somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ত্রিভূজ প্রেম

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১২:৩৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ত্রিভুজ প্রেমের কাহীনি কেমন জেনো একটু কমন ব্যাপার হয়ে গেছে। ত্রিভুজ প্রেমের কথা শুনলে কেমন যেনো একটু কমন বাংলা সিনেমা বা বাংলা নাটক নাটক মনে হয়। কিছুটা ফিল্মি কিছুটা ড্রামাটিক আর বেশ আর্টিফিশিয়াল মনে হয়। কিন্তু ফিল্ম আর ড্রামা যে জীবনের উর্দ্ধে নয় তাও কিন্তু মনে রাখতে হবে। আর সেটা আরেকবার প্রমান করে দিয়ে দিশাহিন তিনটি মানুষ শিমুল , তন্যি আর শিপলু। সেই মাধ্যমিক স্কুল থেকে উচ্চ মাধমিক , ইউনিভার্সিটি সবই এক সাথে। এক কথায় একসাথেই তারা বুঝতে শিখেছে একসাথেই শিখেছে জীবনের ভালো লাগা ,মন্দ লাগা সুখ আর দুঃখ সবই। সম্পর্কের শুরু থেকে আজ অবধি একটি সিনেমা ও তিনজনের দু জন বা এক জন একা দেখেনি দেখলে তিনজন ই দেখবে আর তিন জনের সব কিছু ঠিক না হলে দেখাই হবে না । প্রত্যেকটি জায়গাতে তারা সম্পূর্ন অভিন্ন। ঘুনসুটি ছাড়া নাকি সম্পর্ক ভালো হয় না। এই জায়গাটিতেও তারা সম্পূর্ন ভিন্ন। কোনো প্রকার ঘুনসুটিও নেই। কেউ একজন মুখ দিয়ে কিছু একটি বের করলেই আর দুজন ব্যাস্ত হয়ে যায় কিভাবে সেটা সম্পূর্ন করা যায় প্রসেস বা ফলাফল যাই হোক। তারা তিনজন স্রেফ বন্ধু। তাদের কে তাদের সম্পর্ক নিয়ে জিজ্ঞেস করা হলে একসাথে তাদের উত্তর উই আর জাস্ট ভেরি গুড ফ্রেন্ডস নাথিং এলস। সব কিছুই ঠিক ভাবে চলছে। পড়াশুনা একপ্রকার শেষ করেই তারা তিনজনই কর্ম জীবনে ঢুকেছে মাত্র। আর এর মধ্যেই তন্যির কোনো এক আতœীয় তার জন্য একটি সমন্ধ এনেছে। তাকে দেখতে এসেছে বাসায়। এত অল্প সময়ের মধ্যে আয়োজন হয়েছে যে শিমুল আর শিপলু কে জানাতেই পারে নি তন্যি। কিন্তু তাতে কি বিকালে তন্যি কে দেখে গেলেও সন্ধ্যায় ফোন পেয়ে দ্রুতই দুজন বাসায় হাজির। কি হল না হলো ছেলে দেখতে কেমন এ সকল বিষয় নিয়ে মজা করে যে যার বাসায় চলে গেলো। রাতেই ছেলে পক্ষের বাসা থেকে ফোন আসে মেয়ে তাদের পছন্দ হয়েছে। মেয়েদের কোনো আপত্তি না থাকলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তারা বিয়ের কাজটি সেরে ফেলতে চায়। এ কথাটি জানিয়ে দেওয়া হয় তন্যি কে তার মতামতের জন্য। সে সময় চায় পরিবারের কাছ থেকে। পরের দিন আগের মতই তিন বন্ধুর চিরাচরিত সেই মিটিং। আজাকের আলোচনার বিষয় তন্যির বিয়ে। আলোচনার শুরুটা বেশ ইন্টারেষ্টিং আগেই খাওয়া দাওয়া তারপর মূল আলোচনা। সব ভালো তার শেষ ভালো যার। শেষটা যেনো ভালো হয়নি তাদের মিটিংয়ের। কোনো ডিছিশন ই নিতে পারেনি তারা। মিটিংয়ে তন্যির শেষ কথা আমি পারবো না অন্য কারো সাথে ভালো থাকতে। চলে যায় যে যার বাসায়। কিন্তু কোথায় যেনো একটু সমস্যা হয়ে গেলে। শিমুল আর শিপলু দুজনের একই ভাবনা। ও পারবেনা ও পারবেনা আমাকে ছাড়া একা ভালো থাকতে ও পারবেনা আমাদের কে ছাড়া ভালো থাকতে। যা করার আমাকেই করতে হবে। আবার তিনজনের সেই মিটিং। মিটিংয়ে শিপলু আর শিমুলের কন্ঠে একই সাথে একই কথা “তোকে থাকতে হবে না অন্য কারো সাথে তুই আমার সাথেই থাকবি। কথাটা কেমন যেনো পরিস্কার শোনালো না তন্যির কাছে। তন্যি ”এক এক করে বল প্লিজ। এবার কেনো যেনো শিপলু আর শিমুল দুজনই দুজনের দিকে তাকিয়ে। কে আগে বলবে। কেউ বুঝতেই পারে নাই কি করে দুজনেরই কথা এক হয়ে গেলো আর এখন কে আগে বলবে। কিন্তু পরিস্কার করে কেউ কিছু না বললে ও কারোরই বুঝতে কিছু বাকি থাকলো না যে সম্পর্ক টি আর জাস্ট ফ্রেন্ডস এর মধ্যে নেই। কিন্তু কাউকে কষ্ট দিয়ে কেই আগে বলার সাহস কারো মধ্যে নেই। আর কারো মধ্যে নেই অসীম দাতা হয়ে নিজের ভালোবাসা কে অন্যের মাঝে বিলিয়ে দেওয়ার মত বিশাল প্রেমিক হৃদয় যেখানে প্রশ্ন ভালোবাসা। আর তন্যি দুজনের একজন নিয়ে বাজি ধরে অন্য জনকে হারানোর মত সাহস রাখে না। তবে পরিনতি কি হবে তাদের. ........................?
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

