নিষিদ্ধ জিনিসের প্রতি আমাদের দূর্বার আকর্ষণ সবসময়ই একটু বেশি থাকে।যে জিনিসটা আমাদের করতে মানা করা হয় আমরা ঐটাই বেশি করে করি।আর ঐ নিষিদ্ধ জিনিসটা যদি হয় নারী তাহলে তো কথাই নেই।ছেলে-বুড়ো সবাই ঐ নিষিদ্ধ জিনিসটার দূর্বার আকর্ষণে আকর্ষিত হতে বাধ্য।আমিও তো মানুষ।তার উপর এখনও বিয়ে করিনি।তাই আর দশটা ছেলের মত আমারও ঐ নিষিদ্ধ জিনিসটার প্রতি আকর্ষণ থাকা স্বাভাবিক।কিন্তু আমি যদি বলি না আমার আকর্ষণ নেই তাহলে এটা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা যে আমার মধ্যে সমস্যা আছে।কারণ একটা অপ্রকিতস্থ ব্যক্তির ক্ষেত্রেই এটা প্রযোজ্য যে তার মধ্যে কোন আদিম আকর্ষণ থাকবেনা।যাই হোক আসল কথায় আসি...।আমি নিজের কোন কামনা চরিতার্থ করার উদ্দেশ্য নিয়ে যায়গাটিতে গমন করিনি।আমার অনেক দিনের ইচ্ছা ছিল নিষিদ্ধ পল্লীর আধুনিক ভার্সন মানে ঢাকা শহরে ব্যাঙের ছাতার মত গজিয়ে উঠা হোটেল গুলার ভিতরে যে বিনোদন স্পট গুলা আছে ঐগুলা প্রদর্শন করা আর ঐ হোটেল গুলায় যে মায়াবী পরীরা অতিথিদের জন্য অপেক্ষমান থাকে তাদের দর্শন লাভ করে তাদের সাথে কথা বলা।কেন তারা এই পথে এলো এটা জানা।যদিও এটা করতে হলে তাদের খুশি করতে হবে এটাও জানা ছিল আমার।আর তাদের খুশি করতে গেলে পকেট থেকে কিছু বের করতে হবে এটা ভালই জানা।ভুল বুঝার কিছুই নেই পকেট থেকে টাকা বের করার কথা বললাম আমি।যাই হোক অনেকদিন থেকেই ইচ্ছা ছিল বিধায় বুকে পাহারসম সাহস যোগার করে সময় করে ১দিন চলে গেলাম ঢাকার নামকরা ১ টা অভিজাত এলাকায়।জায়গাটার নাম বলতে চাই না।যাই হোক অনেক কিছুর পরে ১ টা ছোট রুমে ঢুকলাম।যদিও বাইরে রোদে পুড়ে যাওয়ার মত অবস্থা কিন্তু ভিতরের অবস্থা পুরাই উল্টা।দেখে মনে হচ্ছিলো গভীর রাত নেমেছে।মায়াবী আলয় চোখে রঙ্গিন দেখছি। চোখের মায়া কাটিয়ে সামনে তাকিয়ে দেখি সামনে ১ টা খাটের উপর হাসি মাখা মুখে ১ জন রমণী বসে আছে।আমার দিকে হাসি মাখা মুখেই তাকিয়ে সে আমাকে প্রস্ন করলো আপনি কতক্ষণের জন্য আসছেন?? আমি বললাম বেশিক্ষণ না,মাত্র ৩০ মিনিট।। সে বলল ঠিক আছে,এখন কি খুলবো ??......যদিও জানতাম সে কি খোলার কথা বলছে কিন্তু তার পরেও আমি একটু অবাক হওয়ার ভান করে জিজ্ঞেস করলাম কি খুলবেন? সে বলল এইখানে আসছেন আর ভাব মারেন যে কি খুলব বুঝেন না ?...আমি বললাম আমি আসলে ঐসব কিছু করতে আসি নাই। সে অবাক হয়ে বলল তাইলে আসছেন কেন ?? আমি বললাম আমার খুব ইচ্ছা ছিল তোমরা যারা এইসব কাজ কর তাদের সাথে একটু কথা বলা আর তাদের জীবন সম্পর্কে জানা। সে আমকে প্রস্ন করলো এইটা কইরা আপনের লাভ কি ? আমি বললাম আমার কোনই লাভ নাই জাস্ট ইচ্ছা ছিল তাই আসলাম। সে বলল কি জানতে চান বলেন,যদি পারি তো বলব। আমি বললাম ধন্যবাদ। তারপরে সে আমাকে আবার প্রস্ন করলো সত্যি সত্যিই আপনে কিছু করবেন না ? আমি হাসতে হাসতে বললাম নারে ভাই কিছু করুম না। এর পরে আমি ব্যাগ থেকে খাতা বের করলাম। সে অবাক হয়ে প্রস্ন করলো ঐটা আবার কি?? আমি বললাম খাতা।। তোমার সাথে যত কথা বলব তার সব কিছুই লিখে রাখব এই খাতায়।এটা শুনে সে আমাকে প্রস্ন করলো আপনি কি সাংবাদিক ????? আমি বললাম আরে না,ধুর। সে আমাকে বলল তাহলে আপনে এসব করবেন কেন ? আমি বললাম কেন ঐ যে বললাম না যে আমি তোমাদের সম্পর্কে জানতে এসেছি।তাই সব লিখে রাখব। আরো অনেক কথাই হল তার সাথে। অনেক বুঝানোর পরে সে রাজি হল আমার সাথে তার ব্যাক্তিগত জীবন নিয়ে কথা বলতে...। [মাত্র শুরু করলাম আস্তে আস্তে তার জীবনের সব কথাই তুলে ধরবো সবার সামনে...।আর এটা ১ টা পর্বের মাধ্যমে তুলে ধরা সম্ভব না । কয়েকটা পর্ব লাগবে। আর প্রথম পর্ব হিসেবে আজ নাহয় শুধু ভূমিকাতেই সীমাবদ্ধ থাকুক......]......
একজন ব্লগার
যখন একজন ব্লগার
টরন্টো সময়ঃ সন্ধ্যা ৭ঃ০৩ ২রা অক্টোবর ২০২৬
বাংলাদেশ সময়ঃ ভোর ৫ঃ০৩ ৩রা অক্টোবর, ২০২৬

