somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

"ফাকার"

২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৫ রাত ১:৫৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

১৮ বছরের নিচে কারও পড়া নিষেধ: এটি একটি অশ্লীল লেখা...
....................................................

সম্প্রতি প্রথম আলো তাদের প্রথমা প্রকাশনি থেকে প্রকাশিতব্য কাব্যগ্রন্থ "কায়কাউসের ছেলে" র জন্য ‌'সাইয়েদ জামিল' নামক একজন কবি (!) কে জীবনানন্দ দাশ পুরুস্কার প্রদান করেছে।

তার কবিতা পড়ে আমি দারুণভাবে মর্মাহত এবং লজ্জিত।

এইসব বিকৃত রুচির মানসিক ভারসাম্যহীন একটা লোককে প্রথম আলো কী করে এই পুরুস্কার দিলো ভেবে পাই না।... ধিক্কার জানাই এর জুড়ি বোর্ডের সদস্যদের....

জীবনানন্দ দাশ বেঁচে থাকলে নির্ঘাত লজ্জায় আত্মহত্যা করতেন।....

সাহিত্যের একজন ক্ষুদ্র পাঠক হিসেবে এর প্রতিবাদ না করে পারছি না।....
এহেন অসভ্যতাকে যদি কবিতা বলা হয়, তবে প্রথম আলোর কাছে নতুন করে কবিতার পাঠ শিখতে হবে দেখছি!!!!



পুরস্কারপ্রাপ্ত গ্রন্থ থেকে কবির কিছু কবিতা- (!)




"মানুষ"

পৃথিবীতে আমরা গান গাই,
পক্ষী শিকার করি,
চোদাচুদি করি এবং নিজেদের অস্তিত্ব ঘোষণা করি,

আমরা জানি, এসব করতে করতেই
ডোডো ও ডাইনোসর বিলুপ্ত হয়া গেছে,


"অবকাশ যাপনের ভঙ্গি"

নারীকে ভাবুন একটি দরোজা। এবং সে প্রবেশমুখ দিয়ে ঢুকে যেতে পারেন অভ্যন্তরে। বিকেলে, ড্রয়িং রুমের সোফায় ব’সে ব্ল্যাক কফিতে চুমুক দিয়ে আলোচনা করতে পারেন হিউ হেফনার প্রসঙ্গে। সন্ধ্যা ঘন হ’লে, নির্জনতা মেশানো অন্ধকারে, বেডরুমে, খাট নয়, মেঝেতে আসন নিন। নারীটিকে বাজাতে বলুন আনন্দ-বেহালা। দেখবেন, পাখিতে রূপান্তরিত হয়ে আপনার শিশ্নটি উড়ে যাবে সুরের ম্যাজিকে। সেই সুর মন্থন করুন এবং বিশ্রাম করুন।



"কিলুর মগজ"

রোজ বিকেলে কিলুর মগজ আমাদেরকে দাবড়ে নিয়ে আসে শাহবাগ। আমরা সাহিত্য-চোদানো ফাতরা লোকগুলো মিউজিয়ামের সামনে দাঁড়িয়ে গোয়া-মারা খাই আর র চা গিলি। মদ ও মাগির যন্ত্রণা নিয়ে গালি দিই ফরহাদ মজহারকে। আর বলি, চেতনা-বিশ্বের একটিই ভাই রবীন্দ্রনাথ।
একদিন, শরীরে সন্ধ্যা মেখে, আমাদের সামনে উলঙ্গ এক পাগলী এলো। তার বক্ষ সুবিশাল। আর সে দুই হাতে তার স্তন দুটি উঁচু ক’রে ধ’রে বললো, ‘আমার মাই ভরা দুধ থাকতে তোরা র চা খাচ্ছিস ক্যা?’
আমরা গোরুর দুধের চা খেয়েছি, কনডেন্স মিল্কের চা খেয়েছি; কিন্তু মানুষের দুধের চা খাই নি কখনও। আর এ তো উন্মাদিনী! —উন্মাদিনীর দুধের চা ক্যামন?


"দ্য স্পিরিট অব ইসলাম"

একবার আমি চল্লিশ টাকা দিয়ে রবীন্দ্রনাথের একটা পোস্টার কিনছিলাম। তারপর ঘরে টাঙায়া রাখছিলাম। একদিন পোস্টারের রবীন্দ্রনাথ হুট করেই আমারে থাপ্পড় মারে আর বলে, ‘সাহিত্য লইয়া বজ্জাতি করিও না। বাপু, অর্থকড়ি লাগিলেও ভালো হইয়া যাও।’ —

আমি গুরু চোদা জামিল। সুতরাং রবীন্দ্রনাথকে পাল্টা থাপড়াইতে দ্বিধা করিলাম না। এবং মাদারচোত বলিয়া গালিও দিলাম। তারপর পোস্টারের সেই রবীন্দ্রনাথরে ছিঁড়ে ছিন্নভিন্ন ক’রে কমোডে ফেলে তার ওপর মূত্র বিসর্জন করিলাম এবং ফ্ল্যাশ আউট করিয়া গৃহ হইতে ঠাকুর তাড়ায়া দিলাম।




