বিএনপি চেয়ারম্যান বেগম খালেদা জিয়া আজ মুন্সীগন্জে একটা জনসভায় বেশ কিছু গুরুত্বপুর্ন বক্তব্য দিয়েছেন। এখানে কোট করছি,
"খালেদা জিয়া বলেন, সেনাবাহিনী থেকে লোকবল আনা হয় র্যাবে। কিন্তু র্যাবের অবৈধ কর্মকান্ডের জন্য সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। কাজেই র্যাব রাখার আর দরকার নেই। র্যাবে এখন ক্যান্সার দেখা দিয়েছে। অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে কোনো কাজ হবে না। তাই সংস্কার নয়, এটি বাতিল করতে হবে।
..........
তিনি বলেন, র্যাব যদি রাতের বেলায় কারো বাড়িতে কাউকে ধরতে যায়, তাহলে জনগণকে আমি অনুরোধ জানাবো ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাদের ঘেরাও করুন। রাতের বেলায় কোনো বাড়িতে কোনো বাহিনীই কাউকে ধরতে যেতে পারবে না। র্যাব, পুলিশ বা ডিবি রাতের বেলায় কাউকে ধরতে পারবে না। কাউকে ধরতে হলে দিনের বেলায় ধরতে হবে। ধরার পর কোথায় নেওয়া হচ্ছে তার পরিবারকে বাহিনীগুলোকে লিখিতভাবে জানিয়ে আসতে হবে। বাহিনীগুলো অভিযানে গেলে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে সঙ্গে রাখতে হবে।"
কিন্তু বক্তব্যের কোথাও তিনি বলেন নি যে এই সরকার সেটা না করলে তিনি বা বিএনপি ক্ষমতায় গেলে সেগুলো বাস্তবায়ন করবেন। অর্থাত, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে র্যাব বাতিল করা হবে, রাতের বেলায় কাউকে গ্রেফতার করা হবে না, ইত্যাদি। আমি এই ওয়াদাগুলো খুঁজে পেলাম না পত্রিকার পাতায়। আর এখানেই হলো উন্নত গনতান্ত্রিক বিশ্বের নেতাদের সাথে আমাদের পার্থক্য। সেটা হলো যে প্রতিপক্ষের দুর্বলতাকে তুলে ধরে নিজেরা সুযোগ পেলে সেই জায়গাটা কিভাবে পুরন করবেন, কিভাবে বেটার কাজ করবেন, বর্তমানে যারা আছেন তাদের ব্যার্থতার জায়গাটা তিনারা কিভাবে সাফল্যে ভরে তুলবেন এগুলো জনগনের সামনে আনা হয়, সুস্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়। তারপর এগুলো বিচার বিবেচনা করে ভোটাররা সেগুলো বিশ্বাষযোগ্য মনে করলে পরবর্তী নির্বাচনে তাদেরকে বেছে নেয়। সেই ষ্টেইটসম্যানশীপ নেতৃত্ব বিএনপি কেন এখনও দেশ ও জাতিকে দিতে পারছে না? তাহলে জনগন কেন বিশ্বাষ করবে? কারন নিকট অতীতগুলোর যা রেকর্ড তাতেতো কোন ভরসা করা যায় না। কারন, র্যাবের মালিকানা পরিবর্তন করে জনগনের লাভ টা কি?
লিংকটাতে পুরো নিউজটা দেয়া হলোঃ
Click This Link

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


