ, নির্যাতন আর মৃতু্যর পরও ফিলিস্থিনিরা শেষ হয়ে যায়নি। থেমে যায়নি তাদের মুক্তির মিছিল। সেই বেড়ে ওঠা আগুনে ইসরাইল এবং তাদের মিত্ররা জ্বলে পুড়ে ছাই ভস্ম হবে।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই আগস্ট, ২০০৬ সকাল ৭:৪৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



