somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ইউনুস চাচার দেশ চালাইবার খায়েশ

২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৯:০৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

দেশে ইসলামী জাতীয়তাবাদী ও বাঙালি জাতীয়তাবাদী শক্তির লড়াই চলছে রাজনৈতিক অঙ্গনে। বাংলাদেশে এই রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা এবং জঙ্গিবাদের উত্থানে যুক্তরাষ্ট্র উদ্্বিগ্ন। তারা চাইছে বাংলাদেশে তাদের পছন্দমতো একটি জাতীয় সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করুক। যারা কিনা এই মুসলিমপ্রধান দেশে মোটামুটি স্থিতিশীলতা আনবে এবং আর যাই হোক জঙ্গিবাদ এবং অন্যান্য সমস্যা থেকে বাংলাদেশকে দূরে সরিয়ে আনবে। জাতীয় সরকার যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে যায় এমন কিছু করতে যাবে না। এই লক্ষ্যে ইউনুস চাচার ইমেজ বাড়ানোর কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। দেশে যখন দুই জোটের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে আমাদের ইউনুস চাচা তখন ইউরোপের দেশগুলোতে ভাবমূর্তি উজ্জল করছেন এবং মাঝে মাঝে বাংলাদেশ নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছেন। দেশে ফিরে আবার শিশুসুলভ চপলতায় আবোল তাবোল বকছেন। আমি গুছিয়ে লিখতে পারছি না বন্ধুরা। আশা করব এই ব্লগে যারা উন্নতমানের ব্লগার আছেন তারা এ বিষয়টি আরো খোলাসা করবেন। যাই হোক, বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্য কোনো দেশের সম্পদ নয়। যুক্তরাষ্ট্র চাইলেই আমাদের দেশে আমরা তাদের ফর্মুলায় বানানো কোনো জাতীয় সরকার এদেশে মেনে নেবো না। একথা ঠিক যে বাংলাদেশ বর্তমানে অস্থিতিশীল। কিন্তু তার মানে এই নয় যে এখানে অগণতান্ত্রিক কোনো সরকার ব্যবস্থা কায়েম করতে হবে। আর যেসব সমস্যা রয়েছে সেসবের সমাধান তো দেশের জনগণ ব্যালটের মাধ্যমে নিজেই সুরাহা করবে। এখন নির্বাচন কীভাবে সুষ্ঠু ও অবাধ হয় তা নিয়ে চিন্তা করাই বাঞ্ছনীয়। কিন্তু ইউনুস চাচা তা চান না। তিনি ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে জাতীয় সরকারের কতিপয় রূপরেখা দিলেন। বললেন, একজন নাগরিক হিসেবে তিনি দেশের বর্তমান সংকট যে চিন্তা করেছেন তাতে তিনি এই সমাধান বের করেছেন। ভালো কথা। কিন্তু তিনি রাষ্ট্রপতির বিতর্কিত ভাবে প্রধান উপদেষ্টার পদ গ্রহন কে আগাগোড়া ব্যাখ্যা প্রদান না করেই এক কথায় বলে দেন যে আপনি ঠিক কাজটি করেছেন তার কাছে আবার সংকট কী? উনি নিজেই তো সংকটের সাপোর্টার। ইউনুস চাচা সেনা মোতায়েন নিয়ে কোনো কথা বলেন না। ভোটার তালিকা নিয়ে কোনো কথা বলেন না। নির্বাচন কমিশন নিয়ে কোনো কথা বলেন না। উনার যত কথা সব ওই নির্বাচন নিয়ে। উনার ভাষায় নির্বাচন হতে হবে কারন এছাড়া আমাদের সামনে আর কোনো বিকল্প নাই। কিন্তু সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে সমস্যা কোথায় এর সমাধান কী তা নিয়ে তার কোনো মতামত নেই। তিনি সমাধান নিয়ে কোনো কথা উঠলেই তিনি বিএনপি বা আওয়ামী লীগ বা নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি থেকে কোনো সমাধান না দিয়ে তিনি লং জাম্প মারেন জাতীয় সরকারে। কেন যুক্তরাষ্ট্রে কি গণতন্ত্র নেই? ইউরোপে কি গণতন্ত্র নেই? পৃথিবীর বড় বড় গণতান্ত্রিক দেশগুলোতে শুরুর দিকে কি কোনো সমস্যা ছিল না? নাকি সবাই তারা জাতীয় সরকারে লং জাম্প মেরেছিলো। একটা কথা বলতে ভুলে গেছি, বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের প্রবর্তিত জাতীয় সরকারে প্রধানমন্ত্রী (বা রাষ্ট্রপতি) পদের জন্য ইউনুস চাচাই কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের লিস্টে প্রথম নাম হিসেবে রয়েছে। (এটা শুধু আমার না বাংলাদেশের সচেতন নাগরিকদের ও অভিমত)। আমি তার নোবেল বিজয় বা তার কর্মকান্ড নিয়ে কথা বলতে চাই না। শুধু যদি উনি এই রাজনীতি থেকে দূরে থাকেন তাই চাই। তিনি বাংলাদেশে নোবেল বিজয় কে পুঁজি করে দেশের মানুষের ভোটের অধিকার নিয়ে ব্যবসা করবেন তা চাই না। উনি রাজনীতিতে আসলে বাকি সবার ভাত শিকেয় উঠবে তা বলছি না। উনার এই অপকৌশলে পা দিয়ে দেশের মানুষ আবার তাদের দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য লড়াই করুক তা চাই না। এখনতো উনার এইসব অকাজের কথা বললে তিনি আবার তাঁর নোবেল বিজয়ের মেডেলকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করবেন। আমি আসলে জাতীয় সরকারের বিরুদ্ধে সবগুলি পয়েন্ট তুলে ধরতে পারিনি। দুঃখিত। অন্য যেসব সম্মাণিত ব্লগার গণ এই ব্লগে আছেন (যারা দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক উপায়ে সরকার গঠন করার অধিকারকে সমর্থন করেন) তারা যদি এব্যাপারে ভালো করে একটা পোস্ট দেন তাহলে পাঠকগণ বাংলাদেশের বিরুদ্ধে এই ষড়যন্ত্র সম্পর্কে জানতে পারবেন। ধন্যবাদ।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!

প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাওলার দায়িত্ব পেয়ে সেই দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ঠিক না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জীবন চালাতে শহরে থাকা কিন্তু বেঁচে থাকা যেন বাড়িতেই

লিখেছেন Sujon Mahmud, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৯

ঈদের ছুটিটা কেমন যেন চোখের পলকে শেষ হয়ে গেল। মনে হচ্ছিল, এই তো সেদিন বাড়ি গেলাম—মায়ের হাতের রান্না, বাবার গল্প, ছোট মেয়ের হাসি, আর স্ত্রীর সেই নীরব অভিমান… সবকিছু মিলিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

×