somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

হাসিনা বুবু আপনাকে বলছি............. মনোযোগে দিয়ে শুনুন।

১৯ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ৯:৫১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সেই ৫ মার্চ শুরু এই সীমাহীন ভোগান্তির। দয়া করে ক্ষ্যামা করে দেন ম্যাংগো পিপলদের। একটা সভ্য সার্বভৌম দেশে নির্বাচিত সরকার জনসাধারনকে মাসের পর মাস নরকের আগুনে পোড়াতে পারে তা শাহবাগকে না দেখলে কারো বোধোদয় হবেনা। দেশে স্বাধীন বিচার বিভাগ আছে, আইন বিভাগ আছে এবং যুদ্ধাপরাধ তথা মানবতা বিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য গঠিত ট্রাইবুনাল আছে। যারা একাত্তরে ধর্মরক্ষা নামে বাংলার মানুষের জীবন নিয়ে উন্মত্ততায় লিপ্ত হয়ে ধ্বংসলীলা চালিয়েছে তাদের বিচার এই বাংলার মাটিতেই সম্পন্ন হোক এটা জাতির দাবী ক্ন্তিু একে রাজনীতির হাতিয়ার বানালেন কেন? আপনার ইচ্ছেমত ট্রাইবুনাল গঠন করে আবার আপনিই তাকে অবমাননা করলেন যদিও আপনার বিরুদ্ধে সুপ্রিমকোর্ট রুল জারি করেনি। যাইহোক ট্রাইবুনালের কাজ ট্রাইবুনালকেই করতে দেন। প্রয়োজনে আরো ডজনখানেক বিাঘা প্রসিকিউটর নিয়োগ দেন কিন্তু ......
আপনার ইশারায় আপনার সুসন্তানদের প্রটোকলে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তায় ব্লগার নামধারীদের দিয়ে যে নাটক শুরু করছেন তার ইতি টানুন। এটা এখন আর জাগরন নয় প্রহসন। জাতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করতে শুরু করেছেন। কোন ব্লগের ব্লগার এই ইমরান? হ্যারিকে টমাস (নাজমুল) কোন অনলাইন একটিভিস্ট? যারা আমরা আন্দোলন শুরু করেছি, সমর্থন করেছি বোধ করি তার বিশাল অংশ নাটকের মূলপর্ব বুঝে গিয়েছি যার দরুন সেই পথে আর হাটছিনা। আইন সংশোধন করেছেন, প্রসিকিউটর নিয়োগ দিয়েছেন এখন দাবী সর্বচ্চ শাস্তি কিন্তু শাহবাগের এই নাটক কেন? শাহবাগে পথচারী ছাড়া আর ক’জন লোক আছে বলুন? রাস্তা বন্ধ করে জরাজীর্ন যানযটের ঢাকাকে নরকে পরিনত করেছেন।
আপনি ভুলে গেছেন বোধহয় নাটকের মঞ্চের পাশেই সুফিয়া কামাল গনগ্রন্থাগার, একদিন ভিতরে এসে দেখুন না কি কষ্ট করে জাতি শ্রেষ্ঠ সন্তানরা সংগ্রাম করছে একটা পারিবার বাঁচানোর, দেশ বাঁচানোর। নাকি বিরোধী নেত্রীর মত বলবেন এরা নষ্ঠ সন্তান যারা গনজাগরন মঞ্চ মাড়িয়ে গ্রন্থাগারে যায়? বলতেই পারেন, অসম্ভব না আপনাদের জন্য! একদিকে দেশের সহিংসতায় মরছে শয়ে শয়ে মানুষ অন্য দিকে একটা জাতিকে ঘুনে ধরাতে যা দরকার তা করছে শাহবাগি এর ইমরান-নাজমুল পরিষদ।
শাহবাগে যারা গলা ফাটিয়ে চৌচির করেন তাদের সংগ্রাম করতে হবেনা। ওরাতো আপনারই সন্তান তাদের ভরনপোষন এর দায়িত্ব যদি তারা নেয় তাইলে পরে আপনি আছেন কি কত্তে! তাদের হাতে একটা ডান্ডি কার্ড(মুক্তিযদ্ধের চেতনার ফেরিওয়ালার সার্টীফিকেট) ধরিয়ে দিবেন এবং তোর সুফলে ভেসে যাবে তার বংশধরেরা।
আর আমরা ম্যাংগো পিপলরা? আমাদের জীবন গড়ার পরিবর্তে তিলে তিলে ধ্বংস করে দিবেন। আপনার জনগনের দাবী মতে জাতির কুলাংগারদের ফাসি দিয়ে দেন তাইলেতো মিটে গেল তো এত নাটকের কি দরকার? জামাত শিবির এখনও আন্দোলন করছে, দেশ অচল করছে তখনও করবে, তাহলে এটাকে টেরন লম্বা করার দরকার কী?

পরিশেষে অনুরোধ সমাবেশ করবেন করেন আমাদের মাইরেন না। প্রতিটি সেকেন্ড গ্রন্থাগারের প্রতিটা প্রান আপ্রান লড়ে যাচ্ছে একটা সুন্দর দেশ গড়ার প্রত্যয়ে। ধ্বংস না করে সুযোগ দেন। বড় মসজিদের শুক্রবারের বয়ান ছোট্র মসজিদের নামাজ আদায় করার প্রতিবন্ধক হয়ে দাড়ায়। বয়ান নামাজের চেয়ে উত্তম নয় কোন বিচারেই। বয়ান করলেই স্পীকার দিয়ে মসজিদের ভিতরে করাই শ্রেয় মাইকে কেন?
যত পারেন জাগরন ঘটান আমাদের জাগায়েননা।
যত পারেন স্লোগান দেন আমাদের দেওয়ায়েন না।
যত পারেন আগুন জ্বালান আমাদের জালিয়েননা।
যা করার দরকার ওখানেই করেন আমাদের আর শেষ করিয়েন না!
আমাদের ডান্ডি কার্ড নাই তাই শতকরা ৪৫ জনের একজন হিসেবে জায়গা করতে হবে আমাদের। একটু শান্তিতে পড়তে চাই গ্রন্থাগারে। আপনার বাড়ীর সামনে পিছনে অনেক খালি জায়গা আছে ওখানে নেননা সাহস থাকলে?
৪টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

লিখেছেন নতুন নকিব, ১১ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:০৩

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

মানুষের জীবন মূলত অসংখ্য ছোট-বড় সিদ্ধান্তের সমষ্টি। প্রতিটি বাঁকে, প্রতিটি মোড়ে আমাদের কোনো না কোনো... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

লিখেছেন আঘাত প্রাপ্ত একজন, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:২৬

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

[সম্ভাবনার ক্রমানুসারে নয়ঃ]

আর্জেন্টিনা: আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ তার ডিফেন্স আর ইনজুরি । ৩৮ বছরের তরুণ(!) সেন্টারব্যাক ওতামেন্দি আর কমপক্ষে এক হালি হাফ-ফিট ফুটবলার নিয়ে ১৯ জুলাই পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ শরৎ বন্দনা

লিখেছেন ইসিয়াক, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:৫৯


শরৎ এলেই আকাশ জুড়ে সাদা মেঘের ভেলা
দিনমণি আর মেঘমালার লুকোচুরি খেলা।

রুম ঝুমঝুম নূপুর পায়ে ছুটছে নদীর ঢেউ
ভাটিয়ালি গাইছে গান অচিন সুরে কেউ।

বিলে ঝিলে শাপলা পদ্ম... ...বাকিটুকু পড়ুন

×