somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কল্পগল্প – সেল ট্যুর

০৬ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৩২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
(অন্য গালাক্সি থেকে)


শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিজ্ঞান বিভাগে, সিনিয়র গবেষক হিসেবে কাজ করছেন প্রফেসর রবার্ট প্রায় ২৪ বছর ধরে। প্রতি বছরই নতুন নতুন ছাত্র আসে তার অধীনে গবেষণা করতে। এবার উইন্টার সেমিস্টারে জেফরিকে কাজে নেয়ার পরিকল্পনা আছে। ছেলেটি খুব স্মার্ট। মনে আছে, ওরা যখন প্রথম বর্ষে এসে সবেমাত্র ক্লাশ শুরু করেছে, প্রফেসর রবার্ট তাদেরকে প্রাথমিক ধারণ দিচ্ছিলেন মানব দেহের কোষ সম্পর্কে । জেফরির প্রশ্নগুলো ছিল বেশ চমকপ্রদ। আর সে থেকেই জেফরির কথা প্রফেসর রবার্টের স্মৃতিতে গেঁথে আছে। আজ ছয় বছর পর গ্র্যাজুয়েশান শেষে জেফরি যখন প্রফেসর রবার্টের অধীনে গবেষণা করার জন্য আবেদন করলো, এক ঝলকেই প্রফেসর রবার্টের স্মৃতি তাকে টেনে নিয়ে গেল সেই বহু পিছনে, আজ থেকে ছ’বছর আগের প্রথম বর্ষের P24 ক্লাস রুমের প্রথম লেকচারের দিনে। প্রথম বর্ষের ছাত্রদের, কৌতুহল ভরা চোখমুখ, উচ্ছল প্রাণদীপ্ত তারুণ্য আর জানার অদম্য আগ্রহ থেকে তৈরী হওয়া অসংখ্য প্রশ্নে ভরা মন নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সূচনা যখন হয় তখন অনুভূতিটাই অন্যরকম।
প্রফেসর রবার্ট প্রথম দিন রিভিউ হিসাবে আলোচনা করছিলেন মানব কোষের গঠণ, কোষের অভ্যন্তরস্থ নিউক্লিয়াসের কাজ, মাইটোকন্ড্রিয়ের কাজ। বিশাল স্ক্রিনে পাওয়ার পয়েন্টের স্লাইডে তৈরী মানব কোষের চমৎকার সুন্দর ছবিটি ছাত্রদের সামনে তুলে ধরেছিলেন।পুরো কো্ষটাকে তুলনা দিয়েছিলেন একটা শহরের সাথে। সেই শহরের পাওয়ার প্ল্যান্টগুলো হলো কোষের অভ্যন্তরস্থ মাইটোকন্ড্রিয়া। শহরের ফ্যাক্টরিগুলো হলো রাইবোসোম। তথ্য সংরক্ষণের ভান্ডার হলো জেনম।তার এই তুলনার সাথে ছাত্র ছাত্রীরা উপভোগ করেছিল প্রফেসরের উপস্থাপনার স্টাইল। জেফরির প্রশ্নটা ছিল কোষের প্রাচীর অর্থাৎ সেল -মেমব্রেন নিয়ে। তার প্রশ্ন ছিল, উদ্ভিদ আর মানুষের কোন তফাৎ আছে কিনা কোষ প্রাচীরের মাঝে।প্রফেসরের উত্তরটা ছিল আরো মজার। তিনি বলেছিলেন, উদ্ভিদের কোষগুলোর প্রাচীর, প্রাণীদের কোষ প্রাচীরের তুলনার বেশ শক্ত। আর তাই কোষের মাঝে ঢুকে যদি কোষের কার্যকারিতা দেখতে চাওয়া যায়, তাহলে প্রাণী কোষই হবে ভ্রমনের উপযুক্ত স্থান। তখন থেকেই জেফরির মনে একটাই খেয়াল, আর সেটা হলো সেল-ট্যুর।
কোষের অভ্যন্তরে সশরীরে ভ্রমন।
কোষের অভ্যন্তরের শহরটায় ভ্রমন করলে তো মন্দ হয়না। যদিও আকৃতিতে তাকে বেশ ছোট হয়ে যেতে হবে। যদি লোহিত রক্ত কণিকার অভ্যন্তরেও প্রবেশ করা যায়, তবে যে কোন একটা ব্যাকটেরিয়ার আকৃতি ধারণ করতে পারলে বেশ ভালো হয়। কারণ ব্যাক্টেরিয়াগুলোর ব্যাসার্ধ ১.০ মাইক্রোমিটার আর লোহিত রক্ত কণিকাগুলো ব্যাক্টেরিয়াগুলোর থেকে প্রায় সাড়ে সাতগুণ বড়, ৭.৬ মাইক্রোমিটার ব্যাসার্ধ সম্পন্ন।

