somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

Thudakkam: শুরুটা যখন ‘Ratsasan’-এর কথা মনে করিয়ে দেয়! শুরুটা দুর্দান্ত, মাঝখানে ফিকে, শেষে আবার বাজিমাত! (মুভি রিভিউ)

২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:০৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



সিনেমার শুরুতেই দেখা যায়, একটা সাইকো লোক একটা কন্সট্রাকশন সাইটে একজন সুপারভাইজারকে হাতুড়িপেটা করে হত্যা করে। লোকটার মধ্যে এমন একটা অস্বাভাবিক হিংস্রতা আছে যে, প্রথম কয়েকটা দৃশ্যেই বুঝে যাওয়া যায়—এই মানুষটাকে নিয়ে সামনে বড় কিছু ঘটতে যাচ্ছে। এরপর গল্প চলে যায় একেবারে অন্যদিকে। ইদুক্কির পাহাড়ি এলাকার চা-বাগানের মাঝখানে দুই ইউনিটের একটা বাড়িতে নতুন ভাড়াটে আসে এক পঙ্গু বাবা রবি আর তার মেয়ে মীনু। বাবা-মেয়ের ছোট্ট সংসার, সঙ্গে পোষা কুকুর মেসি। মীনু নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবছে, চাকরির পরীক্ষা দিচ্ছে। আপাতদৃষ্টিতে খুব সাধারণ একটা জীবন। কিন্তু এই শান্ত পরিবেশের আড়ালেই পরিচালক ধীরে ধীরে একটা অস্বস্তির আবহ তৈরি করতে থাকেন।

একদিন মীনু ব্যাংকের চাকরির পরীক্ষা দিতে এরনাকুলাম যায়। পরীক্ষা শেষ করে সন্ধ্যা পেরিয়ে রাত হয়ে যায়, কিন্তু মেয়েটা বাড়ি ফেরে না। বাবা ফোন করেন। মীনু জানায়, রাস্তায় জ্যামে আটকে আছে। কথার মাঝখানেই বোঝা যায়, কারও সঙ্গে তার ঝগড়া হচ্ছে। তারপর ফোন কেটে যায়। এরপর? আর কোনো খবর নেই। এখান থেকেই সিনেমার প্রথমভাগের আসল মজা শুরু। মেয়েটা কোথায় গেল, কার সঙ্গে ঝগড়া করছিল, তার সঙ্গে কী ঘটেছে—প্রশ্নগুলো মাথায় ঘুরতে থাকে। বাবা যখন মেয়েকে খুঁজতে বের হন, তখন দর্শকও যেন তার সঙ্গে অন্ধকারের মধ্যে হাঁটতে শুরু করে। এই অংশটুকু আমাকে সত্যিই বারবার Ratsasan-এর কথা মনে করিয়েছে। গল্প এক নয়, কিন্তু সেই অজানা আতঙ্ক, অপরাধীর উপস্থিতি আর “এরপর কী হবে?” ধরনের টানটান অনুভূতিটা বেশ কাছাকাছি।

আমার কাছে Thudakkam-এর প্রথমার্ধই সিনেমাটার সবচেয়ে শক্তিশালী জায়গা। খুব বেশি কিছু না বলেও পরিচালক একটা ভয় এবং কৌতূহল তৈরি করতে পেরেছেন। মীনু ও তার বাবার সম্পর্কটাও প্রথমদিকে সুন্দরভাবে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে, ফলে মেয়েটা নিখোঁজ হওয়ার পর ঘটনাটা শুধু একটা thriller-এর ঘটনা থাকে না, তার সঙ্গে একটা আবেগও যুক্ত হয়। সাই কুমার বাবার চরিত্রে ভালো করেছেন, আর ভিস্ময়া মোহনলালকে দেখে অন্তত প্রথম সিনেমার সেই অস্বস্তি খুব একটা মনে হয়নি। বিশেষ করে অ্যাকশন দৃশ্যগুলোতে মেয়েটা যথেষ্ট স্বচ্ছন্দ। তার Muay Thai প্রশিক্ষণকে পরিচালক বেশ ভালোভাবেই ব্যবহার করেছেন। অন্যদিকে Aashish Joe Antony-কে আমার কাছে আরও বেশি ভয়ংকর লেগেছে—চোখ, নীরবতা আর শরীরী ভাষা দিয়ে একটা অস্বস্তিকর চরিত্র দাঁড় করিয়েছে ছেলেটা।