৩৬ জুলাইয়ের বিপ্লবের পর বাংলাদেশে সবচেয়ে দৃশ্যমান পরিবর্তনটা বোধহয় সরকারে নয়- আমাদের আচরণে!
৩৬ জুলাইয়ের বিপ্লবের পর বাংলাদেশে সবচেয়ে দৃশ্যমান পরিবর্তনটা বোধহয় সরকারে নয়- আমাদের আচরণে!
আমাদের মধ্যে বৃহত্তর একটা অংশের বদ্ধমূল বিশ্বাস- আইন মানতে হবে না, নিয়ম মানা বোকামি, সরকারের সবকিছুই মানুষের মৌলিক... ...বাকিটুকু পড়ুন
ইমাম মাহদী আসার আগে নেতৃত্ব দাবী করা সকল দলই গোমরাহের পথে আছে
সেক্যুলার দলকে সমর্থন ততো দিন পর্যন্ত দিয়ে যেতে হবে, যতো দিন ইসলামী দলগুলো 'যোগ্য' না হয়ে উঠছে।
বাংলাদেশের কোন ইসলামী দলই দেশ চালাতে সক্ষম নন।
ইসলামে বলা... ...বাকিটুকু পড়ুন
চেগা মিয়া

সকাল ৭ টা। আশ্বির্নের মাঝামাঝি।
হাজী শারাফত আলীর ছেলে মন খারাপ করে আকাশের দিকে তাকিয়ে আছেন। রাতে তার ভালো ঘুম হয়নি। তার ভাই বোনদের কথা মনে পড়লেই... ...বাকিটুকু পড়ুন
গল্পঃ চোরের উপরে বাটপারি!!!!!

টুং করে একটা নোটিফিকেশান আসলো।
ফাৎনার নড়াচড়া দেখে বুঝলাম, বড়শিতে একটা 'ব্রাউন ফিস' ধরা পড়েছে। এখন টেনে তোলার আগে খানিকটা খেলতে হবে। মৎস্য শিকারীরা জানে, এই কাজটা খুবই রোমাঞ্চকর... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।