এই তথ্য জানার পর জেফরির শুধু একটাই ভাবনা, আর তা হলো সেল–ট্যুর। কথাটা সে কাউকে বললো না। বন্ধু বান্ধবেরা হাসি ঠাট্টা করবেই, এই উদ্ভট ট্যুরের কথা শুনে। জেফরি আরো তথ্যের জন্যই সেদিন প্রফেসর রবার্টকে জিজ্ঞেস করেছিল, মানব কোষের বাইরের দিকে প্রাচীরগুলোর আকার আকৃতি সম্বন্ধে।
প্রফেসর তার স্লাইডে দেহের বিভিন্ন স্থানের কোষের ছবিও নিয়ে এসেছিলেন। চামড়ার কোষগুলোর বহিঃআবরণ চ্যাপ্টা। কিন্তু পেশীকোষের বহিঃ আবরণ লম্বা ও সরু ধরণের। মানবদেহ ২০ থেকে ৩০ ট্রিলিয়ন কোষ নিয়ে গঠিত। এত সংখ্যক কোষের ভেতরে যেয়ে যেয়ে অবকাশ যাপন তো জেফরির জন্য সম্ভব নয়। তবে দু’এক ধরণের কোষে প্রবেশ করলে মন্দ হয় না। সবচেয়ে সহজ হয় ত্বকের কোষগুলোর ভেতর ঘুরে আসা।
যার প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত সাবান ব্যবহার করেন তাদের চামড়ার বহিঃ আবরণ তেমন শক্ত থাকে না। তাই বিভিন্ন ধরণের ব্যাকটেরিয়া সহজে প্রবেশের সুযোগ পায়।
যেই ভাবা সেই কাজ।
জেফরি সাথে সাথে যোগাযোগ করলো ওর ছোট ভাইয়ের সাথে , যে কিনা সানফ্লাওয়ার গ্যালাক্সিতে বর্তমানে বসবাস করছে। ঐ গ্যালাক্সির মানুষগুলো পৃথিবীর মানুষদের থেকে প্রযুক্তির দিক দিয়ে ৮০০০ বছর এগিয়ে। তাদের পক্ষেই সম্ভব জেফরির আকার সংকুচিত করে ব্যাকটেরিয়া– আকৃতিতে তাকে রূপান্তর করা।
সামনের গ্রীষ্মের ছুটিতেই জেফরি সিদ্ধান্ত নিল ছোট ভাইয়ের সাথে দেখা করবে। পৃথিবীর গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে সানফ্লাওয়ার গ্যলাক্সীতেও চলছিল ছুটির আমেজ।ছোট ভাইয়ের সাথে দেখা করতে গিয়ে তাই দেখা হলো তার বন্ধুদের সাথে।


