১৮ বছরের নিচে কারও পড়া নিষেধ: এটি একটি অশ্লীল লেখা...
....................................................
সম্প্রতি প্রথম আলো তাদের প্রথমা প্রকাশনি থেকে প্রকাশিতব্য কাব্যগ্রন্থ "কায়কাউসের ছেলে" র জন্য 'সাইয়েদ জামিল' নামক একজন কবি (!) কে জীবনানন্দ দাশ পুরুস্কার প্রদান করেছে।
তার কবিতা পড়ে আমি দারুণভাবে মর্মাহত এবং লজ্জিত।
এইসব বিকৃত রুচির মানসিক ভারসাম্যহীন একটা লোককে প্রথম আলো কী করে এই পুরুস্কার দিলো ভেবে পাই না।... ধিক্কার জানাই এর জুড়ি বোর্ডের সদস্যদের....
জীবনানন্দ দাশ বেঁচে থাকলে নির্ঘাত লজ্জায় আত্মহত্যা করতেন।....
সাহিত্যের একজন ক্ষুদ্র পাঠক হিসেবে এর প্রতিবাদ না করে পারছি না।....
এহেন অসভ্যতাকে যদি কবিতা বলা হয়, তবে প্রথম আলোর কাছে নতুন করে কবিতার পাঠ শিখতে হবে দেখছি!!!!
পুরস্কারপ্রাপ্ত গ্রন্থ থেকে কবির কিছু কবিতা- (!)
"মানুষ"
পৃথিবীতে আমরা গান গাই,
পক্ষী শিকার করি,
চোদাচুদি করি এবং নিজেদের অস্তিত্ব ঘোষণা করি,
আমরা জানি, এসব করতে করতেই
ডোডো ও ডাইনোসর বিলুপ্ত হয়া গেছে,
"অবকাশ যাপনের ভঙ্গি"
নারীকে ভাবুন একটি দরোজা। এবং সে প্রবেশমুখ দিয়ে ঢুকে যেতে পারেন অভ্যন্তরে। বিকেলে, ড্রয়িং রুমের সোফায় ব’সে ব্ল্যাক কফিতে চুমুক দিয়ে আলোচনা করতে পারেন হিউ হেফনার প্রসঙ্গে। সন্ধ্যা ঘন হ’লে, নির্জনতা মেশানো অন্ধকারে, বেডরুমে, খাট নয়, মেঝেতে আসন নিন। নারীটিকে বাজাতে বলুন আনন্দ-বেহালা। দেখবেন, পাখিতে রূপান্তরিত হয়ে আপনার শিশ্নটি উড়ে যাবে সুরের ম্যাজিকে। সেই সুর মন্থন করুন এবং বিশ্রাম করুন।
"কিলুর মগজ"
রোজ বিকেলে কিলুর মগজ আমাদেরকে দাবড়ে নিয়ে আসে শাহবাগ। আমরা সাহিত্য-চোদানো ফাতরা লোকগুলো মিউজিয়ামের সামনে দাঁড়িয়ে গোয়া-মারা খাই আর র চা গিলি। মদ ও মাগির যন্ত্রণা নিয়ে গালি দিই ফরহাদ মজহারকে। আর বলি, চেতনা-বিশ্বের একটিই ভাই রবীন্দ্রনাথ।
একদিন, শরীরে সন্ধ্যা মেখে, আমাদের সামনে উলঙ্গ এক পাগলী এলো। তার বক্ষ সুবিশাল। আর সে দুই হাতে তার স্তন দুটি উঁচু ক’রে ধ’রে বললো, ‘আমার মাই ভরা দুধ থাকতে তোরা র চা খাচ্ছিস ক্যা?’
আমরা গোরুর দুধের চা খেয়েছি, কনডেন্স মিল্কের চা খেয়েছি; কিন্তু মানুষের দুধের চা খাই নি কখনও। আর এ তো উন্মাদিনী! —উন্মাদিনীর দুধের চা ক্যামন?
"দ্য স্পিরিট অব ইসলাম"
একবার আমি চল্লিশ টাকা দিয়ে রবীন্দ্রনাথের একটা পোস্টার কিনছিলাম। তারপর ঘরে টাঙায়া রাখছিলাম। একদিন পোস্টারের রবীন্দ্রনাথ হুট করেই আমারে থাপ্পড় মারে আর বলে, ‘সাহিত্য লইয়া বজ্জাতি করিও না। বাপু, অর্থকড়ি লাগিলেও ভালো হইয়া যাও।’ —
আমি গুরু চোদা জামিল। সুতরাং রবীন্দ্রনাথকে পাল্টা থাপড়াইতে দ্বিধা করিলাম না। এবং মাদারচোত বলিয়া গালিও দিলাম। তারপর পোস্টারের সেই রবীন্দ্রনাথরে ছিঁড়ে ছিন্নভিন্ন ক’রে কমোডে ফেলে তার ওপর মূত্র বিসর্জন করিলাম এবং ফ্ল্যাশ আউট করিয়া গৃহ হইতে ঠাকুর তাড়ায়া দিলাম।
"লাইভ আফটার কায়কাউস"
আমি কায়কাউসের ছেলে। আমি বেড়াই
হেসে খেলে। ইচ্ছে হ’লে হাগি মুতি, ইচ্ছে
হ’লে চুদি; ইচ্ছে হ’লে ঊরুর ভাজেই দুই চক্ষু
মুদি। চক্ষু মুদে ঘুমিয়ে রই ঊরুসন্ধির ফাঁকে;
আড়াল থেকে হাজার নারী আমায় তবু
ডাকে! আমায় ক্যানো ডাকিস নারী, আমায়
ক্যানো ডাকিস? প্রবঞ্চনার ইতিহাসে তোরা
ভালো থাকিস। ইতিহাসের মা-কে চুদে আমিও
রবো ভালো। কাব্য লিখে ঘরে ঘরে জ্বালিয়ে
দেবো আলো। সেই আলোতে আলোকিত
হবে খোকা-খুকু; থাকবো নাকো আমি
যখন থাকবে স্মৃতিটুকু।
"সমন্বিত চিন্তা-কাঠামো ও হেঁটে যাবার বাসনা"
চলো, মদ ও মাগির সন্ধানে বেরিয়ে পড়ি। রাত্রি বিকশিত হবার পূর্বে, এই ঘনায়মান সন্ধ্যায়, দেরি নয়, এ এক প্রার্থিত সময়ের পলক মাত্র, অতএব, চলো, পেরিয়ে জঙ্গল আর কবরখানা, আর মৃত আত্মার ফরফরে আওয়াজ থেকে দূরে, সুরের কিনারা দিয়ে, গোয়ালন্দঘাটের দিকে। শুনেছি, ওইদিকে মদ আর মাগি স্তুপাকারে সাজানো রয়েছে। লোহালক্করের মতো নারীগুলি শরীরের পার্টস খুলে দেখায় পুরুষকে আর ঢেলে দেয় তরল সুবাস। চলো বন্ধু, দেরি নয়, আমরা একসাথে মদ খাবো, মাগি চুদবো।
"ফাকার"
প্রেমিকা ছাড়া কাউরে চুদি না।
...............................................
জানি বইটি মেলায় অনেক বিক্রি হবে, রেকর্ডও ছাড়িয়ে যেতে পারে....। আর প্রথম আলোও সেই সুবাধে অনেক "মাল" কামাবে।
ছি প্রথম আলো!! ছি!!.......
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৩:০৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