"লাইভ আফটার কায়কাউস"

আমি কায়কাউসের ছেলে। আমি বেড়াই
হেসে খেলে। ইচ্ছে হ’লে হাগি মুতি, ইচ্ছে
হ’লে চুদি; ইচ্ছে হ’লে ঊরুর ভাজেই দুই চক্ষু
মুদি। চক্ষু মুদে ঘুমিয়ে রই ঊরুসন্ধির ফাঁকে;
আড়াল থেকে হাজার নারী আমায় তবু
ডাকে! আমায় ক্যানো ডাকিস নারী, আমায়
ক্যানো ডাকিস? প্রবঞ্চনার ইতিহাসে তোরা
ভালো থাকিস। ইতিহাসের মা-কে চুদে আমিও
রবো ভালো। কাব্য লিখে ঘরে ঘরে জ্বালিয়ে
দেবো আলো। সেই আলোতে আলোকিত
হবে খোকা-খুকু; থাকবো নাকো আমি
যখন থাকবে স্মৃতিটুকু।





"সমন্বিত চিন্তা-কাঠামো ও হেঁটে যাবার বাসনা"

চলো, মদ ও মাগির সন্ধানে বেরিয়ে পড়ি। রাত্রি বিকশিত হবার পূর্বে, এই ঘনায়মান সন্ধ্যায়, দেরি নয়, এ এক প্রার্থিত সময়ের পলক মাত্র, অতএব, চলো, পেরিয়ে জঙ্গল আর কবরখানা, আর মৃত আত্মার ফরফরে আওয়াজ থেকে দূরে, সুরের কিনারা দিয়ে, গোয়ালন্দঘাটের দিকে। শুনেছি, ওইদিকে মদ আর মাগি স্তুপাকারে সাজানো রয়েছে। লোহালক্করের মতো নারীগুলি শরীরের পার্টস খুলে দেখায় পুরুষকে আর ঢেলে দেয় তরল সুবাস। চলো বন্ধু, দেরি নয়, আমরা একসাথে মদ খাবো, মাগি চুদবো।




"ফাকার"

প্রেমিকা ছাড়া কাউরে চুদি না।
...............................................

জানি বইটি মেলায় অনেক বিক্রি হবে, রেকর্ডও ছাড়িয়ে যেতে পারে....। আর প্রথম আলোও সেই সুবাধে অনেক "মাল" কামাবে।

ছি প্রথম আলো!! ছি!!.......


সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৩:০৪
১৭টি মন্তব্য ১০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ওরা জিডিপি আর সেমিকন্ডাক্টরে ব্যস্ত , আমরা ব্যস্ত গোরুর জিয়াফত নিয়ে ....।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৩৫


গতকাল মামার ফোন এল দুবাই থেকে, রাতের বেলা। বললেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গরু জবাই করে জিয়াফত খাওয়ার খবর এখান পর্যন্ত পৌঁছে গেছে, ব্যাপার কী? আমি বললাম, মামা, ওরা গরুর মাংস... ...বাকিটুকু পড়ুন

মীর জাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ঐতিহাসিক চুক্তি! যে চুক্তির জন্য বাংলার স্বাধীনতার সূর্য ২০০ বছরের জন্য অস্তমিত হয়েছিল!

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৪২


আমরা পলাশী যুদ্ধের কথা জানি। কিন্তু এই যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি হয়েছিল মীরজাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্ণধার লর্ড ক্লাইভের এর সাথে সেটা সম্পর্কে খুব কমই... ...বাকিটুকু পড়ুন

তাবলিগে গিয়ে যা শিখলাম না

লিখেছেন মুনতাসির, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:৫৯

আমি যখন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ি, তখন আমার কয়েকজন বন্ধু তাবলিগ করত। তাবলিগের প্রতি আমার কখনোই আগ্রহ ছিল না। তবে ওরা নিজেরা রান্না করত, আর আমি রান্না করতে পছন্দ করি। তাই একদিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:১০


যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

“ধর্ম যার যার, উৎসব সবার”- শুনতে চমৎকার, জনপ্রিয়ও বটে। কিন্তু কথাটি কি ধর্মীয় বিশ্বাসের বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি সংগতিপূর্ণ?
আমার কাছে তা নয়। এধরণের বাণী... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌদি আরবে নারীসহ দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ: প্রতিমন্ত্রী, নাকি পাপেট?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৫০


গত বুধবার সৌদি আরবের শরিয়া আদালত একজন নারীসহ দুই বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিকের শিরশ্ছেদ কার্যকর করেছে। এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ যে বিবৃতিটি দিয়েছেন, সেটা পড়ে বোঝা গেল যে, পররাষ্ট্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

×