সবাই মিলে বায়না ধরলো ওরা সবাই যাবে সেল ভ্রমনে। নিজেদের আকৃতিকে ছোট্ট ছোট্ট ব্যাক্টেরিয়ার আকারে রূপান্তর করে ছুটে এলো পৃথিবীতে। পৃথিবীর বাসিন্দাদের সবার তো আর শারিরীক প্রতিরোধ ক্ষমতা একরকম নয়, তাই অপেক্ষাকৃত কম প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন মানুষদের রক্ত প্রবাহে প্রবেশ করতে, জেফরি ও তার বন্ধুদের বেশী বেগ হলো না। রক্ত প্রবাহে অবস্থিত অসংখ্য ছড়িয়ে থাকা লোহিত কণিকাগুলোর মাঝে ওরা প্রবেশ করলো। লোহিত কণিকার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো,এই কোষগুলো নিউক্লিয়াস, মাইটোকন্ড্রিয়া বিহীন কোষ।আরো অনেক উপাদান এর ক্ষেত্র- মন্ডলে অনুপস্থিত। পুরো কোষ জুড়েই রয়েছে হিমোগ্লোবিন, যা কিনা দেহে অক্সিজেন সরবরাহে সদা নিয়োজিত। প্রোটিন এবং আয়রনের অণু দিয়ে হিমোগ্লোবিন তৈরী। লোহিত কণিকা গোলাকার আকৃতির হলেও তার দুই পৃষ্ঠদেশ অবতল। ৭.৬ মাইক্রোমিটার ব্যাসার্ধের এই কোষগুলোর মাঝে ঘুরতে ঘুরতে ওরা এক বৈচিত্র্যময় জগতের সন্ধান পেল। কারো কারো লোহিত কণিকাগুলো স্বাভাবিকের চেয়ে বড় আকৃতির। কারোর গুলো স্বাভাবিকের চেয়ে ছোট আকৃতির।পৃথিবীর মানুষেরা তাদের রক্তে এ ধরণের বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন লোহিত কণিকার উপস্থিতিকে যথাক্রমে ম্যাক্রোসাইটিক অ্যানিমিয়া (macrocytic anemia) বা মাইক্রোসাইটিক অ্যানিমিয়া (microcytic anemia) বলে অভিহিত করে। জেফরি ও তার সঙ্গীরা অবাক হলো, যখন দেখল কারো কারো দেহে লোহিত কণিকাগুলো গোলাকৃতি থেকে অর্ধচন্দ্রাকৃতি ধারণ করেছে।অনেকটা কাস্তের মতো (sickle shape). এর উপস্থিতি থাকলে তাকে বলে সিকেল –সেল অ্যানিমিয়া।


রক্ত প্রবাহের সাথে মিশে জেফরি ও তার বন্ধুরা প্রবেশ করলো মানব দেহের ব্রেইন – সেল, নিউরনে। কম্পিউটারের প্রসেসারের এক একটি লজিক গেইট এর মতো যেন এক একটি নিউরন। তারা মানুষকে ভাবতে শিখায়, কষ্টে কাঁদতে শিখায়, আনন্দে হাসতে শিখায়। তড়িৎ সংকেত যথাসময়ে শরীরের সকল অঙ্গ প্রত্যঙ্গে পৌঁছে দেয়। নিউরন থেকে প্রাপ্ত তড়িৎ সংকেতের মাধ্যমেই মানুষদের শিহরণ অনুভূত হয়। তারা ভয় পেলে ভয়ে শিহরিত হয়ে তাদের সব লোম খাড়া হয়ে উঠে বা আতংকে শরীর ঠান্ডা হয়ে যায়। কিছু কিছু মানুষের শরীরে নিউরনগুলো সঠিক ভাবে সংকেত পৌঁছাতে পারে না। সে মানুষগুলো অন্যান্যদের তুলনায় প্রখর অনুভূতিসম্পন্ন হয়না। তাদের সংস্পর্শ অন্যরা তেমন পছন্দও করে না।জেফরি অনেকের ব্রেইন সেলে প্রবেশ করে তাদের নিউরনের প্রকৃতি ও মানবদেহে তাদের প্রভাব নির্ণয়ে চেষ্টা করেছে। কিন্তু এভাবে রক্তের সাথে মিশে সকল ধরণের কোষগুলো পর্যবেক্ষণ করতে করতে ওর গ্রীষ্মের পুরো ছুটিটাই শেষ হয়ে যাবার অবস্থা।তাই সিদ্ধান্ত নিল আর সেল ট্যুর নয়।
এবার বাড়ি ফেরার পালা।
কিন্তু অস্থির কোষ, বোন-সেল্‌ (bone cell) না দেখেই চলে যাবে?
আবারো থমকে দাঁড়ালো।