তবে সিনেমার দ্বিতীয়ার্ধে এসে সেই প্রথমভাগের উত্তেজনাটা ধীরে ধীরে কমতে থাকে। প্রথমদিকে যেখানে বারবার মনে হচ্ছিল, “তারপর কী হবে?”, পরে গিয়ে অনেক ঘটনাই অনুমান করা সম্ভব হয়ে যায়। গল্প তখন survival thriller আর action-এর দিকে বেশি চলে যায়। অ্যাকশন খারাপ নয়, বরং বেশ ভালো; কিন্তু প্রথমার্ধে যে স্নায়ুর ওপর পরিচালক এত সুন্দর করে চাপ তৈরি করেছিলেন, দ্বিতীয়ার্ধের একটা বড় অংশে সেই চাপটা আর ধরে রাখতে পারেননি। এখানেই সিনেমাটা কিছুটা ফিকে লাগে। সমালোচকদের মধ্যেও এই জায়গাটা নিয়ে প্রায় একই ধরনের পর্যবেক্ষণ পাওয়া গেছে—প্রথমভাগের গতি ও টেনশন প্রশংসিত হলেও দ্বিতীয়ভাগকে তুলনামূলকভাবে predictable বা uneven বলা হয়েছে।

তারপরও শেষের প্রায় পনেরো মিনিটের জন্য সিনেমাটাকে মনে থাকবে। কারণ শেষদিকে গল্পের আবহ এবং গতিপথে যে পরিবর্তন আসে, সেটা আবার দর্শককে নতুন করে বসিয়ে দেয়। মোহনলালের উপস্থিতিও তখন গল্পে একটা আলাদা মাত্রা যোগ করে—যদিও এই cameo নিয়ে সমালোচকদের মত এক নয়। কেউ এটাকে আবেগের payoff হিসেবে দেখেছেন, আবার কারও কাছে মনে হয়েছে এটি গল্পের স্বাভাবিক গতিকে কিছুটা বদলে দিয়েছে। সব মিলিয়ে Thudakkam কোনো masterpiece নয়, গল্পেও খুব নতুন কিছু নেই। কিন্তু প্রথমার্ধের টানটান উত্তেজনা, Aashish-এর ভয়ংকর উপস্থিতি, Vismaya-র action এবং শেষের দারুণ পরিবর্তন—সব মিলিয়ে সিনেমাটা দেখার পর একেবারে ভুলে যাওয়া কঠিন। অনেকদিন পর এমন একটা সিনেমা দেখলাম, যেটা শেষ হওয়ার পরও কয়েকটা দৃশ্য মাথার মধ্যে ঘুরছিল। এতটুকু বলতে পারি—সিনেমাটি দেখার পর অনেকদিন মনে রাখতে বাধ্য হবেন। শুভরাত্রি।

{img|https://encrypted-tbn0.gstatic.com/images?q=tbn:ANd9GcRq-wpQRgS6dvFhE2VB049ynKb8puBtc4at2NlNlQWC0_OagZm6H-nZ-qQ&s=10}

সিনেমার শুরুতেই দেখা যায়, একটা সাইকো লোক একটা কন্সট্রাকশন সাইটে একজন সুপারভাইজারকে হাতুড়িপেটা করে হত্যা করে। লোকটার মধ্যে এমন একটা অস্বাভাবিক হিংস্রতা আছে যে, প্রথম কয়েকটা দৃশ্যেই বুঝে যাওয়া যায়—এই মানুষটাকে নিয়ে সামনে বড় কিছু ঘটতে যাচ্ছে। এরপর গল্প চলে যায় একেবারে অন্যদিকে। ইদুক্কির পাহাড়ি এলাকার চা-বাগানের মাঝখানে দুই ইউনিটের একটা বাড়িতে নতুন ভাড়াটে আসে এক পঙ্গু বাবা রবি আর তার মেয়ে মীনু। বাবা-মেয়ের ছোট্ট সংসার, সঙ্গে পোষা কুকুর মেসি। মীনু নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবছে, চাকরির পরীক্ষা দিচ্ছে। আপাতদৃষ্টিতে খুব সাধারণ একটা জীবন। কিন্তু এই শান্ত পরিবেশের আড়ালেই পরিচালক ধীরে ধীরে একটা অস্বস্তির আবহ তৈরি করতে থাকেন।

