কারিনা নেবুলা
নক্ষত্র উতপাদনের কারখানা হিসেবে এ নেবুলাটি একটি উপযুক্ত স্থান। ঘন মেঘপুঞ্জ দ্বারা আবৃত নেবুলাটির আনাচে কানাচে প্রতিনিয়ত তৈরী হচ্ছে নক্ষত্রগুচ্ছ। তবে নবজন্ম লাভকারী ভয়ঙ্কর আকৃতির নবীন নক্ষত্রগুলো যে তীব্র বিকিরণ জনিত শক্তির বিচ্ছুরণ ঘটায় তার কারণেই এত উজ্জ্বল আভাময় দেখায় কারিনাকে। লালচে রক্তিমাভ আভার জন্য হাইড্রোজেন ও আলট্রা ভায়োলেট রশ্মির সংমিশ্রণই দায়ী। প্রায় ডজন খানেক নক্ষত্রের সন্ধান এ নেবুলাতে সহজেই পাওয়া যাবে, যারা আমাদের সূর্য হতে ৫০ থেকে ১০০ গুন বেশী ভর বিশিষ্ট। অত্যাধিক ভারী বলেই কয়েক মিলিয়ন বর্ষেই তারা তাদের জীবনচক্র সমাপ্ত করে। সেখানে কিনা আমাদের সূর্যের আয়ুষ্কাল ১০ বিলিয়ন বছর। এই দশ বিলিয়ন দীর্ঘ সময়ের সাথে তুলনা করলে কারিনা নেবুলার ঐ ভারী নক্ষত্রগুলোর আয়ুষ্কাল সূর্যের জীবদ্দশার এক পল মাত্র।
কারিনা শব্দটি ল্যাটিন, যার অর্থ keel of a ship. Keel মানে জাহাজের তলি। জাহাজ যেন এদিক ওদিকে বারবার দুলে না উঠে অর্থাত জাহাজকে স্থিতিশীল রাখার নিমিত্তে নির্মিত ধাতব খন্ড বিশেষ। বা আক্ষরিক অর্থে নয় বরং আলঙ্কারিক অর্থে এর অর্থ হতে পারে জাহাজ। দক্ষিণ গোলার্ধের আকাশে একটি নক্ষত্রমন্ডলীর নাম ছিল Argo Navis. Argo মানে জাহাজ। নামকরণ করেছিলেন টলেমি। অসম্ভব বড় আকৃতি বিশিষ্ট হওয়ার দরুণ এর নাম বিলুপ্ত করে এই নক্ষত্রমন্ডলীকে তিন ভাগে বিভক্ত করে তিনটি নামকরণ করা হয়। যেমনঃ
১ carina (keel) অর্থ জাহাজ
২ puppis অর্থ জাহাজের পশ্চাতভাগের ডেক
৩ vela অর্থ পাল
নেবুলাটির মধ্যস্থিত অতিউজ্জ্বল নক্ষত্রের নাম ইটা-কারিনা। সূর্যের চেয়ে প্রায় ১০০ গুন ভরবিশিষ্ট ও চার মিলিয়ন গুন বেশী উজ্জ্বল বলেই এই নক্ষত্রটি আমাদের ছায়াপথ মিল্কওয়েতে অবস্থানকারী জ্যোতির্ময় সৌন্দর্য্যে সর্বোচ্চ খ্যাত ও হৃদয়গ্রাহী বৈশিষ্ট্যে মন্ডিত। তাই ইটা-কারিনা এতটা নজড়কাড়া। এটি খুব অস্থিতিশীল হওয়াতে প্রচন্ড গতিশক্তি সম্পন্ন বহিঃ বিস্ফোরণের নমুনা বিজ্ঞানীরা লক্ষ্য করেছিলেন ১৮৪২ সালে।কয়েকবছর ধরেই ইটা-কারিনা ছিল দ্বিতীয় উজ্জ্বলতম নক্ষত্র।
সুপারনোভা বা অতিকায় নব-নক্ষত্র বিস্ফোরণের সময় উতপন্ন প্রচন্ড আলোর ছটা যেমন চারিদিক ঝলসে দিয়ে নভোমন্ডলকে আলোকজ্জ্বল করে তুলে, ইটা কারিনা ঠিক তেমন উদাহরণ স্থাপন করলেও বিস্ফোরণে একেবারে নিঃশেষ হয়ে যায়নি।এর একটি সঙ্গী নক্ষত্র আছে যে কিনা একে প্রদক্ষিণ করে ৫.৫৪ বছরে। প্রদক্ষিণ কালে কক্ষপথের খুব কাছাকাছি এলে প্রবল শক্তি সম্পন্ন বায়ু প্রবাহের সংঘর্ষ তখন বিস্ময়কর ঘটনার সৃষ্টি করে। ২০০৯ এর জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে তারা দুজন সবচেয়ে নিকটবর্তী হওয়ার দরুণ অনন্য এক নভোমন্ডলীয় অবস্থার উতপত্তি হয়েছিল যা পর্যবেক্ষণ করে বিজ্ঞানীরা নক্ষত্রদুটির গ্যাসীয় পরিমন্ডলের ধরণ ও গঠণ সম্বন্ধে ব্যাপক ধারণা লাভে সক্ষম হন। সেই সময়টুকুতে ইউরোপীয়ান সাউদার্ন মান মন্দির পরিপূর্ণ হয়ে উঠেছিল অসংখ্য বৈজ্ঞানিক যন্ত্রাংশের সমাহারে। হঠাতই মনে হতো এ মান মন্দির যেন ছোটখাটো এক রণতরীর অন্য আরেক রূপ।
তখন
তখন
সাইফুল ইসলাম সাঈফ
তখন আলিফ লায়লা হতো
দেখতাম বিটিভিতে বাংলা মুভি
মিনা কাটুন, হারকিউলিস, রবিন হুড
নাটক, ইত্যাদি, বেশ আনন্দ পেতাম।
খেলাধুলা করতাম বন্ধুদের সাথে
বিবিধ রকম, সবসময় থাকতাম প্রাণবন্ত!
যে বাড়িতে ভাড়া থাকতাম তাদের
একটি সাদা-কালো টিভি... ...বাকিটুকু পড়ুন
আমাদের শাহেদ জামাল- ১০১

