আজ বৃষ্টির মহাৎসব,
কালে কালে ধনিছে অবিশ্রান্ত কলরোল,।
পুজ্ঞ পুজ্ঞ ঘনোকালো মেঘ,
জুড়ে রয়েছে আকাশ,
আর বইছে হিম হিম বাতাস।
মেঘাবৃত ঐ আকাশের রং
জলসিক্ত মহিষের গায়ের রং এর মত।
যেমন বিষন্ন তেমনি ভিষন।
আকাশে নবীন মেঘের ঘনঘটা,
মেঘের গুরুগর্জন,
বিচ্ছুরিতো শিহরন।
অবিশ্রান্ত বারিপাতের সচকিত বিদারন,
আর বর্ষন বজয়ের ভাষন।
শুরু হলো অবিশ্রান্ত ধারা বর্ষন,
নাহি বিরাম নাহি লেশ।
নাহি থামবার কনো আবকাশ,
বর্ষন, বর্ষন, আর বর্ষন।
মেঘে মেঘে বেলা হলো,
কেউ দেখতেই পারল না
ঘন কালো মেঘের আড়ালে কখন সূর্য অস্ত গেল।
পশ্চিম আকাশে সূর্যাস্তের বর্নবাহার,
আর কারো চোখে পড়লো না।
যেন, কোন অবসারে পৃথিবী বিষাদ বিধুর।
আজ পৃথিবী নিঃশব্দ,
জনমানব নিস্তব্ধ।
নেই কনো কলরব,
সকলি নিরব।
নাহি কেউ বাহিরে,
পথ ডাকে আমারে।
আমার ঘন গ্রামান্তরের নির্যন পথের ধারে,
আম কাঁঠালের বন।
আর দুধারে সুপারি গাছের সারি।
আম কাঁঠালের সেই বনে
বহুকালের প্রাচীন অন্ধকার,
যেন পঙীভুত।
সুপারি গাছের পাতায় বোবা প্রকিতি।
চোখের জল যেন এক বিচিত্র কলতান,
ঝরঝরে ঝরছে, আর ঝরছে।
।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।
সংক্ষিপ্ত পরের অংশ পরে দেব যদি আপ্নাদের ভালো লাগে।
হিমেল হাসান।।।।।।।
কাগজের খেয়া।।।।।।।।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





