ফটিক, ফেকু আর ফজু।
তিন চরিত্র।
ফেকু আর ফজু দুই ভাই। ফটিক পাশের বাড়ির। জমি নিয়ে ফটিকের দাদার সাথে ফেকু-ফজু'র দাদার মামলা অনেক দিনের। দাদা দু'জন মারা গেছেন অনেক দিন। বাপেরা বুড়া হইছে মোকদ্দমা আগের মত চালাইতে পারেন না।
তাই দুই পরিবারের্ তিন পুত্র এখন মাঠে।
ফেকু ও ফজু'র মধ্যে ফজু ছোট। কিন্তু ইদানিং ফজু'র কিছু পয়সা হইছে। পরিবারে তাই এক-আধটু মাতবরী করতে চায়। বড় ভাই ফেকু'র সেটা সহ্য হয় না। আবার কিছু কইতেও পারে না। কারন ইদানিং পরিবারের লোকজন ফজুরে মানা শুরু করছে।
ফজু পরিবারের বাহিরেও তার মাতবরী শুরু কইরা দিছে। তা নিয়া ফটিকের লগে তার রেসারেসি।
ফটিক মনে মনে খেলা সাজায়।
ফেকু'র মনে জ্বালা ধরায়।
শেষে একদিন লোভে ফালায়।
কয় - বিষ দিয়া ফজু'রে মাইরা লা। টের পাইব না কেউ।
ফেকুও তাই করে।
বিষ দেয় খাওনে; ফজু মুখে ফেনা উইঠা মরে।
হাসরে তিনজনের বিচার হয়।
আল্লাহ কয় -
ফজু ! তোরে আমি ধনি বানাইছি, কিন্তু তুই মানুষের লগে খারাপ আচরন করছস। তুই এক নাম্বার শয়তান।
ফটিক !! তুই দুনিয়ার লোভে মানুষ খুন করার পরিকল্পনা করছস। তুই ডাবল শয়তান।
আর ফেকু !!! তুই পয়সার লোভে মােয়ের পেটের ভাইরে খুন করছস। তুই হইলি তিন ডাবল শয়তান।
খবরের সব যদি সত্যি হয় - এক বিএনপি নেতা, পয়সা দিয়া আ.লীগের এক নেতারে মারছে আ.লীগের আরেক নেতারে ব্যবহার কইরা।
এখন অপরাধের র্যাংকিং আপনারা বুইঝা লন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