এক বিদেশি জাহাজ মধুমতি নদীতে একটু একটু করে ডুবে যাচ্ছে।
সেই ডুবে যাওয়া জাহাজ দেখার জন্য শাহেদ জামাল ছুটে চলেছেন- মধুমতি নদীতে। জাহাজ এর নাম স্টিব অস্টিন। শাহেদ জাহাজটির... ...বাকিটুকু পড়ুন
মাওকে নিয়ে চীনের আবেগ, শেখ মুজিবকে নিয়ে আমাদের বিদ্বেষ

ফরাসি ফুটবলার কিলিয়ান এমবাপ্পেকে সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, তাঁকে নিয়ে কোন মিমটি দেখে সবচেয়ে বেশি হাসি পেয়েছিল। ফরাসি অনুষ্ঠান The Bridge এর ব্যাকস্টেজ ভিডিওতে তিনি বলেন, একটি... ...বাকিটুকু পড়ুন
কাঁটাচামচ বিতর্ক....
কাঁটাচামচ বিতর্ক....
বাঙালির একদল তথাকথিত ভদ্রলোকের এখন মহাসংকট! তারেক সাহেব কাঁটাচামচ কোন হাতে ধরেছেন, ছুরি কোন হাতে রেখেছেন- তা নিয়েই জাতীয় চরিত্রের ময়নাতদন্ত চলছে! যারা সমালোচনায় নেতৃত্ব দিচ্ছে- তাদের কয়েকজন দুস্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন
ছোটগল্প - চক্ষুহীন লোকটি

মি পারসনস যখন হোটেল থেকে বের হলেন, ভিক্ষুকটি তখন রাস্তায় এসে দাঁড়িয়েছে।
সে ছিল একজন অন্ধ ভিক্ষুক। অন্ধদের চিরাচরিত সাদা ছড়ি ছিল তার হাতে। সেটা দিয়ে সামনের পথটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।