somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মোবাইলের ক্ষতিকর বিকিরণ থেকে যেভাবে বাঁচবেন

১২ ই অক্টোবর, ২০১৬ সকাল ১০:৩৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


আজকের দিনে মোবাইল ছাড়া একমুহূর্ত গতি নেই আমাদের। খেতে-বসতে-উঠতে-শুতে, সারাক্ষণই এই যন্ত্রটি আমাদের সঙ্গী। আমাদের সবকাজের সঙ্গেই মোবাইল ফোন জুড়ে গিয়েছে। অফিসের কাজ হোক বা ব্যক্তিগত, সব জায়গাতেই মোবাইল অপরিহার্য। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এটিকে আমাদের ব্যবহার করতেই হয়। তাছাড়া কোনও উপায় নেই। আর সেই সুযোগেই এর থেকে বেরনো ক্ষতিকর বিকিরণে আমাদের শরীর নানা উপায়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
মোবাইল থেকে বেরোয় নানা ক্ষতিকর রশ্মি যার বিকিরণে শরীরে নানা খারাপ প্রভাব পড়ে। সেই মুহূর্তেই আমরা তা বুঝতে না পারলেও এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব রয়েছে। নিচের স্লাইডে দেখে নিন কীভাবে মোবাইল ব্যবহার করেও আপনি এই ক্ষতিকর প্রভাব থেকে কিছুটা হলেও নিজেকে মুক্ত রাখতে পারবেন।
বুক পকেটে মোবাইল রাখবেন না :
অনেকেই বাসে বা ট্রেনে পকেটমার থেকে বাঁচতে মোবাইল বুক পকেটে রাখেন যা কখনই করা উচিত নয়। এর ক্ষতিকর বিকিরণ সরাসরি হার্টের ক্ষতি করে।
চার্জে দিয়ে কথা নয় :
ফোন চার্জে দিয়ে কথা বলবেন না। খুব প্রয়োজন না পড়লে পুরো চার্জ হতে দিন। তারপর ফোন ব্যবহার করুন। আর না হলে চার্জ থেকে খুলে কথা বলুন।
বদ্ধ জায়গায় মোবাইল ব্যবহার নয়:
জনবহুল বদ্ধ জায়গায় কখনই মোবাইল ব্যবহার করবেন না। এতে আপনারও ক্ষতি, তেমনই অন্যেরও ক্ষতি হয়। কারণ টাওয়ার পেতে মোবাইল বেশি করে ক্ষতিকর রশ্মি বিকিরণ করে।
দুর্বল সিগন্যাল এলাকায় মোবাইল ব্যবহার নয়:
দুর্বল সিগন্যাল এলাকায় মোবাইল ব্যবহার করবেন না। এতে মোবাইল আরও বেশি করে ক্ষতিকর রশ্মি বিকিরণ করে।
যখন ফোন করবেন:
যখন ফোনে কথা বলার জন্য ডায়াল করবেন তখন যতক্ষণ না অপরপ্রান্তে ফোন তুলছে ততক্ষণ কানে রেখে দেবেন না। সারাদিনে প্রতিবার এরকম অভ্যাস করলে কিছুটা হলেও বাঁচতে পারবেন।
মোবাইলকে আপনার মাথা থেকে দূরে রাখুন:
যদি বেশিক্ষণ মোবাইলে কথা বলতে হয় তাহলে হেডফোন ব্যবহার করে অথবা স্পিকার অন করে কথা বলুন।
গর্ভবতী অবস্থায় মোবাইল ব্যবহার নয়:
এটা মোটামুটি সকলেই জানেন যে গর্ভবতী অবস্থায় মোবাইল ব্যবহার করলে বাচ্চা ও মা দুজনেরই ক্ষতি হয়।
লো ব্যাটারি ফোন:
অনেকসময়ই স্মার্টফোনগুলি লো ব্যাটারি হয়ে যায়। এমন অবস্থা হলে যত পারবেন কম কথা বলবেন। লো ব্যাটারি ফোন বেশি ক্ষতিকর রশ্মি বিকিরণ করে।
প্রয়োজনে কথা না বলে মেসেজ করুন:

সর্বশেষ এডিট : ১২ ই অক্টোবর, ২০১৬ সকাল ১০:৩৩
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ওরা জিডিপি আর সেমিকন্ডাক্টরে ব্যস্ত , আমরা ব্যস্ত গোরুর জিয়াফত নিয়ে ....।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৩৫


গতকাল মামার ফোন এল দুবাই থেকে, রাতের বেলা। বললেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গরু জবাই করে জিয়াফত খাওয়ার খবর এখান পর্যন্ত পৌঁছে গেছে, ব্যাপার কী? আমি বললাম, মামা, ওরা গরুর মাংস... ...বাকিটুকু পড়ুন

মীর জাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ঐতিহাসিক চুক্তি! যে চুক্তির জন্য বাংলার স্বাধীনতার সূর্য ২০০ বছরের জন্য অস্তমিত হয়েছিল!

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৪২


আমরা পলাশী যুদ্ধের কথা জানি। কিন্তু এই যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি হয়েছিল মীরজাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্ণধার লর্ড ক্লাইভের এর সাথে সেটা সম্পর্কে খুব কমই... ...বাকিটুকু পড়ুন

তাবলিগে গিয়ে যা শিখলাম না

লিখেছেন মুনতাসির, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:৫৯

আমি যখন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ি, তখন আমার কয়েকজন বন্ধু তাবলিগ করত। তাবলিগের প্রতি আমার কখনোই আগ্রহ ছিল না। তবে ওরা নিজেরা রান্না করত, আর আমি রান্না করতে পছন্দ করি। তাই একদিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:১০


যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

“ধর্ম যার যার, উৎসব সবার”- শুনতে চমৎকার, জনপ্রিয়ও বটে। কিন্তু কথাটি কি ধর্মীয় বিশ্বাসের বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি সংগতিপূর্ণ?
আমার কাছে তা নয়। এধরণের বাণী... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌদি আরবে নারীসহ দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ: প্রতিমন্ত্রী, নাকি পাপেট?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৫০


গত বুধবার সৌদি আরবের শরিয়া আদালত একজন নারীসহ দুই বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিকের শিরশ্ছেদ কার্যকর করেছে। এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ যে বিবৃতিটি দিয়েছেন, সেটা পড়ে বোঝা গেল যে, পররাষ্ট্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

×