somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

করোনাকালের নস্টালজি

০৭ ই মে, ২০২০ বিকাল ৪:৫৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বিজন আমার একটুকু বাসা
নিস্তব্ধ আমার একটুকু উঠোন
রিক্ত আমার বৃক্ষরাজি
শূন্য আমার ছাদ বাগান।।

করব করব করে এই ফাগুনে ছাদ বাগানটাও আর করা হলো না।
সূর্যমুখী কয়েকটা ঝড়ের তোড়ে পড়ে গেছে
কয়েকটা তাহিদ মোল্লার অতি আদরে শেষ হাসিটা হাসছে
সৃর্যমুখীর দানাগুলো আপন হাতে তোলার খুব সাধ ছিল
প্রকৃতি দিল না সে সুযোগ এবার;
আসলে কি সূর্যমুখী বছর বছর আমাকে অতৃপ্তি দিবেই
যত্ন বেশি করি তাই বুঝি হয় এমনটা।

হলুদ গাঁদাটা ফুটল, সাদা গন্ধরাজটা ফুটল
ফুটল অপরাজিতা, পূর্তলিকা, অর্কিড বা হাসনাহেনা
ঝরে পড়েছেও কোন কোনটা
নতুন লাগানো আম গাছটাতেও আম এলো
আরিফ রাঢ়ীর পাঠানো ছবিতে যা দেখেছি
ছুয়ে দেখা হয়নি একটাও।
আসলে কি তাহিদ মোল্লারা বা আরিফ রাঢ়ীরা বা বাপ্পী মোল্লারা
আছে বলেই গাছেরা পায় পানি, পায় রসনা
আর তাই এর মাঝেও হাসে আমার সবুজ ছোট্ট বাগান।

নীরব মল্লিকটাকে দেখি না অনেক দিন
দুষ্টু পালের ডাকে যে কোথায় হারালো?
গাছের ছায়ায়, পাখির মায়ায় বেড়ে ওঠা প্রকৃতির এই বরপুত্র
গাছের ভাষা বুঝে, বুঝে ডাহুক পাখির কথা
মাঝে মাঝে মনে হয় নীরবটার মতো হই
হওয়ার আর জোঁ কোথায়?
আসলে কি বাস্তবতার কষাঘাতে নিস্পেষিত শহুরে জীবনে
জোছনা দেখতে বনে যাবার সুযোগ কোথায়?

তাহিদ মোল্লা; টগবগে ক্লান্তিহীন এক যুবক
ভালোর জন্যে আলোর পথে সদা ইতিবাচক এই তরুণ
অসম্ভব সাংগঠনিক শক্তি নিয়ে অদম্য পথ চলায়
হাসিটুকু কখনো বিরতি নিতে দেখিনি
বট গাছ যেমন ছায়া দেয় পথিককে
নেতা যেমন আগলে রাখে কর্মীকে
তেমনি এক সুন্দর আত্মার ধারক এই তাহিদটা
আসলে কি তাহিদরা আছে বলেই মুর্খ সমাজটা এখনো টিকে আছে
তাহিদরা আছে বলেই "অকূলের কুলেরা" পায় কুল
তাহিদরা আছে বলেই "অগতিরা" পায় "গতি"।

বিজন আমার আপন ভুবন
নিস্তব্ধ আমার গানের কথা
রিক্ত আমার হৃদ মাঝার
শূন্য আমার যথা-তথা।।

5 May 2020
Rankin Street, Wari, Dhaka

সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই মে, ২০২০ বিকাল ৪:৫৪
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিশ্ব পাঠ

লিখেছেন আবু সিদ, ২৮ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

I. পড়ার সাধারণ অর্থ
সাধারণভাবে, পড়া বা Reading হলো লিখিত বর্ণ বা চিহ্ন দেখে তার অর্থ উদ্ধার করার উপায়। পড়া কেবল শব্দ উচ্চারণ নয়, বরং লেখার বিষয়বস্তুর সাথে নিজের চিন্তার যোগ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাতাস ভাড়ি হবে লাশের গন্ধে

লিখেছেন ফেনা, ২৮ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ১১:২১


ছবিঃ গুগল

আলোচনাটা আপাদত একটা ফাইলে করে টেবিলে তুলা থাক। এসো আগে আমরা একটু ধ্বংস ধ্বংস খেলি।
শত বছর হতে চলল পাইনা বাতাসে তেমন লাশের গন্ধ। জাহানের বাতাসটা ভরে উঠুকনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

এঁনারা কিসের আশায় দালালি করে যাচ্ছেন?

লিখেছেন বিচার মানি তালগাছ আমার, ২৮ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:০৫



১. ১৫ আগস্ট টাইপ কিছু বা ৭ নভেম্বর টাইপ কিছু না ঘটলে আওয়ামী লীগ সহসা আর ক্ষমতায় আসতে পারবে না। জুলাই-এর মত কিছুও বার বার হয় না। তাই ধরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বমিনং করোনং ইচ্ছং

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ২৮ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:১১


গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান
ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী
১৫০।(১) এই সংবিধানের অন্য কোন বিধান সত্ত্বেও ১৯৭২ সালের ১৬ই ডিসেম্বর তারিখে এই সংবিধান প্রবর্তনকালে সংবিধানের চতুর্থ তফসিলে বর্ণিত বিধানাবলী ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ স্বাধীনতা

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৮ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:১২


বাবা পাখিটি গাইছে গান
আমড়া গাছের ডালে।
ছানাগুলো নিশ্চিন্তে
মায়ের বুকের তলে।

রীনা বসে বীনা বাজায়
মীনা গায় গান।
দীনা বলে পুষবো পাখি
একটা ধরে আন।

মা শুনে কয় বনের পাখি
বনেতেই মানায়।
বন্দী পাখি হয় যে দুঃখী
উচিত কাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×