somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমি চাই নাই এই বিষয় দিয়ে ব্লগিং শুরু করতে-

০১ লা আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৩:০২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

অনেক দিন ধরে ব্লগ পড়ি।কিছু দিন আগে রেজিস্ট্রেশান করলাম।অনেক বিষয় নিয়ে লিখতে চেয়েও লিখা হইনি।তার কারন আমি চেয়েছিলাম ভাল একটা বিষয় নিয়ে ব্লগিং শুরু করব।কিন্তু আজকের ব্যাপারটা এড়াতে পারলাম না।আগেই দুঃখিত যদি কারও মনে আঘাত দিয়ে থাকি।

রোজ জিইসি মোড়ে সন্ধ্যায় আড্ডা দেয়া হয় বন্ধুদের সাথে। গতকাল ও আড্ডা দিচ্ছিলাম।আম্মু ফোন করে বলল ঔষধ নিয়ে যেতে।গেলাম ফার্মেসীতে।এই সময় এমনিতেই একটু ভিড় থাকে।আমি দাঁড়িয়ে আছি, সামনে মাঝ বয়সী
একটা লোক ঔষধ নিচ্ছে। একটু পর দেখলাম আমার পাশে একটা আমার আম্মুর বয়সী মহিলা আসলেন।উনাকে আমি খেয়াল করলাম উনার উচ্চবাক্য শুনে।দেখলাম উনি আমার সামনে দাঁড়ানো লোকটার সাথে জগড়া করছেন। একটু অবাক হলাম। এইমাত্র আসল মহিলা্টি।কি এমন ঘটলো যে আমি পাশে থাকা সত্ত্বেও খেয়াল করলাম না। তারপর মহিলার কথা শুনে বুঝলাম যে আমার সামনে থাকা লোকটা নাকি ওই মহিলাকে নাকি ইচ্ছা করে সামনে দাঁড়াতে দিচ্ছে না।মেয়েদের সম্মান দেই না ব্লা ব্লা ব্লা, হেন তেন আজে বাজে বলা শুরু করল।
লোকটি আশ্চর্যিত হল কারন সে দোকানদার এরদিকে ফিরে ঔষধ নিচ্ছিল তখন।একটা লোক এর যদি না পিছনে চোখ থাকে, সে জানবে না পিছনে কে আছে।
তারপর লোকটা অনেক করে বুজাতে চাইল মহিলাকে। সে জানত না, এর জানলেও সে নিজে ঔষধ না নিয়ে কেন ই বা মহিলাকে সামনে দিবে।
আমি তখন ভাবছিলাম, কত সময় আমরা এমনিতেই নষ্ট করি, কিন্তু আমরা কত অসহনশীল যে ২টা মিনিট অপেক্ষা করতে পারি না।
দোকানদার ও আমার মত ব্যাপারটি লক্ষ করলযে মহিলাটি ফালতু বারাবারি করছে।তবুও লোকটিকে অনুরোধ করল চুপ করে থাকতে। কিন্তু মহিলাটি নারীবাদী লেকচার দিয়েই যাচ্ছে।সবাই চুপ করে আছে, আমিও।

এরপর দেখলাম ৩-৪ টা লোক এসে ইভটিজিং বলে আজে বাজে কথা বলতে শুরু করলো। দেখলাম একটা জটলার সৃষ্টি হল। কি অদ্ভুধ মহিলা, বলছে না যে ব্যাপারটি ওরকম কিছু না।

আমি একটু প্রতিবাদ করতে চাইলাম, আবার ভাবলাম আমাকেও না আবার লেকচার দেয়া শুরু করে।
দোকানদার এগিয়ে এলো তারপর।তার হস্তক্ষেপে মানুষগুলো আর বেশী কিছু বলল না।

দোকানদার মহিলাটিকে ঔষধ দিয়ে বিদায় করলো। আর ওই লোকটি খুবই লজ্জিত হল।
যাওয়ার সময় আমাকে বলল- বাবা, দিন কাল অনেক খারাপ। সাবধানে চলাফেরা করো। এখন নতুন নতুন হয়রানি শুরু হইছে। আমরাই মান সম্মান নিয়ে চলতে পারি না। তোমাদের কি আর বলব।

