মাননীয় দেশরত্ন, যখন স্বপ্নের পদ্মাসেতুর স্বপ্ন ভাঙার উপক্রম হল( যদিও দুই আবুল মন্ত্রির কেরামতিতে), চারিদিকে সমালোনা ঝড়; আপনি তখন আত্ননির্ভরশীল বাংলাদেশ নির্মাণে উদ্যোগী হলেন। অনেকের মতো আমারও শঙ্কা থাকলেও মনে মনে গর্ববোধ করি এতবড় সেতু আমরা নিজ অর্থায়নে করছি( যদিও এই প্রজেক্ট Economy তে কি পরিমান stress ফেলছে, তা সবার-ই জানা)। নতুন নতুন জ্ঞাত অজ্ঞাত খাত সৃষ্টি করে অর্থের জোগান দেয়া হচ্ছে। আমরা খুশি, স্বপ্নের সেতুর ভীত আজ দৃশ্যমান। আপনি ছাড়া এমন ঝুঁকি নেয়ার দুঃসাহস এইদেশে আর দ্বিতীয় কারও নেই। জেদ থেকে যদি ভাল কিছু হয়, তবে জেদ-ই ভাল।
এখন আসি মূল প্রসঙ্গে। দেশে ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ এর চাহিদা মেটাতে নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র দরকার। বিদ্যুৎকেন্দ্র হবে। বন্ধুদেশ ভারত প্রজেক্টে আমাদের উন্নয়ন সহযোগী হতে চায়, হতেই পারে। অজানা কারণে বিদ্যুৎকেন্দ্র সুন্দরবনের কাছেই হতে হবে, হ্যাঁ তাতেও আপত্তি নেই । কিন্তু সামান্য পরিবর্তীত ভাবে। এখন ভারত-বাংলাদেশ যৌথ ফিনান্স করছে (যদিও প্রজেক্টের মালিকানা দুই দেশের সত্ত্বেও চুক্তিতে ঋণের দায় বাংলাদেশের) আর আমরা ভূমি দিচ্ছি। শুধু Role টা পরিবর্তন(vice versa) হয়ে যদি এমন হয়--বাংলাদেশ ফিনান্স করবে, ভারত ভূমি দিবে। বিদ্যুৎকেন্দ্র রামপালে না হয়ে হবে ভারতের ২৪ পরগুনায়। সেখানে আমরা ১৬ কোটি বাংলাদেশী প্রজেক্ট অর্থায়নে আরো একবার অর্থনৈতিক চাপে পরলেও আপনাকে পূর্ণ সহযোগীতা করবো বন্ধুদেশ ভারতে এই বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে।
আমরা আপনার নেতৃত্বে আরেকবার সাহসী হতে চাই। আপনি প্রস্তাব করুন,আমরা সাথে আছি,দেখেন দাদারা মানে কিনা!
যদি তা হওয়ার নয়,তবে কেন দুপায়ে নদীর গভীরতা মাপার চেষ্টা!!
আমরা তো দেখেছি প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চর্য নির্বাচনে সুন্দরবনকে জয়ী করতে সরকারী-বেসরকারী সকলের প্রয়াস! তবে আজ কেন এই উদাসীনতা??
জানেন তো আমাদের আর একটাও সুন্দরবন নেই।
#SaveSundarban
#StopRampalPlant
--Arif
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে আগস্ট, ২০১৬ রাত ১০:৪৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



