ক্রীতদাস হিসেবে বিক্রির জন্য নিয়ে যাওয়া ৮৯ জন বাংলাদেশীকে থাইল্যান্ডের একটি জঙ্গল থেকে উদ্ধার করেছে থাই সরকার! লোকগুলো দীর্ঘদিন কোন খাবার না পেয়ে শুধু গাছের পাতা খেয়ে জীবন ধারণ করছিল৷
যারা উপরতলার মানুষ তারা খুব সহজেই বলবে অবৈধ পথে এভাবে যায় কেন? অবশ্য এভাবে যাওয়া আদৌ ঠিক নয়! কিন্তু মানুষ কতটা অসহায়, কষ্টে জীবনযাপন করলে এরকম জীবনের ঝুকি নিতে বাধ্য হয় এই হিসাব কেউ করবে না৷
দেশে কাজ নাই৷ বাংলাদেশের সব বড় শ্রমবাজারগুলো বন্ধ৷ বেকার সমস্যার সমাধানে এবং একটু ভাল থাকার আশায় মানুষগুলো জীবনের ঝুকি নিয়ে এভাবে প্রতারিত হতে বাধ্য হচ্ছে৷ সরকারের জোর প্রচেষ্টা চালানো উচিত মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ভিসা খুলে দেওয়ার জন্য৷ এই লোকগুলো হুট করেই এইভাবে যায় না৷ অনেকেই দীর্ঘদিন যাবত বিদেশে শ্রমিক ভিসায় যাওয়ার চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে এরকম সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়৷
অনেকেই হয়ত জনসচেতনতা বৃদ্ধি করে, দোষীদের শাস্তি দাবী করে এই ঘটনা বন্ধের চিন্তা করবে৷ কিন্তু আসল সমস্যার কথা কেউ ভাববে না৷ আপনি মোটামুটি পরিবার পরিজনের সবাইকে নিয়ে তিনবেলা ভালভাবে খেয়ে সুস্থ্যভাবে জীবনধারণ করতে পারলে এই রিস্ক নিতে যাবেন না৷ এতবড় ঝুকি তখনই নিবেন যখন লেখাপড়া শিখে চাকরি পাচ্ছেন না, অথবা কর্মক্ষম হয়ে পরিবারের লোকজনের মুখে খাবার তুলে দিতে পারছেন না৷
উদ্ধার হওয়াদের একজন দুই সন্তানের জনক তার পরিবারের নিকট ফিরে যাওয়ার আকুতি করছে৷ মানুষ কতটা অসহায় হলে নিজের স্ত্রী সন্তান রেখে এরকম অনিশ্চয়তার পথে পাড়ি দেয়!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