লোকটি যাওয়ার পর আমার খারাপ লাগলো /:), বাবার বয়সী একটা লোক অযথা অপমানিত হল সবার সামনে। আর খেয়াল করলাম -আমি মহিলাটির আগে দাঁড়ালেও সে আমার আগেই ঔষধ নিয়ে চলে গেল।

জানি সবসময় ঘটনার প্রেক্ষাপট এরকম থাকে না।পথে ঘাটে আমাদের মা -বোন নানাভাবে ইভটিজিং এর শিকার হচ্ছে। তাও বলব-

আমাদের আরও একটু সহনশীল আচরন করা প্রয়োজন।(মহিলারটির , সাধারন পথচারী আচরণ- এই ঘটনাই)

উদ্ভূত পরিস্থিথিতে আমাদের প্রয়োজনীয় ভুমিকা রাখা দরকার(যেটা আমি করিনি, আমি চুপ করে দেখলাম ।হয়ত আমি যদি ঘটনার শুরু তে আমার ভুমিকা পালন করতাম, আমার বাবার বয়সী লোকটাকে অপমানিত হতে হত না আর আমার ও এখন আপসোস করতে হত না/:))

আর কোন নারীর উচ্চবাক্য শুনা মানে সে ইভটিজিং এর শিকার তা ঠিক নয়। আর হাজার কারন থাকতে পারে। আমাদের আগে ঘটনা টা জানা জরুরি।( সাধারন পথচারী দের বলছি)



আজ থেকে আমিও ব্লগার হয়ে গেলাম:

ও. আমি এখন সেফ ব্লগার--:):)



সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১১:০৪
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

নীল ড্রামের রহস্য

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:২৫


ঘরটি অন্ধকারাচ্ছন্ন। ক্ষণে ক্ষণে জানালার ওপাশ থেকে আসা দূরপথের সোডিয়াম বাতির একচিলতে আলো এসে পড়ছে ঘরের ভারী বাতাসের ওপর। ঘামের তীব্র গন্ধ আর উন্মুক্ত ত্বকের উত্তাপ ঘরের পরিবেশকে ভারী করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৮ বছর ১ সপ্তাহ পার !

লিখেছেন মেহবুবা, ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:১৯


এমনি করে দিন চলে যায়। ১৮ বছর কখন পেরিয়ে গেল এখানে বুঝতে পারিনি। কত জনের কথা, কত ঘটনা মনে আসছে ! এমনি করে সূর্যাস্তের দিকে যেতে যেতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিজন দাদা, হারালে কোথায় ?

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:১০


নিত্য নতুন পোস্টের ভিড়ে
সেই চেনা মুখটি আজ আর দেখি না
কোথায় হারালে বিজন দাদা
ব্লগের উঠোনে তোমার সেই ছায়াটি আর মেলে না।

কোনো লেখা যখন সদ্য প্রসবের ব্যথায়
শব্দেরা যখন খুঁজত একটু... ...বাকিটুকু পড়ুন

সক্রেটিস ঈশ্বরের বাণী প্রচার করতেন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:১৫



সক্রেটিস মানুষের সাথে কথা বলতে ভালোবাসতেন। তিনি যখনই সময়ে পেতেন, মানুষের সমাগম যেখানেই হতো, সেখানেই তিনি বক্তব্য দিতেন। সেই বক্তব্যগুলো ছিলো, সক্রেটিসের ভাষায়, 'দৈব বাণী' বাঁ 'ঈশ্বরের বাণী'। এজন্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

লাল বদর, কালা বদর এবং ছাপরি.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:১১

লাল বদর, কালা বদর এবং ছাপরি.....

লাল বদরঃ ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া একটি নতুন ও রাজনৈতিক কটূক্তিবাচক শব্দ বা স্লোগান। কোটা সংস্কার আন্দোলন ও সরকার পতনের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×