জয়পুরহাট সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী অামাদের ভূমিতে এসে এলোপাতাড়ি গুলি করে বীরদর্পে চলে যায়।বুলেটের তপ্ত সীসায় একজন নিহত নিহত এবং বেশকয়েকজন অাহত হয়েছে।অনেকটা চমকে উঠার মত খবর এটি,কিন্তু কেন যেন অামরা চমকে উঠিনা এমন খবরে।অামরা নীরবেই মেনে নিয়েছি কেউ একজন অামাদের উপর নির্যাতন করবে অার অামরা সবকিছু মেনে নিয়ে দৈনন্দিন কার্যাবলি পরিচালনা করব।
---
একাত্তরে অামাদেরকে দাসত্ব থেকে মুক্তির জন্য,হায়েনাদের হাত থেকে অামাদের ভুমিকে রক্ষা করার জন্য পাকিদের বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধারা অস্ত্র তুলে নিয়েছিল। দেশের সাত কোটি মানুষকে সাথে নিয়ে মুক্তিযোদ্ধারা পাকিদেরকে প্রভুর অাসন থেকে সরাতে পারলেও স্বাধীনতা কতটুকু পেয়েছি সেটা প্রশ্নবিদ্ধ। ভারতীয় বাহিনীর অামাদের ভূমিতে এসে বীনা বাঁধায় অাক্রমন করে চলে যাওয়া দেখে এটা বলা অমূলক নয় যে, অামরা স্বাধীন হতে পারিনি পেরেছি প্রভুত্বের অাসনটা পাকিদের হাত থেকে ভারতীয়দের হাতে তুলে দিতে।
---
যখন অন্যদেশের বাহিনী একটি স্বাধীন দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে অাঘাত করার সুযোগ পায় তখন স্বাধীনতার সংজ্ঞাটা নতুন করে লিখতে ইচ্ছে হয়।এসব ক্ষেত্রে সরকারের দুর্বল কূটনীতিকতা ও পাল্টা জবাব দেওয়ার মানসিকতা হারিয়ে ফেলাকে দায়ী করলে বাড়াবাড়ি হবেনা।
---
অবস্থাদৃষ্টে এটাই মনে হচ্ছে যে, ভারত রাজার অসনে অার অামরা প্রজার অাসনে। রাজা কারনে অকারনে যাই নির্যাতন করুকনা প্রজা নীরবে মেনে নিতে বাধ্য,প্রতিবাদ করলেই মৃত্যু চোখ রাঙ্গাবে।প্রজারা বিচারের শেষ অাশ্রয়স্থল হিসেবে সৃষ্টিকর্তার কাছে বিচার দেয়,অাল্লাহ্ তোর বিচার করবে।অামরাও চাপা দীর্ঘশ্বাস মুক্ত করে দিয়ে বলি "অাল্লাহ্ মজলুমের সহায় হোন"
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:০২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



