তোমার আমার অস্তিতের টানে।
বিলিন যে হয় দূষিত বায়ু , ধুলোয় ঢাকা শহর।
মিলিয়ে যায় শত রক্তচক্ষু , পালিয়ে যায় ভীতু।
হারিয়ে যায় সলিল সমাধি, রচিত হয় নব পল্লব।
তোমায় আমায় মিলবো বলে,
রাতের তারার কুন্ঠির রাগ, আলোর বেলায় দৃষ্টতা।
তোমায় আমার মিলবো বলে,
চাদের গায়ে ফোস্কা পড়ে, সূর্যে আলোর তিব্রতা।
তোমায় আমায় মিলন বেলা --
আনান্দ নয় বিরহ খেলা।
সুখে শুধু তুমি আমি, সবার মুখে বিরাগতা ।
তোমার আমার বাধন মানে,
সমাজ তাকে ঘৃন্য জানে।
জন্মিলাম যে দরের তরে,
সেও বোঝেনা মনের ব্যাথা।
মিলবে কিবা তুমি আমি ?
চাদ যেখানে দেয়না আলো ?
কিংবা তারার কুন্ঠিততাই ?
তোমায় আমায় মিলে--
হাত যেখানে হাতের উপর--
সবাই যখন পর, মিলব দুজন চোখের জলে।।
চাইলোনা কেউ মোদের মিলন--
সমাজ, কিংবা গির্ভধারীনি--
পিতৃ কিংবা সমাজচালিনী।
মোদের মিলন তবুও হবে।
মরন মোদের মুক্তি দেবে।
চোখের জলে ভিজল সে চোখ--
আমার ও ভিজলো আখি।
আজ যাবো চলে মোরা পরপারে--
পৃথিবী মোদের মিলন যজ্ঞে--
সাক্ষী হয়ে রবে।।
মোদের জীবননাসে- ব্যার্থতা নয়,-সার্থকতা পাবে।
আমার বুকে সিক্ত তুমি, লুটিয়ে এলে মোহে।
আমার সকল জালার ইতি,টানলো তোমার বুকে।
তোমার বাহুডোরে--
যাবার বেলা মিলন হবে--
লিলায়া হবে তবে।
মোর হস্ত তোমার পৃষ্ঠদেশে, আপন দিকে জাপ্টে ধরে।
চোখ মিলেছে চোখে চোখে।
বুক মলেছে বুকে, হস্ত সেথা চিহ্ন আকে,
মলিন বুকে মলিন চোখে ।
রক্ত সেথায় টকবগিয়ে, আদিম খেলায় মেতে ওঠে।
পড়ল সেথায় আগুন ভাষা।
এইতো মোদের মিলন নেশা।
হাতের ফাকে হাত পজেছে।
পায়ের ফাকে পা, মোদের মিলনমেলার অন্তদেশে--তৃপ্ত হলো গা ।
কোথায় যাবে নিয়ে ।
তুমি বললে হেসে,
আজ বিরহে নেই বিরহ।
হাতে রেখে চলো দুজন।
মরনে নেই তৃপি মোদের।
আবার মোদের মিলন হিবে --
শিক্ত হবে গা।
দাও মোরে সেই আত্তহুতি ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





