ছোটো বেলায় ভয় পেতাম ভুতের গল্প শুনে। ভয় পেতাম দাদুর মুখে নানান রকম রাক্ষস, রাক্ষসীর, গল্প শুনে। রাতের বেলা বাইরে বেরোতে গেলে গা ছমছম করতো এই বুঝি জান যায়। বয়সের সাথে সাথে সেই ভয় কাটিয়ে উঠেছি। ঘরের বাইরে বের হতে শিখেছি। আস্তে আস্তে বুঝতে শুখেছি। কিন্তু এখন সেই ভয় যেনো আবার ফিরে আসছে। পথে বের হতে ভয় পাই। স্বাধীনভাবে কথা বলতে ভয় পাই। ভয় পাই নীজের জীবন নিয়ে। এ কোন দেশে বাস করছি যেখানে দিনের বেলাই বের হতে ভয় হয় ? এ কোন রাক্ষসী যারা দিনে দুপুরে মানুষের প্রান কেড়ে নিচ্ছে? এটাই কি তাহলে স্বাধীনতা? সেখানে মানুষের কনো স্বাধীন চেতনা থাকবে না? বাহ ! ভাবিতেই অবাক লাগে এই সেই সোনার বাংলা যার জন্য লক্ষ মা বোন তার ইজ্জত হারিয়েছে, লক্ষ মা তার সন্তান, লক্ষ ভাই তার সহধর, লক্ষ বোন শিথির শিদুর। দেশটা কি মগের মুল্যক হলো? একদল মানুষ এসে বলছে জ্বালাও পোড়াও, আর একদল, এসে বলছে রুখে দাড়াও। আর আমরা তাই করছি। হয় জ্বালাচ্ছি নাহলে রুখে দাড়াচ্ছি। যাই করছি লাভ কিন্তু তাদের দুয়ের এক ভোগ করছে। তাহলে আমরা কি? একবার ভাবুন তো? দেখুন সহজভাবে ভাবলে দেখা যায় আসল ছাগল আমরা। যারা নাচতে অভ্যাস্ত। যেই জিতুক যেই হারুক, যেই লাভ ভোগ করুক আর যেই লোকসান ভোগ করুক তাতে আমাদের কি? আমাদের কাজ তো নাচা তাই না? আমরা নেচেই যাবো। এভাবে নাচতে নাচতে একদিন দেখবেন নিজের নাচার যায়গাটুকুও নেই। একদল এসে বলবে শালা বস। বসে পড়তে হবে, আর একদল এসে বলবে শালা দাড়া, আমরা তাই করবো। এভাবে আর কতদিন ? কতদিন ভয় বুকে নিয়ে বাচব? জন্ম থেকেই তো কিছু না কিছুর ভয় পেয়ে যাচ্ছি। আমরা আর এসব চাই না। আমরা শান্তি চাই। দেশের সার্বিক পরিস্থিতির উন্নতি চাই। একদল ধর্ম নিয়ে স্বার্থ সিদ্ধি করছে, অন্য দল তাদের ভারসাম্যহীনতা কাটাতে চাইছে। কিন্তু আমরা এসবের কিছুই চাই না । আমার ধর্ম আমি নিজেই পালন করতে জানি তার জন্য যে জিহাদ করতে হবে তাতে মানবতা ক্ষুন্নি হবে না। কারো প্রান নিয়ে না বরং ক্ষমাকরেই ধর্ম প্রতিসঠা হবে। দেশটা কারো বাপ দাদার সম্পত্তি না যে যার মতো চলবেন। আমাদের বাচতে দিন। আপনারা এমন একটি সমাজব্যাবস্থা তৈরি করুন যেখানে মানুষকে মানুষ ভালোবাসবে।
Warning..!! পথে বের হলেই প্রাণহানির সম্ভাবনা।
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
Tweet
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর
আলোচিত ব্লগ
”আমার রাজনীতির রূপরেখা” -- জিয়াউর রহমান

শহীদুল ইসলাম প্রামানিক
আমি তখন দৈনিক দেশ পত্রিকায় চাকরি করি। এটা আমার দ্বিতীয় চাকরি। প্রথম চাকরি নিয়েছিলাম ব্রিটিশ আমলের প্রকাশিত দৈনিক আজাদ পত্রিকায়। আজাদ পত্রিকাটি ব্রিটিশ আমলে মুসলমানের পক্ষের একমাত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন
ওরা জিডিপি আর সেমিকন্ডাক্টরে ব্যস্ত , আমরা ব্যস্ত গোরুর জিয়াফত নিয়ে ....।

গতকাল মামার ফোন এল দুবাই থেকে, রাতের বেলা। বললেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গরু জবাই করে জিয়াফত খাওয়ার খবর এখান পর্যন্ত পৌঁছে গেছে, ব্যাপার কী? আমি বললাম, মামা, ওরা গরুর মাংস... ...বাকিটুকু পড়ুন
মীর জাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ঐতিহাসিক চুক্তি! যে চুক্তির জন্য বাংলার স্বাধীনতার সূর্য ২০০ বছরের জন্য অস্তমিত হয়েছিল!

আমরা পলাশী যুদ্ধের কথা জানি। কিন্তু এই যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি হয়েছিল মীরজাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্ণধার লর্ড ক্লাইভের এর সাথে সেটা সম্পর্কে খুব কমই... ...বাকিটুকু পড়ুন
যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....
“ধর্ম যার যার, উৎসব সবার”- শুনতে চমৎকার, জনপ্রিয়ও বটে। কিন্তু কথাটি কি ধর্মীয় বিশ্বাসের বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি সংগতিপূর্ণ?
আমার কাছে তা নয়। এধরণের বাণী... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

