মাননীয় বিচারক সাহেব, আমি নির্দোষ ...
আদালতের কাঠ গোড়ায় অনেক অনুনয় বিনয় করল তুষার।
হাকীম রায় দিলেন, তুমি অপরাধী।
মুহুর্ত পালটে গেল। সময় উল্টে গেল। দু’একটা শান্তনার বাণী শুনা গেল। শুকনো ইমারতের বিল্ডিং ঝরে পড়ল। এখন শুধু ইটগুলো অবশিষ্ট আছে।
তুষারের জীবনে ঘটে যাওয়া ঘটনার সাক্ষী আমি। তুষার বলেছিল, আমি নির্দোষ। কথাটির আর কোন ভিত্তি রইল না। হাকীম বুঝলেন না। যেকোন রায় এমন একটি বিষয়, সেটি সত্যও হতে পারে আবার মিথ্যাও মাঝে মাঝে হতে দেখা গেছে। সমাজের প্রেক্ষিত , সমাজের আচার, সমাজের বিচার যখন একটি রায় দেয় তখন সেটি সত্য। অন্তত শুধুমাত্র আসামীর জন্য। হ্যা, তুষারের জন্যও। সে আজ যত জোরে চিৎকার দিয়েই বলুক না কেন, সেটা আজ বাদুরের তরঙ্গের মত বাতাসে ভেসে যাবে।
গল্পটা বিশাল। আমি বলব না কিছুই। পাঁচ বছর পর কারা মুক্তির দিন, জেলার সাহেব তাকে একটি ডায়েরী ফেরত দিল।
হয়তো এই ডায়েরীতেই ছিল নির্দোষের কাহিনী। থাক। বন্ধ থাক ডায়েরীটা । কারন পাঁচ টা বছর তো কেটেই গেল।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা জুলাই, ২০১৮ রাত ১১:২৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