একদিন মীনু ব্যাংকের চাকরির পরীক্ষা দিতে এরনাকুলাম যায়। পরীক্ষা শেষ করে সন্ধ্যা পেরিয়ে রাত হয়ে যায়, কিন্তু মেয়েটা বাড়ি ফেরে না। বাবা ফোন করেন। মীনু জানায়, রাস্তায় জ্যামে আটকে আছে। কথার মাঝখানেই বোঝা যায়, কারও সঙ্গে তার ঝগড়া হচ্ছে। তারপর ফোন কেটে যায়। এরপর? আর কোনো খবর নেই। এখান থেকেই সিনেমার প্রথমভাগের আসল মজা শুরু। মেয়েটা কোথায় গেল, কার সঙ্গে ঝগড়া করছিল, তার সঙ্গে কী ঘটেছে—প্রশ্নগুলো মাথায় ঘুরতে থাকে। বাবা যখন মেয়েকে খুঁজতে বের হন, তখন দর্শকও যেন তার সঙ্গে অন্ধকারের মধ্যে হাঁটতে শুরু করে। এই অংশটুকু আমাকে সত্যিই বারবার Ratsasan-এর কথা মনে করিয়েছে। গল্প এক নয়, কিন্তু সেই অজানা আতঙ্ক, অপরাধীর উপস্থিতি আর “এরপর কী হবে?” ধরনের টানটান অনুভূতিটা বেশ কাছাকাছি।

আমার কাছে Thudakkam-এর প্রথমার্ধই সিনেমাটার সবচেয়ে শক্তিশালী জায়গা। খুব বেশি কিছু না বলেও পরিচালক একটা ভয় এবং কৌতূহল তৈরি করতে পেরেছেন। মীনু ও তার বাবার সম্পর্কটাও প্রথমদিকে সুন্দরভাবে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে, ফলে মেয়েটা নিখোঁজ হওয়ার পর ঘটনাটা শুধু একটা thriller-এর ঘটনা থাকে না, তার সঙ্গে একটা আবেগও যুক্ত হয়। সাই কুমার বাবার চরিত্রে ভালো করেছেন, আর ভিস্ময়া মোহনলালকে দেখে অন্তত প্রথম সিনেমার সেই অস্বস্তি খুব একটা মনে হয়নি। বিশেষ করে অ্যাকশন দৃশ্যগুলোতে মেয়েটা যথেষ্ট স্বচ্ছন্দ। তার Muay Thai প্রশিক্ষণকে পরিচালক বেশ ভালোভাবেই ব্যবহার করেছেন। অন্যদিকে Aashish Joe Antony-কে আমার কাছে আরও বেশি ভয়ংকর লেগেছে—চোখ, নীরবতা আর শরীরী ভাষা দিয়ে একটা অস্বস্তিকর চরিত্র দাঁড় করিয়েছে ছেলেটা।

তবে সিনেমার দ্বিতীয়ার্ধে এসে সেই প্রথমভাগের উত্তেজনাটা ধীরে ধীরে কমতে থাকে। প্রথমদিকে যেখানে বারবার মনে হচ্ছিল, “তারপর কী হবে?”, পরে গিয়ে অনেক ঘটনাই অনুমান করা সম্ভব হয়ে যায়। গল্প তখন survival thriller আর action-এর দিকে বেশি চলে যায়। অ্যাকশন খারাপ নয়, বরং বেশ ভালো; কিন্তু প্রথমার্ধে যে স্নায়ুর ওপর পরিচালক এত সুন্দর করে চাপ তৈরি করেছিলেন, দ্বিতীয়ার্ধের একটা বড় অংশে সেই চাপটা আর ধরে রাখতে পারেননি। এখানেই সিনেমাটা কিছুটা ফিকে লাগে। সমালোচকদের মধ্যেও এই জায়গাটা নিয়ে প্রায় একই ধরনের পর্যবেক্ষণ পাওয়া গেছে—প্রথমভাগের গতি ও টেনশন প্রশংসিত হলেও দ্বিতীয়ভাগকে তুলনামূলকভাবে predictable বা uneven বলা হয়েছে।