মানবদেহের অস্থির প্রাচীরে প্রবেশ করতে চেষ্টা করল।ক্যালসিয়াম আর ফস্‌ফেট আদান প্রদানে দেহের হাড়ের কোষ-আবরণ (bone lining cell)সমূহের দারুণ ভূমিকা । কাজ করে যাচ্ছে সর্বক্ষণ।
ওরা আরো দেখল অস্টিওক্লাস্ট (Osteoclast) নামের বড় বড় অস্থি কোষ, যারা অস্থির বৃদ্ধি, পুনর্গঠনে ভূমিকা রাখে। তারপর যেতে যেতে ওদের পথে পড়ল অস্টিওসাইটস্‌(osteocytes), যারা অস্থিকোষের পুষ্টির দিকটা বিশেষ বিবেচনায় রাখে। প্রয়োজনীয় এনজাইম আর খনিজ পদার্থের নিঃসরণ ঘটিয়ে অস্থিকে সুস্থ ও কর্মক্ষম রাখে। তারপর দেখা হলো অস্টিওব্লাস্ট (Osteoblast)কোষের সাথে। এরা দেহের অস্থিকে সুগঠিত করবার জন্য সদা প্রস্তুত। আর অস্টিওজেনিক(Osteogenic) কোষগুলোকে চুপচাপ বসে থাকতে দেখে ওরা আর আগালো না। এবার তারা সত্যিই সত্যিই বাড়ি ফেরার সিদ্ধান্ত নিল।
মোটামুটি সাত দিনের ট্যুর।শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হস্টেলের মোট ৩৩ জন ছাত্রকে ওরা বেছে নিয়েছিল ওদের সেল-ট্যুর সম্পাদনের জন্য। জেফরি এন্ড গং তাদের দেহে প্রবেশের ফলে তাদের কোন ক্ষতি সাধিত হয়েছে, তা কিন্তু নয়। শুধুমাত্র ঐ ৩৩ জন ছাত্র একই সাথে ডাক্তারকে জানিয়েছিল তাদের শরীরে দানা দানা অ্যালার্জির কথা।এতগুলো ছাত্রের একসাথে অ্যালার্জি হবার কথা সে সময় প্রফেসর রবার্টের কানেও পৌঁছে ছিল। সময় ছিল ২০০৯ সাল। জেফরি তার কাছে না আসার দরুণ এবং তাকে কিছু না জানানোর দরুণ প্রফেসার রবার্ট আর তা অনুসন্ধান করবার সুযোগ পাননি।

এরপর বহুদিন কেটে গেছে। জেফরি নিয়মিত ক্লাশ করছে।ওর বন্ধুরা যার যার নিবাসস্থল, সেই সানফ্লাওয়ার গ্যলাক্সিতে ফিরে গেছে। মানব দেহ-কোষ ভ্রমনের ঘটনা সবিস্তারে তাদের সহপাঠীদের বর্ণনা করেছে। এবার তারা পর্যবেক্ষণ করবে মানব ভ্রূণের বৃদ্ধি। আর মানব দেহকোষ কিভাবে বিভাজিত হয়ে পূর্নাংগ মানব শিশু গঠন করে। এই পদ্ধতিকে পৃথিবীতে ক্লোনিং পদ্ধতি বলে।
তাদের বৈচিত্র্যপূর্ণ এই ভ্রমনের গল্পে আগ্রহী হয়ে এবার তাদের সাথে এসেছে আরো ৬ জন পর্যটক। উদ্দেশ্য সেই আগের মতনই- সেল ট্যুর। কিন্তু এবার ঘটনাটি ঘটলো একটু অন্যরকম। সাউথ ইস্ট এশিয়ার একটি লোকেশান- বাংলাদেশে। সেখানকার প্রত্যন্ত একটি গ্রামে হঠাতই শুরু হলো কিশোরীদের গণহারে মূর্ছারোগ। তাদের ডাক্তাররা একে বলছে মাস্‌-হিস্টিরিয়া।স্থানীয় স্বাস্থ্যবিভাগ কোন কারণ খুঁজে না পেয়ে শেষমেশ উপসঙহারে এলেন যে, মূর্ছা যাওয়ার ঘটনা সাময়িক কোন ছোঁয়াচে আতংকের আবহ। এই আবহ থেকে এই অবস্থার সৃষ্টি, কিন্তু ঠিক হয়ে যাবে। তখন কিন্তু সেই ৩৩ জন এদের শরীরে তাদের সেল –ট্যুর শুরু করেছে । বাকী আছে নতুন ছয়জন পর্যটক। তারা দেখলেন, পত্রিকায় এই ঘটনাটি খুব বড় আকারের খবর হিসাবে তেমন গুরুত্ব পেল না। ছয়জন পর্যটক স্কুলের ৮০০ ছাত্র ছাত্রীদের মাঝ থেকে শুধু এই ৩৩ জন আক্রান্ত কিশোরীদের ক্ষয়িষ্ণু প্রতিরোধ ক্ষমতা দেখে বেশ অবাকই হলেন।
কিন্তু তখনও তাদের জানা ছিল না আজ হতে ১০ বছর পর ২০১৯ সালে এমন একটি ভাইরাস হানা দেবে এই গ্রহে, যা সারা পৃথিবীকে অচল করে দেবে।
ভাইরাসটির নাম হবে কোভিড-19.


