somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সম্পর্ক

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সাহেদের ফোনে পরপর কয়েকটা ম্যাসেজ এলো প্রথমে পাত্তা না দিলেও বারবারই ম্যাসেজ টোন বাজায় সাহেদকে ডাক দিলাম কিন্তু সাড়া পেলাম না নিশ্চই সিগারেট খেতে বাইরে গেছে ৷ অনেক মানা করেছি আর খাইনা বলে কিন্তু আমি বুঝি সে খায় এখনো ৷ ম্যাসেজ আসা থামছেনা কয়েক মুহূর্ত পরপরই ম্যাসেজ আসছে ৷ বুঝলামনা এতো ম্যাসেজ কে দিচ্ছে ওকে? ফোনই তো দিতে পারে ৷ ফোনটা হাতে নিয়ে সংকোচ হচ্ছিল মাত্র সাতদিন আমার আর সাহেদের বিয়ের বয়স এখনই পার্সেনাল ব্যাপারে ওকে না জানিয়ে দেখা কি ঠিক হবে? কিন্তু তাতে কি? বিয়ে না হয় সাতদিন প্রেম করেছি তিন বছর সো আমার রাইট তো থাকেই হুহ ৷ এসব ভাবতে ভাবতেই হো হো করে হেসে ফেললাম আমি ৷ আরে সাহেদ তো আমারই ওর আর আমার মাঝে পার্থক্য আছে নাকি যে এতো ভাবছি? ফোনটা অন করলাম কিন্তু ইনবক্সে ঢোকা যাচ্ছিলোনা পাসওয়ার্ড চাইছে কি আশ্চর্য ইনবক্স লক করলো কেনো সাহেদ? সাহেদকে আমি কখনো সন্দেহ করিনি আর করবোও না কিন্তু কেনো যেনো বুকের ভেতর কেমন যেনো করতে লাগলো ৷ যতবার ভাবছি এমনি হয়তো লক করেছে কিন্তু ততবারই ইনবক্সই কেনো লক এই প্রশ্ন মাথায় আসছে ৷ নোটিফিকেশন বার টান দিয়ে নিচে নামালাম কারন ম্যাসেজের কিছু অংশ ওখানেই পড়া যায় কিন্তু অনেক ম্যাসেজ হওয়ায় শুধু কতগুলো ম্যাসেজ সেটাই লেখা আর কিছুনা ৷ নম্বরটা Madness লিখে সেভ করা ৷ কেনো যেনো আরো খটকা লাগলো নরমাল মানুষের নাম এইসব দিয়ে সেভ করা থাকেনা ৷ এটা দিয়ে কেনো সেভ করা কারো নাম তো দিতে পারতো ৷ Madness কেনো লিখলো? ফোনটা রেখে দিলাম সাহেদ এসে কয়েকবার ডাকলো কিন্তু আমি ঘুমের ভান করে ছিলাম সেও শুয়ে পড়লো ৷ কেনো যেনো ওর সাথে কথা বলতে চাইছিলাম না ৷ কারণ ওই নম্বরটা ওই ম্যাসেজগুলো ৷ কে হতে পারে কেনো এতো প্রাইভেসি ইনবক্সে এসব ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে পড়লাম ৷

