ডিভোর্স শব্দটার সাথে আমরা সবাই পরিচিত। এবং একটু নেতিবাচক ভাবেই পরিচিত।
ডিভোর্স শব্দটির অর্থ বিবাহবিচ্ছেদ। এই বিবাহবিচ্ছেদ কখন ঘটে? যখন সামাজিকভাবে একে অন্যের সাথে থাকা সম্ভব হয় না কেবল তখনই। গ্রামে গঞ্জে লক্ষ করলে দেখা যায় শারীরিক নির্যাতন, গালাগালি, আর্থিক নির্যাতন সহ্য করেও একটি মেয়ে দিনের পর দিন সংসার করে যাচ্ছে। শহরেও এমনটা আছে। লোক লজ্জার ভয়ে অনেকেই নীড়বে কেদে মরে। প্রতিদিনই ডিভোর্স দিচ্ছে মনে মনে। কিন্তু প্রকাশ করতে পারছে না।
পরিসংখ্যান লক্ষ করলে দেখা যায়, শুধু পুরুষরাই নির্যাতন করে তা নয়, নারীরাও নির্যাতন করে। অর্থের খোটা, ভাল চাকরির খোটা, সামাজিক স্ট্যাটাসের খোটা, শারিরীকভাবে হেয় করা ইত্যাদি কাজ অহর্নিশ নারীরাও করছে। অনেক পুরুষও লোক লজ্জার ভয়ে চুপ করে থাকে।
কিন্তু এই চুপ করে জীবন পার করা কি জীবন? সংসারে সর্বক্ষণ আগুনের উত্তাপ ছড়িয়ে থাকা কি জীবন?
আমরা হয়তো অনেক ভুক্তভোগীর কষ্ট বুঝি না। শুধু বিচ্ছেদটাই বড় করে দেখি। সামাজিকভাবে আরও হেয় করি। কিন্তু একটু ভেবে দেখি, বিয়ে নিশ্চয়ই বিচ্ছেদ করার জন্য করেছিল না। একসাথে থাকা সম্ভব না বলেই আজ তারা ভিন্ন। বন্দী জীবন থেকে সে মুক্তির স্বাদ পেল কি'না?
তাহছান- মিথিলা যতদিন পেরেছে একসাথে সুখেই ছিল। কিন্তু যখন আর সম্ভব হয়নি উভয়ের সম্মতিতে বিচ্ছেদ হল। এটা আমরা খারাপ চোখে না দেখে উপলব্ধি করার চেষ্টা করি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