সে মানবদেহের ক্রাউন চক্র বা ‘করোনা’তে আক্রমন করে মানুষের অতি-জাগতীয় অনুভূতিকে ‘লক্‌’ করে দেবার চেষ্টা করবে। আর তা সম্পূর্ণ ভাবে সফল করতে যদি ব্যর্থ হয়, তাহলে ধীরে ধীরে তাদের আক্রমণের মাত্রা তারা কমিয়ে দেবে। তারপর আরও দশ বছর সময় নিয়ে অতর্কিতে আবার হামলা চালাবে ২০২৯/২০৩০ সালে। ঐ সময়ের পর করোনা ভাইরাস পৃথিবীতে আর দেখা যাবে না।কারণ ততদিনে পৃথিবী নামক গ্রহটি 3D থেকে 5D তে যাবার প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন করে ফেলবে। 4D এনার্জি-ফিল্ড এতো তীব্রভাবে সক্রিয় থাকবে যে, এই পৃথিবীর বাসিন্দাদের কোন ভাইরাস দিয়ে আর অসুস্থ করা যাবে না।
সেই ২০০৯ সালে স্কুলের ছাত্রীদের গণহারে মূর্ছা যাবার কারণের যে ব্যাখ্যা দিতে বিজ্ঞানীরা অপারগ ছিলেন, তারাও বিশেষ ভাবে সচেতন হবেন অন্যগ্রহের প্রাণীদের উপস্থিতি ও আক্রমণের বিষয়ে। ব্যখ্যাতীত অসুস্থতার কারণ, ব্যাখ্যার অভাবে, সমাধান থেকে বঞ্চিত হবে না কখনোই।
...
লেখা আরম্ভ ২০০৯
লেখার সমাপ্তি ২০২৬ (প্রথম করোনার পর, দ্বিতীয় করোনার পূর্বে)
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:৩২
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সকল মানুষই খোদার প্রতিনিধি

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৫ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৪০

আল্লাহ মানুষকে প্রতিনিধি বানিয়ে এই পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। প্রতিটি মানুষই যদি আল্লাহর 'প্রতিনিধি' হয়ে থাকে, তাহলে কাদের কাছে এই প্রতিনিধিদের পাঠানো হয়েছে? এই পৃথিবীতে প্রথম দুইজন প্রতিনিধি ছিলেন - হযরত আদম... ...বাকিটুকু পড়ুন

সব মাছে গু খায় দোষ হয় ঘাউড়্যা মাছের

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৫ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৯


হাসনাত আবদুল্লাহ। বাংলাদেশের ক্যাপ্টেন। জেনারেশন জেড আর আলফার চোখে তিনি একজন সুপারহিরো। মার্ভেলের ছবিতে যেমন একজন সাধারণ মানুষ হঠাৎ পোশাক পরে আকাশে উড়তে থাকে, হাসনাতও যেন সেরকমই—ধুলোমাখা বাস্তবতার মাঝে... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রিয় কন্যা আমার- ৯১

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৫ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৬

ফারাজা, প্রিয় কন্যা আমার-
আজকে বাংলা ২০শে 'জ্যৈষ্ঠ' ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ। আজকের দিনটি হলো বুধবার। 'জ্যৈষ্ঠ' মাসের আরেক নাম হলো মধুমাস। এই মাসে আম, জাম লিচু, কাঠাল পাওয়া যায়। ফাজ্জা আম,... ...বাকিটুকু পড়ুন

=ঐ যে নদী, পাহাড় গিরি=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৫ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:৫৯



চলো বন্ধু দাঁড়াই গিয়ে
স্রোতস্বিনী নদীর কোলে
যেখানটাতে আছে ভরা
লাল গোলাপী বুনোফুলে।

চলো দাঁড়াই যেথায় পাহাড়
সবুজ রঙের আলো উড়ে
আজ বিকেলে সেখান হতে
একটু না হয় আসি ঘুরে।

চলো না যাই ঝর্ণা ধারায়
যেথায় জলের বইছে হাওয়া
যেখানটাতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভারতকে যা দিয়েছি, তা সারাজীবন মনে রাখবে

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৬ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:০৯


১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব ছিল অনস্বীকার্য। এটা এমন এক ঐতিহাসিক সত্য যাকে অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ আওয়ামী লীগকে বিপুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×