
আমাদের দেশেদের আমি যত গুলা কেরানী দেখেছি সব ছিলো ফাজিল এবং শয়তান। ২০১৫ বা ২০১৬ সালের দিকে। তখন সরকারি চাকরিতে দরখাস্ত করার জন্য কাগজপত্র ফটোকপি করে ১ম শ্রেনীর গেজেটেট কর্মকর্তা দিয়ে সত্যায়িত করতাম। বিশেষ করে বিসিএস ডাক্তারদের কাছে বেশি হতো। মানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ যাওয়া লাগতো।
ডাক্তারার তো আমার কাগজে স্বাক্ষর দিতো। কিন্তু সীল আনা লাগতো কেরানীদের কাছ থেকে। সেই কেরানীরা আমার সাথে যে বাজে ব্যাবহার করতো সেটা ভুলার মত না।
তবে এখন আমার সত্যায়িত করতে সেই স্থানে যাওয়া লাগে না। আমি আমার কলেজের প্রফেসর কাছ থেকে সত্যায়িত করে ফেলি।
আরেকজন কেরানী আছে। যে একটি কলেজে চাকরি করে। ছাত্ররা মাসিক বেতন জমা দিতো ঠিকই কিন্তু তিনি তা আপডেট দিতো না। আমার এক বন্ধু ৫০০০ টাকা দিয়ে ভর্তি হয়। ফরম ফিরাপের সময় গিয়ে দেখে তার বকেয়া+ভর্তি+ফরম ফিলাপ সহ ১৫,০০০ টাকা।
আমার বন্ধু এইটা দেখে খুব অবাক। আমার বন্ধু কেরানী কে প্রশ্ন করে “আমি তো ৫০০০ টাকা দিয়ে ভর্তি হয়েছি। সেই হিসেবে আমার ১০,০০০ টাকা হাবার কথা।“ কেরানী উত্তর দিলো “কই টাকা দিছো? রেজিষ্টারে তো টাকা জমা দেবার ব্যাপারে কোন কিছু লেখা নাই।”
আমার বন্ধু আবার সকল প্রকার টাকার রশিদ যত্ন করে রেখেছিলো। সেদিন সে বাসায় গিয়ে, রশিদ এনে কেরানী কে দেখায়। পরে শেষে কেরানী হেরে গেলো। আর আমার বন্ধু ১০,০০০ টাকা দিয়ে ফরম ফিরাম করে।
আমার প্রশ্ন সেই কেরানী কি টাকা মেরে খেতে চেয়েছিলো?? আর যারা রশিদ হারিয়ে ফেলেছিলো তারা অভিযোগ করেছিলো আমারা তো ৫০০০ টাকা দিয়ে ভর্তি হয়েছিলাম। কিন্তু রশিদ হারিয়ে ফেলেছিলাম। তাই আমাদের ভর্তির টাকা সহ ফরম ফিলাম করতে হয়েছিলো।
তাহলে এখানে বাড়তি টাকা কি কেরানী মেরে দিয়েছিলো?
আরেকটা কথা। আমাদের এলাকার সোনালী ব্যাংকে একজন পিয়ন আছে। তার ব্যাবহারও আমার কাছে ভালো লাগে না। সে নিজেকে বিসিএস ক্যাডার মনে করে। মাইন্সেরে তেমন পাত্তা দেয় না।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জানুয়ারি, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:৪১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