তারপরও শেষের প্রায় পনেরো মিনিটের জন্য সিনেমাটাকে মনে থাকবে। কারণ শেষদিকে গল্পের আবহ এবং গতিপথে যে পরিবর্তন আসে, সেটা আবার দর্শককে নতুন করে বসিয়ে দেয়। মোহনলালের উপস্থিতিও তখন গল্পে একটা আলাদা মাত্রা যোগ করে—যদিও এই cameo নিয়ে সমালোচকদের মত এক নয়। কেউ এটাকে আবেগের payoff হিসেবে দেখেছেন, আবার কারও কাছে মনে হয়েছে এটি গল্পের স্বাভাবিক গতিকে কিছুটা বদলে দিয়েছে। সব মিলিয়ে Thudakkam কোনো masterpiece নয়, গল্পেও খুব নতুন কিছু নেই। কিন্তু প্রথমার্ধের টানটান উত্তেজনা, Aashish-এর ভয়ংকর উপস্থিতি, Vismaya-র action এবং শেষের দারুণ পরিবর্তন—সব মিলিয়ে সিনেমাটা দেখার পর একেবারে ভুলে যাওয়া কঠিন। অনেকদিন পর এমন একটা সিনেমা দেখলাম, যেটা শেষ হওয়ার পরও কয়েকটা দৃশ্য মাথার মধ্যে ঘুরছিল। এতটুকু বলতে পারি—সিনেমাটি দেখার পর অনেকদিন মনে রাখতে বাধ্য হবেন। শুভরাত্রি।

সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:০৪
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সাবধানের মার্ নেই

লিখেছেন ঢাকার লোক, ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৩১


নিউ ইয়র্ক থেকে ফিরার পথে নিউ আর্ক্ লিবার্টি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে যখন এরোপ্লেনে উঠে নির্দিষ্ট সীটের কাছে পৌঁছলাম দেখলাম এক প্রৌঢ় ভদ্রলোক জানালার পাশের সিটটাতে অলরেডি বসে আছেন। আইল ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

হারানো বিজ্ঞপ্তি

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৩১



অত্যন্ত দুঃখ ও ভারাক্রান্ত হৃদয়ে জানানো যাচ্ছে যে, গত প্রায় দুই বছর যাবৎ বিবেক, বুদ্ধি, জ্ঞান, বিচার ও বিবেচনা - এই পাঁচজনকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। একসময় তাঁরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মার্কিন মাটিতে ‘আত্মঘাতী ভুল’- নাকি বদলে যাচ্ছে হিসাব?

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:২৫


মার্কিন মাটিতে ‘আত্মঘাতী ভুল’- নাকি বদলে যাচ্ছে হিসাব?

শেখ হাসিনা কি ফিরবেন?
আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে কখনো কখনো একটি বৈঠকের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে- কোন বৈঠকটি হলো, কোনটি হলো না এবং কোন... ...বাকিটুকু পড়ুন

সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলিম হিসেবে গর্ব করার কিছু নেই......

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আমরা যারা আপাত দৃষ্টিতে হায়েনা নই কিন্তু নিরবে স্বচক্ষে হিন্দুদের সর্বনাশ দেখে যাচ্ছি তারা সবচেয়ে বেশি দায়ী। অথচ বাংলার হিন্দু, বাংলার খ্রীষ্টান, বাংলার বৌদ্ধ, বাংলার মুসলমান, আমরা সবাই বাঙ্গালী-এই বৈষম্যহীনতা... ...বাকিটুকু পড়ুন

অল্প একটু পাশে থেকো

লিখেছেন রানার ব্লগ, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:১০



আমাকে খুব বেশি কিছু দিতে হবে না,
এক মুঠো আকাশও নয়,
আচেনা কোনো বিকেলও নয়।

শুধু কখনো কখনো
আমার নির্জন ঘরের দরজায়
টোকা দিয়ে দাঁড়িয়ো, যেন বুঝতে পারি
ফুরিয়ে যাবার বেলা এখনো আসেনি ।

আমাকে প্রতিদিন মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×