নিতু এবং তার মায়ের কথোপকথন
মাঃ দেখ মা অভাব যখন আসে তখন ভালবাসা জানালা দিয়ে পালায়।
নিতুঃ না মা তা হবেনা ।
মাঃ মা জানালা বন্ধ রাখার জন্যও কিন্তু এসি কেনার দরকার পড়ে।
নিতু কিছুক্ষন চুপ থেকে,
মা রকিবের পরিবার তো এতো বেশি গরিবও না। তাদের এসি নেই তা ঠিক কিন্তু, ওরা তো আর বস্তিতে থাকেনা। বেশ ভালো ভাবেই ওদের সংসার চলে। তাছাড়া রকিব ঢাকা ভার্সিটিতে বেশ ভালো সাবজেক্টে পড়ছে। ভবিষ্যতে ভালো চাকরি অবশ্যই পাবে।
মাঃ মা ওটা তো অনিশ্চিত। মা আমাকে ভুল বুঝিশ না । তুই একদিন মা হলে বুঝবি আমি তোর ভালো ছাড়া খারাপ চাচ্ছিনা।
নিতুঃ আমার তাহলে মা হবার কো ইচ্ছাই নেই।
নিতু তার মার সাথে এভাবেই স্ট্রাগল করতে থাকে।
৫ বছর পরের কথা............
রকিব তার বাসার ছাদে বসে আকাশের চাঁদ দেখছে। চাঁদটা অনেক বেশি রোমান্টিক ভাবে নিজেকে উজাড় করে দিচ্ছে।
কিন্তু রকিবের ভালো লাগছে না। তার পাশে তার নিতু নেই।
নিতু পারেনি তার মা-বাবা, আত্মীয় স্বজন এর সাথে বেশিদিন যুদ্ধ করতে। একসময় তাকে রাজি হতে হয়েছে বড়লোক এক পাত্রের কাছে নিজেকে সমর্পণ করতে। ৪ বছর হতে চলল নিতুর বিয়ে হয়ে গেছে , এখন সে লন্ডনে থাকে।
মজার বিষয় হচ্ছে রকিব কিন্তু অনিশ্চিত কে নিশ্চিত করতে পেরেছে, তার গাড়ি, বাড়ি, বাড়িতে এসি সবই আছে কিন্তু শুধু নিতু নেই।তার পক্ষে লন্ডনে গিয়ে থাকাও অসম্ভব না।
রকিব চাঁদের দিকে তাকিয়ে ভাবে সেতো এখন স্টাব্লিশড, সেও এখন পারে কোন সুন্দর দেখে একটা মেয়ে দেখে বিয়ে করতে কিন্তু পরক্ষনই ভাবে বিয়ের কণেতো বাজারের পন্য নয় যে টাকা হলেই কিনে নেওয়া যাবে। তাকে ভালোবাসা দিয়ে অর্জন করতে হয়। যা এখন আর রকিবের পক্ষে সম্ভবনা।
বিঃদ্রঃ রকিবের বাবা মা রকিবকে বিয়ে দেবার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। হয়তো রকিবও পারবেনা তাদের সাথে। বাবা মার সাথে যুদ্ধ করে পারা যায়না। তাদের পাওয়ার অনেক বেশি।
কিন্তু রকিব বা নিতুরা কি পারে তাদের দেখা স্বপ্ন গুলো ভুলে গিয়ে নতুন জীবনে নতুন করে স্বপ্ন দেখতে????

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