সকালে উঠে দেখি নয়টা বাজে এতোটা দেরী করে ফেললাম উফ ৷ সাহেদ অফিসের জন্য রেডী হয়ে গেছে ৷ আমি নতুন বউ এতো লেট বাড়ীর লোক কি ভাববে ইশ ৷ তারাতারী ফ্রেশ হয়ে রান্নাঘরে চলে গেলাম ৷ সাহেদ অফিস চলে গেলো খুব একটা কথা হলোনা ওর সাথে ৷ সারাদিন শ্বাশুড়ী ননদদের সাথে গল্প আর কাজের মধ্যে রাতের ব্যাপারটা একদমই মনে ছিলোনা কিন্তু বিকেলে সাহেদ বাসায় ফেরার সাথে সাথে ওকে দেখেই মনে পড়ে গেলো ৷ আবারো বুকের ভেতর কেমন যেনো একটা অশান্তি ফিল হচ্ছিলো ৷ আমি চাইছিলামনা কোনভাবেই সাহেদকে সন্দেহ করতে কিন্তু আপনাআপনই প্রশ্ন এসে সামনে দাড়িয়ে যাচ্ছিলো ৷ আমি রিল্যাক্স হবার চেস্টা করলাম ৷ চা নিয়ে রুমে গেলাম সাহেদ ফ্রেশ হয়ে চা খাচ্ছিলো আমি বললাম তোমার ফোনটা দাওতো আমার এমবি শেষ একটা মেইল আসার কথা চেক করবো ৷ সাহেদ বরাবরের মতই ফোনটা আমার হাতে দিয়ে দিলো ৷ আমার এবার নিজেরই খারাপ লাগতে শুরু করলো অকারণেই সাহেদকে ভুল বুঝছি নাহলে এতো ইজিলি কখনোই ফোনটা দিতো না ও আমাকে ৷ আগেও যখনই চাইতাম দিয়ে দিতো কখনো না করেনি ৷ নাহ আমারই ভুল হচ্ছে ৷ তবুও ম্যাসেজে ক্লীক করলাম কি আশ্চর্য লক তো নেই ৷ ইনবক্স ওপেন হলো কিন্তু সেই Madness নামে সেভ করা নম্বরের কোন ম্যাসেজ নেই ৷ আমার হৃদপিন্ডের স্পন্দন মনে হয় বন্ধ হয়ে গেলো ৷ কেনো নেই সেই ম্যাসেজ? ডিলিট করে দিয়েছে কেনো সাহেদ? এখন ম্যাসেজ নেই লক ও নেই? অনেক প্রশ্ন আসছিলো মনে কিন্তু সাহেদকে জিজ্ঞেস করার সাহস হচ্ছিলো না ৷
বাথরুমে অনেক্ষন হাত দিয়ে মুখ চেপে কাদলাম ৷ সাহেদ কি লুকাচ্ছে? কাকে আড়াল করছে আমার থেকে? এসব প্রশ্নে আমার নিজেকে খুব অসহায় লাগছিলো ৷ এতেদিন ওকে চিনি কখনো তো এমনটা হয়নি ৷ আজ কেনো হলো? কেনো এমন নামে কোন নম্বর সেভ করলো কেনই বা ম্যাসেজগুলো ডিলিট করলো? কোন উত্তর জানা নেই আমার ৷ অজানা ভয় চেপে ধরলো আমাকে ৷ কিন্তু কিসের ভয় আমি জানিনা ৷ হয়তো সাহেদকে হারিয়ে ফেলার ভয় ৷
সেদিনের পর আরো এক সপ্তাহ চলে গেছে আমি ব্যাপারটাকে আমার মিস্টেক ভেবেই ইগনোর করে গেছি ৷ হয়তো এমনি ডিলিট করেছিলো এমনটা ভেবে নরমাল হবার চেস্ট করছিলাম ৷ হচ্ছিলাম ও ৷

আমি আর সাহেদ খেলা দেখছিলাম আমরা দুজনেই ক্রিকেট প্রেমী
বাংলাদেশের ওয়ানডে হচ্ছিলো ৷ সাহেদের ফোনে কয়েকবার ম্যাসেজটোন বাজলো ৷ সাহেদও টাইপ করছিলো আবার পাল্টা ম্যাসেজটোন আবার সাহেদের টাইপ ৷ বুঝতে পারছিলাম চ্যাট করছে কিন্তু এতক্ষন সে আমার গা ঘেসে বসে ছিলো এখন এমনভাবে বসে ফোন টিপছে যেনো আমার থেকে ফোনটা আড়াল করছে ৷ ব্যাপারটা ভালোলাগলোনা আমার ৷ কিছুক্ষন পর ম্যাসেজ টোন অফ করে দিলো সে ৷ কিন্তু ম্যাসেজ আসছিলো বুঝতে পারছিলাম সে রিপ্লাই করছিলো সেটাও বুঝছিলাম ৷ খুব খারাপ লাগতে শুরু করলো আমাকে কেনো হাইড করছে সাহেদ
সে ফেবুতেও কারো সাথে চ্যাট করলে আমার থেকে লুকোয়না সামনেই করে হঠাৎ তার ইনবক্সটায় এতো লুকোচুরি কেনো এলো? এতোই লুকোচুরি যে ম্যাসেজ টোনটাও অফ করে চ্যাট করতে হচ্ছে? আমি খেলা ছেড়ে উঠে গেলাম কিন্তু সাহেদের আমার দিকে বিন্দু মাত্র খেয়াল নেই ৷ যেনো ঘরে সে একাই আর কেউ নেই ৷ খুব অভিমান হচ্ছিলো ৷ এরকম প্রায় দিনই হতে লাগলো ৷ সাহেদ আমাকে প্রচুর সময় দেয় ভালোবাসে তবে কিছু সময় যেনো তার একান্তই ব্যাক্তিগত যা তার ফোনের ভেতরে আটকানো ৷ যার কাছে আমি পৌছতে পারছিলামনা ৷ সাহেদকেও জিগেস করতে পারছিলামনা শেষ পর্যন্ত যদি কিছু না হয় ও কি ভাববে তখন? আমার ভালোবাসাটা ফেইক প্রমান হবে জাস্ট এই ভয়ে তাকে সরাসরি কিছু বলতেও পারছিলামনা ৷ কি করবো বুঝতে না পেরে বরাবরেই মতই সোনালীকে নক করলাম ও আমার জীবনের কোন কথা জানেনা সেটাই আমি জানিনা এমনই সম্পর্ক ৷ কিন্তু এই ব্যাপারটা ওকে বলতেও মন সায় দিচ্ছিলো না শুধু শুধু সাহেদ ওর কাছে ছোট হয়ে যায় যদি? ও যদি অন্য কিছু ভাবে? তবুও নিজেকে হালকা করতে ওকে বললাম, সোনালী সাহেদ মেবী কিছু হাইড করছে আমার থেকে ৷ সোনালী বার বার জানতে চাইছে কি হয়েছে খুলে বল বলবোনা বলবোনা করে কীভাবে যেনো বলেই ফেললাম ৷ সবটাই বললাম সাথে এটাও বললাম দেখ দোস্ত আমি ওকে সন্দেহ করতে চাইনা কিন্তু ব্যাপারগুলো কে হেলাফেলাও করতে পারছিনা ৷ সোনালী বললো আমি তো সাহেদকে অনেকদিন চিনি সো আমি কি কথা বলে দেখবো? আমি বললাম কিন্তু ও যদি ভুল ভাবে? সোনালী বললো ভুল ভাবার মতো করে কি বলবো নাকি? নরমালী কথা বলবো আজ দু তিন দিন পর ইনডিরেক্ট কিছু এক্সাম্পল শোনাবো যে এক ফ্রেন্ড এরকম করেছে সো সে যদি অপরাধ করেই থাকে তার এক্সপ্রেশনই সব উত্তর দিয়ে দেবে ৷ ভেবে দেখলাম বুদ্ধীটা ভালো বললাম ওকে ফোন কর তাহলে এখনই ৷ বলে রেখে দিলাম ৷
সাহেদ ওয়াশ রুমে ওর ফোন বাজলো সোনালীই দিয়েছে ফোনের কাছে যেতেই বুকের ভেতর ধক করে উঠলো

