
১. কারো ভাল লাগে বড় মন্তব্য
২.কারো ছোট মন্তব্য।
৩.কম সময়ে দ্রুত অনেক অনেক কাজ সারতে চাইলে AI দিয়ে বানানো মন্তুব্যসমূহ্ও কারোর কাছে বিরক্তিকর লাগতে পারে।
৪. AI এর সাহায্য নিলে অনেক তথ্য সন্নিবেশিত থাকে বলে অনেকের আবার সেসব মন্তব্য ভালও লাগতে পারে।
সুতরাং চার রকমের ক্রাইটেরিয়া পাওয়া গেল।
এখন, ধরেন মন্তব্য দানের পর যদি লেখক বলেন, যে আমার পছন্দের ক্রাইটেরিয়ার মাঝে আপনার মন্তব্য পড়ছে না, কেন লিখেছেন, খুবই বিরক্ত লাগছে- তাহলে মন্তব্যকারী বিব্রত অবস্থায় পড়তে পারেন। তিনি ভাবতে পারেন কোন দুঃখে গিয়েছিলাম ওখানে মন্তব্য লিখতে!
তাই ভাল হলো মন্তব্যের ধরণ ধারণ কেমন হবে তার একটা আউট-লাইন লেখককে, সবার উদ্দেশে বলে দেয়া। পেইজের পাতার আগায় সেটা টাঙ্গান থাকবে। পাঠক লেখা পড়ে ভাববে এই লেখায় আমার মন্তব্যটি তাহলে কি এভাবে লিখব, নাকি ওভাবে লিখব, নাকি কিছু লিখবই না।
এতে মন্তব্যকারী পাঠককে বিরক্তির হাত থেকে বাঁচাতে পারেন আবার নিজেও বিব্রত হবার হাত থেকে রক্ষা পেতে পারেন। লেখকের বিরক্তিকর ভাবের বহিঃপ্রকাশ দেখে মন্তব্যকারীর কখনোই মনে হবে না সামগ্রিক ব্যাপারটা utterly disgusting.
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা জুন, ২০২৬ রাত ১০:১৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




