রাজশাহী চিড়িয়াখানা!অদ্ভুত একটা জায়গা।নাম চিড়িয়াখানা বটে কিন্তু তেমন কোন চিড়িয়া বা পশু,পাখি নেই।আছে সুন্দর একটা লেক।পার্কের মতো বসার জায়গা।এখানে টিকিট কেটে প্রেমিক প্রেমিকারা নিরাপদ বিনোদনের জন্য আসে।এই চিড়িয়াখানায় এসে আমার মনে হয়েছে আমাদের শিক্ষা গ্রহণ,চাকরি নির্বাচন পদ্ধতির কথা।শুধু এই চিড়িয়াখানাটি নয় অধিকাংশ চিড়িয়াখানায় প্রাণী কম(আমি দু’টি চিড়িয়াখানা দেখেছি)। যে প্রাণী আছে সেগুলোও যত্নের অভাবে যায় যায় অবস্থা।আমার কাছে মনে হয়েছে প্রাণিবিজ্ঞান,ভেটেরেনারি,এনিম্যাল হাজবেন্ড্রি বিভাগ থেকে পাশ করা শিক্ষার্থী বা অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা যদি এই চিড়িয়াখানা গুলোতে তাদের তাত্বিক জ্ঞানের ব্যবহারিক করার সুযোগ পেত তাহলে একাডেমিক মান উন্নয়নের পাশাপাশি এই চিড়িয়াখানা গুলো হত আরো নান্দনিক ও উন্নত।চিড়িয়াখানা গুলোতে নিয়োগ পাওয়া নিয়ে প্রথম আলোর ০৭-০২-০৯ তারিখে ঢাকা চিড়িয়াখানা সংক্রান্ত একটা রিপোর্টে বলা হয়,চিকিত্সকের অবর্তমানে পশুবিষয়ক বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা চিকিত্সকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন!এই রিপোর্টে পশুসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. হাবিবুর রহমান বলেন,(চিড়িয়াখানার প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোয় বন্য প্রাণী বিশেষজ্ঞের পদ নেই।আর বন্য প্রাণী বিশেষজ্ঞ প্রাণীর আচরণ বুঝলেও চিকিত্সা দিতে পারেন না।
পৃথিবীর অন্যান্য দেশের চিড়িয়াখানায় প্রাণীর দৈহিক ও মানসিক স্বাস্থ্যসুবিধা নিশ্চিত করতে বন্য প্রাণী বিশেষজ্ঞ, প্রাণিবিজ্ঞানী (বায়োলজিস্ট), উদ্ভিদবিজ্ঞানী (বোটানিস্ট) নিয়োগ দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, মাংসাশী প্রাণী, তৃণভোজী, পাখি, সরীসৃপ—এভাবে ভাগ করে চারটি বিভাগে চারজন বিশেষজ্ঞ চিকিত্সক নিয়োগ করা হলে অবস্থা অনেকটা আয়ত্তে আসবে।)
অর্থাৎ এখানে এসব বিভাগের শিক্ষার্থীদের চাকুরির সুযোগ সৃষ্টি করা যেত।কিন্তু এরকম আরো বিষয়ভিত্তিক সুযোগ কম থাকায়,আমরা ব্যাংক,কিংবা গতবাধা চাকুরির দিকে বেশী ঝুকছি।ফলে আমরা আমাদের বিষয়ভিত্তিক জ্ঞানকে কাজে লাগাতে পারছি না।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




