সাম্প্রতিক সময়ে দুই মেরুর দুইটি অালোচিত সংবাদের একটি হল অামেরিকান অাহমদ নামে ১৪ বছরের এক মুসলিম ছেলের ডিজিটাল ঘড়ি অাবিষ্কার এবং ঘড়িটাকে বোমা সন্দেহে গ্রেফতার।
- -
ছেলেটি তার বানানো ঘড়িটা নিয়ে স্কুলে গেলে শিক্ষকরা সন্দেহের বশে পুলিশে ফোন করে এবং পুলিশও এসে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়।পরে পুলিশ যখন তাদের ভুল বুঝতে পারে অাহমদকে ছেড়ে দেয় ততক্ষনে পুলিশের কার্যক্রম নিয়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়।সবাই ফেবুতে হ্যাশ ট্যাগ দিয়ে অাহমেদের পাশে দাঁড়িয়েছে,স্বয়ং বারাক ওবামা অার জুকারবার্গ অাহমেদের পাশে দাঁড়িয়ে অামন্ত্রন জানিয়েছে তাদের কার্যালয়ে।
- --
দ্বিতীয় ঘটনাটি ঘটেছে অামাদের দেশেই কয়েকদিন অাগে।অদম্য বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের একটি শাখা "মজার স্কুলকে" নিয়ে।এখানে পথশিশুদেরকে খেলাচ্ছলে শিক্ষা দেওয়া হত বিভিন্ন জ্ঞানমূলক দিক নিয়ে।উদ্যেক্তা ছিল কিছু উদ্যেমী মানুষ।কিন্তু সামান্য ভুল বুঝাবুঝির জের ধরে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন করে কোনরুপ তদন্ত ছাড়াই।কিন্তু অাফসোস হচ্ছে এমন একটি ঘটনা অামরা বেশিরভাগ মানুষই জানিনা,হ্যাশ ট্যাগ দিয়ে পাশে দাঁড়াইনি অামরা কেউ।
- -
যারা দেশের মজলুমদের জন্য কিছু করতে চাচ্ছে, পথ শিশুদের নিয়ে স্বপ্ন দেখছে সুন্দর ভবিষ্যতের তাদের নিঃসন্দেহে নিরুৎসাহিত করবে এমন একটি ঘটনা।অাশাকরি খুব শীঘ্রই মজার স্কুলের সকল স্বপ্নবাজদের মুক্তি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী অামন্ত্রন জানিয়ে উৎসাহিত করবেন।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:২৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



