
২০০৭ -এ অবনি অবনি অনার্য সামু ব্লগের কথা বললেন। সিডর এর ঝড়ের সময়ের কথা । ২০০৭ এর নভেম্বর। বাপ্পার সাথে যিনি গান গাইতেন সঞ্জীব -দা, তিনি সেই ঝড়ের রাতে মারা গেছেন, তাই ঐ সময়ের কথা মনে আছে। আমি অবনির লেখার লিংক ধরে সামু ব্লগ দেখলাম। তিনি যদিও সামুতে আরো আগে থেকে লেখেন।
ব্লগে লেখার সমাহারে আমি অভিভূত। ৩১শে অগাস্ট ২০০৭ থেকে আরেকটা নতুন ই ম্যাগাজিনের সম্পাদনা শুরু করেছিলাম। সেই ম্যাগাজিনের জন্য লেখা সংগ্রহ শুরু হলো ডিসেম্বর মাস থেকে এ ব্লগের লেখকদের থেকে। কত না লেখা পেয়েছি সামু থেকে । লেখকরা খুব আন্তরিকতার সাথে আমাকে তাঁদের লেখা ছাপাবার অনুমতি দিতেন। সামু -র লেখা যেন এক একটা হীরার খন্ড। সামু ব্লগ যেন মণি মাণিক্যে ভরপুর।
তারও অনেক পরে একটু সাহস করে ভাবলাম আমিও ব্লগে কিছু লিখি। কিন্তু আমি তো লিখি না। লেখা সম্পাদনা করি। তাহলে কি লেখা যায়? সবচেয়ে সোজা একটা বিষয় - 'নাসা'র সাইট থেকে গ্যালাক্সির বিবরণ দিয়ে কিছু লেখা যায়।
সেই প্রথম ২০০৮ এ এসে পোস্ট লিখলাম 'অ্যান্টেনা' গ্যালাক্সির কথা।
অ্যান্টেনা গ্যালাক্সি
সামু তার সিস্টেমে দেখাচ্ছে প্রথম পোস্টের তারিখ ২১শে মে ২০০৮; এমনি একদিন শুধু ১৮ বছর আগে। তখন ফ্লরিডা থেকে মাত্র এসেছি ঢাকায়। ঢাকা থেকে ফোন নাম্বার দিয়ে অ্যাকাউন্ট খুলে লগ- ইন করলাম। । আমার আমেরিকান বন্ধু সিন্ডি আমার বাংলা লেখা পড়তে না পারলেও গ্যালাক্সির ছবি দেখে খুব খুশী। বললেন এই গ্যালাক্সিটাকে 'ক্যান্ডি ফ্লসের' মতো দেখাচ্ছে, মানে আমরা যাকে বলি শন্ -পাপড়ির মত।
তারপর থেকে আরো অনেক অনেক গ্যালাক্সি নিয়ে একটু একটু করে লেখা দিয়েছি।
সামু আমাদেরকে ভাবতে শিখিয়েছে, ইন্টার-অ্যাক্ট করতে শিখিয়েছে, লিখতে শিখিয়েছে।
সামুর কাছে আমরা সব সময় কৃতজ্ঞ

চিত্রঃ ব্লগ লিখেছি ১৮ বছর ১৯ ঘন্টা
জীবনের অষ্টাদশে যখন পা দিয়েছিলাম তখন বুঝিনি ১৮ -তে পড়ার কি মজা। তারপর আরো বহু দশক অতিক্রম করে আবারো ফিরে পেলাম সেই অষ্টাদশ। এবারের উপলব্ধিই অন্যরকম।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




