কোন একটা মুভিতে যেন দেখেছিলাম, একজন শিক্ষক ও পরে নীতিবান রাজনৈতিক বলছেন, রাজনীতিকে সবাই নর্দমার দুর্গন্ধযুক্ত জিনিষ মনে করে, অথচ কেউ সেই নর্দমায় নেমে সেটাকে পরিস্কার করার দায়িত্ব নেয় না।
সম্ভবত ভারতের অরভিন্দ কেজরিওয়াল সে দায়িত্বটাই নিজের কাধে তুলে নিয়েছেন। যতই তার কাজ কাম দেখছি, ততই বেশ অবাক ও অভিভূত হচ্ছি।
খবরে প্রকাশ, গত ২৩শে মে দ্বিতীয়বার শুনানীর দিন প্রচলিত টাকার বিনিময়ে জামিন নিতে অস্বীকার করায় ভারতের আম আদমি পার্টির (এএপি) প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে আবারও ১৪ দিনের জন্য নয়াদিল্লির তিহার কারাগারের বিচারিক হাজতে পাঠানো হয়েছে। বিজেপির নেতা নিতিন গড়কড়ির করা এক অবমাননার মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে এ আদেশ দেন আদালত।
"টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়েছে, মামলায় জামিন পেতে ১০ হাজার রুপি মুচলেকা হিসেবে দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় তাঁকে (কেজরিওয়াল) আদালতের হেফাজতে রাখা হয়েছে।
আদালতে কেজরিওয়াল বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে মামলাটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হওয়ায় তিনি জামিন নিতে অর্থ দেবেন না। পরিবর্তে প্রতি শুনানিতে আদালতে হাজির হতে আনুষ্ঠানিক অঙ্গীকার করবেন তিনি।
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট গোমতি মনোচার সামনে কেজরিওয়াল বলেন, ‘আমি দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করছি। আমি জামিন প্রার্থনা করব না। কারণ, আমি কোনো ভুল করিনি।’
সম্প্রতি বিজেপির নেতা গড়কড়িকে ‘দুর্নীতিবাজ’ বলায় আদালতে তলব করা হয় কেজরিওয়ালকে। এ মামলায় জামিন পেতে বিচারক কেজরিওয়ালকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দিতে নির্দেশ দেন।
কেজরিওয়ালের আইনজীবী আদালতকে বলেন, কেজরিওয়াল আদালতের শুনানিতে আসার আনুষ্ঠানিক অঙ্গীকার করতে রাজি হওয়ায় এর আগে একটি অবমাননা মামলায় তাঁকে জামিন দেন আদালত। কিন্তু আদালত আইনজীবীর এ বক্তব্যকে খণ্ডন করে জামিন পেতে অর্থ দেওয়ার নির্দেশ দেন।"
প্রচলিত ও তথাকথিত রাজনীতিবিদের এই উপমহাদেশ অভাব নেই। নুতন করে কাউকে অভিবাদন জানানোর কোন ঠেকা জনগনের পরে নাই। জনগন অবশ্যই স্বাগত জানাবে তাকেই, যিনি বা যারা সত্যিকার অর্থেই গলে যাওয়া, পচে যাওয়া রাজনীতির বিরুদ্ধে প্রচন্ড সাহসিকতার সাথে রুখে দাড়াবেন তবে সেটা হতে হবে সাধারন মানুষের নিত্যকার, অতি সাধারন অথচ অতি গুরুত্বপুর্ন, জীবন ঘনিষ্ঠ সমস্যাবলী নিয়ে। জয় বাংলাদেশ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