এফএম রেডিও

লিখেছেন নাহল তরকারি, ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:২০

২০০৯ সাল। একটি ছেলে। সে তার নানা নানীর সাথে মুন্সীগঞ্জ এ থাকতো। নানা তার নাতিকে একটি মোবাইল উপহার দেয়। নকিয়া ১৬৬১। সেই মোবাইলে এফএম রেডিও ছিলো। সে... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাষ্ট্রীয় সফর, আম তারেক আর চার সিটের দূরত্ব!

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:১৪

প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নেপালে রাষ্ট্রীয় সফরে যাবেন। সস্ত্রীক আমন্ত্রণ পেয়েছেন তিনি। তখন কিশোর তারেক রহমানেরও শখ জাগল—তিনিও নেপাল যাবেন।

বাবা বুঝিয়ে বললেন, রাষ্ট্রীয় সফরে যাওয়ার আমন্ত্রণ মানেই পরিবারের সবাইকে রাষ্ট্রীয় টাকায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

শিরনাম হীন

লিখেছেন রানার ব্লগ, ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৮

তুমি চাইলেই মুঠোর ভেতর
একটা গোটা চাঁদ লুকিয়ে রাখতে পারো,
ইচ্ছে করলেই মেঘের গায়ে
শুকোতে দিতে পারো তোমার ভেজা চুল।
পুরো পৃথিবীর বিস্ময়
তোমার কাছে এসে দাঁড়ায় হাতজোড় করে,
শুধু আমার বুকের কাঁপনে
তোমার এত ভয় কেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শাহজালাল রুমি দেশ ছেড়েছেন কার ভয়ে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:০৮


থাপ্পড়-কাণ্ডের পর দেশ ছেড়েছেন শাহজালাল রুমি। টঙ্গীতে নিজের মেয়ের সঙ্গে ঘটে যাওয়া অন্যায়ের প্রতিবাদ করাই যেন কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে তাঁর জন্য। গণমাধ্যমের সামনে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি, ব্যক্তিগত বার্তায় ভয়ভীতি প্রদর্শন,... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগের ওসমান হাদী সৈয়দ মশিউর রহমানের ব্যান

লিখেছেন এল গ্যাস্ত্রিকো ডি প্রবলেমো, ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:৫০

এ আমি কী দেখলাম! ব্লগের প্রতিবাদী মুখ, ভারতের যম, ওসমান হাদীর মুখপাত্র, একাত্তরকা গণ্ডগোলের ব্যাপারে সচেতন মুখ সৈয়দ মশিউর রহমানের ব্লগটি স্থগিত অথবা বাতিল করা হয়েছে। দেশে যখন সামান্য চুমু... ...বাকিটুকু পড়ুন

×