somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিএসএফ ও অনুপ্রবেশকারীদের হাতে 439 বাংলাদেশী নিহত

১২ ই আগস্ট, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:৫৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) এবং ভারতীয় অনুপ্রবেশকারীদের হাতে 2001 সালের 10 অক্টোবর হতে চলতি মাসের 10 আগষ্ট পর্যন্ত এই 4 বছর 10 মাসে 439 জন বাংলাদেশী নাগরিক নিহত হয়েছেন। দেশের শীর্ষস্থানীয় সংবাদপত্রসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন এবং নিজস্ব তথ্যানুসন্ধানের ভিত্তিতে মানবাধিকার সংগঠন অধিকার প্রণীত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়। [আন্ডার]এরমধ্যে শুধু বিএসএফ'র হাতে নিহত হয়েছে 373 জন[/আন্ডার]।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিএসএফ'র অব্যাহত অনুপ্রবেশ, এদেশের নাগরিকদের গুলি করে হত্যা, অপহরণ এবং লুটতরাজের ফলে সীমান্তে মানবিক বিপর্যয়ের সৃষ্টি হয়েছে। বিএসএফ'র আগ্রাসনের কারনে সীমান্তবতর্ী এলাকার মানুষেরা আতংকের মধ্যে থাকেন।

অধিকারের প্রতিবেদন বিশেস্নষণ করলে দেখা যায়, বাংলাদেশের উত্তর ও দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্তবতর্ী এলাকায় বিএসএফ'র আচরণ আগ্রাসী ধরনের। বিএসএফ এবং ভারতীয় অনুপ্রবেশকারীদের হাতে নিহতদের বেশীর ভাগই কৃষক। মাঠে কৃষিকাজ করার সময় বিএসএফ সদস্যরা তাদের গুলি করে হত্যা করার পর লাশ ভারতের ভেতর নিয়ে যায়। এছাড়া কিছু কিছু ক্ষেত্রে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ায় পর হত্যা করা হয়। বিচার বহিভর্ূত হত্যাকাণ্ড এবং মানবাধিকার লংঘনের এরূপ ঘটনার ব্যাপারে বিএসএফ ও বিডিআর-এর বিওপি কোম্পানী কমান্ডার থেকে শুরু করে মহাপরিচালক পর্যায়ে বহু পতাকা বৈঠক ও সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলেও এর কোন প্রতিকার হয়নি। সম্মেলন চলাকালেও বিএসএফ'র আগ্রাসী মনোভাব লক্ষ্য করা গেছে।

ঐসময়ে 439 জন বাংলাদেশী নাগরিক নিহত হওয়া ছাড়াও 374 জন আহত, 443 জন গ্রেপ্তার, 496 জন অপহৃত, 8 শিশুসহ 82 জন নিখোঁজ এবং 7 জন নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এরমধ্যে চলতি বছরে 83 জন বাংলাদেশী নাগরিক নিহত, 128 জন আহত, 14 জন গ্রেপ্তার, 100 জন অপহৃত, 31 জন নিখোঁজ, 2 জন নারী ধর্ষণের শিকার এবং 8টি লুটের ঘটনা ঘটেছে।

ঃঃ দৈনিক ইত্তেফাক ঃ 13.08.2006 ঃঃ
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
৮টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কবিতাঃ দহনবেলার কহন কথা

লিখেছেন ইসিয়াক, ১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৭:১৫




বুকের অভিমান, ক্ষত লুকিয়েছি মনে


নিঝুম রাতের সঙ্গী তারা গভীর গোপনে।


অচেনা নক্ষত্র জ্বলে নেভে দুরে একাকী 


বিচ্ছিন্নতার উপমা হিসেবে নিজেকেই রাখি। 


আসমুদ্রহিমাচল জ্বালা বুকে তবু দায়িত্ববান 


হাজার দহনে পুড়ে খাঁটি শিখা অনির্বাণ।


© রফিকুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০০১ সালেও বিএনপিকে ডোবানোর দায়িত্ব নিয়েছিল টুকু!

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৫১


ভয়াবহ লোডশেডিং। মধ্যরাতে ঢাকবাসীর হাঁসফাঁস। হঠাৎ করে এতো লোডশেডিং হওয়ার কোন কারণ নেই অথচ মধ্যরাতে ভয়াবহ লোডশেডিং। গ্রামে বিদ্যুৎ থাকেনা বললেই চলে। গ্রামে বিদ্যুৎ যাওয়ার সময় আছে কিন্তু আসার... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশে বাষ্ট্রপতি নির্বাচন নাকি রাষ্ট্রীয় খরচে তামাশা!!!

লিখেছেন শাহিন-৯৯, ১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:১৭


বাংলাদেশে সম্মানিত রাষ্ট্রপতি (হবু)


নির্বাচন, এই শব্দটি শুনা মাত্র যে বিষয়টি আমাদের মাথায় আসে তা হচ্ছে ভোট প্রদানের যোগ্য ভোটারদের স্বাধীন ভোটের মাধ্যমে একজন যোগ্য ব্যাক্তিকে দায়িত্ব অর্পণের জন্য নির্বাচিত করা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ ভাড়াটে কান্নাকারী

লিখেছেন রাজসোহান, ১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



লোকে ভাবে আমরা কান্না বিক্রি করি। আমরা কান্না বিক্রি করি না। আমরা শব্দ বিক্রি করি।

শোকসভায় সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো নীরবতা। বক্তা বক্তৃতা শেষ করে বসে পড়লেন, পরের বক্তা এখনো মাইকের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের টিভি তে কি দেখতে চাই না

লিখেছেন অপলক , ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৫৭




ওপার বাংলা আর এপার বাংলা মানে কোন দেশের কোন অঞ্চল বোঝায়, সেটা কমবেশি সবাই জানি। কিন্তু দু'বাংলার সংস্কৃতি বেশির ভাগটাই আলাদা। শব্দ উচ্চারন থেকে শুরু করে মন মানসিকতা,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×