
সিনহা জাহান শিখা মা হারিয়ে বেড়ে উঠছে নানীর কাছে। স্বপ্না আক্তার ঝেলির বেড়ে উঠাও অভাবের সংসারে। আর তানিয়া আক্তার তানিশার ভাগ্য তো আরও কষ্টেলেখা। নিজেদের একটি ঘরও নেই তাদের। চাচার ঘরে বসবাস করে, বাবা থাকে ঝুপড়ি ঘরে। নিজেরা ঠিক মতো উনুন ধরাতে পারেননি তবুও তিনকন্যার পরিবার মেয়েদের পাঠিয়েছেন ফুটবল খেলা শিখতে। গ্রামের মানুষের নানা কু-কথা এমনকি মেয়েদের উত্ত্যক্তের শিকারও হতে হয়েছে। কিন্তু ওরা দমে যায়নি। ভাঙা ঘর থেকে আকাশে উড়বার স্বপ্ন ওরা জয় করার পথে। ফুটবল প্রশিক্ষণের জন্য ময়মনসিংহের নান্দাইলের এই তিনকন্যা পর্তুগাল যাওয়ার জন্য চূড়ান্ত হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলেও আগামী জুলাইয়ে তারা উড়াল দিবে স্বপ্নের আকাশে। সূত্র: সমকাল।
আমি ছোটকাল থেকেই খারাপ ছাত্র ছিলাম। আমার রোল নম্বর প্রায় শেষের দিকে থাকতো। খবরের কাগজে প্রায় কারো কারো সাফল্যের গল্প ছাপানো হতো। যেমন A+ পেয়েছে রিক্সা ওয়ালার ছেলে। চাঁদের আলোতে লেখা পড়া করে মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে মিষ্টার ক। এই খবর পড়ে আমার নানা নানী, বাপ মা সবাই আমারে ওদের সাথে তুলনা দিতো। তুলনা বললে ভুল হবে, বলতে পারেন খোটা দিতো। এখন ওদের না হয় মুখস্ত বিদ্যায় পারদর্শী। একবার পড়লেই তারা সব মুখস্ত করতে পারতো। কিন্তু আমি ১০ বার পড়লেও কোন কিছু মুখস্ত হতো না। এটা কি আমার দোষ?
যাই হউক। এই ফুটবল খেলোয়ারদের আন্তরিক অভিন্দন। আমি তাদের সাফল্য কামনা করি।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে এপ্রিল, ২০২২ সকাল ১১:০৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