Madness Calling......

সাহেদ বের হলো আমি পাশে সরে গেলাম ৷ দোয়া পড়তে লাগলাম যা মনে আসছে তা যেনো ভুল হয় কিন্তু না সাহেদ ফোনটা ধরেই একটু চুপ থেকে এরপর বললো সোনালী কি অবস্থা কেমন আছো?? আমার আর বুঝতে বাকী রইলোনা আমার এতোদিনের লুকোচুরীর নায়িকা আমারই বেস্ট ফ্রেন্ড ৷ তার নম্বরটাই Madness দিয়ে সেভ করা ৷ তার ম্যাসেজগুলোই ডিলিট করে দিয়েছিলো সাহেদ ৷ সোনালীকে সবটা জানিয়েছি ও ফোন করে হয়তো বলেই নিয়েছে নরমালভাবে যেনো সাহেদ কথা বলে ৷ কিন্তু তারা কেউ ই জানলোনা কল টা আমি দেখে ফেলেছি ৷ এমনি হলে কিছু হতোনা কিন্তু ওই নামটাই তো বলে দিচ্ছে সম্পর্ক টা কি তাদের ভেতর ৷ সোনালী সাহেদের পাগলামোর কারণ ৷ তবুও সাহেদকে প্রশ্ন করেছিলাম যদি আমার ধারণাটা ভুল হয় এই আশায় ৷ কিন্তু না সাহেদ নিজেও স্বীকার করে ফেললো হ্যাঁ সে সোনালী কে পছন্দ করতে শুরু করছে তাও নাকি তার মনের অজান্তেই ৷ হাস্যকর লাগছিলো কথাগুলো শুনতে ৷ যদি এমনটাই হবে সাহেদ তো পারতো আমাকে বিয়েটা না করতে কেনো এভাবে তিনটা জীবন এলোমেলো করলো ও? উত্তর দিতে পারেনি সে ৷
কখন দুর্বল হয়ে পড়েছে সে নাকি বোঝেনি ৷ এতো ইজিলি যে মানুষ কথাগুলো বলতে পারে তাকে আর ফেরানোর চেষ্টা করা যায় না ৷ ছেড়ে এসেছিলাম তাকে ৷ সে ফিরিয়ে নিতে আসেনি আমাকে কিন্তু আমি প্রতিদিন অপেক্ষা করেছি তার জন্য ৷ সোনালীর সাথে আর কখনো কথা বলিনি শুধু একটা টেক্সট করেছিলাম, যদি বলতি সাহেদকে তোর ভালো লাগে হয়তোবা অনেক কিছুই অন্যরকম হতো ৷ এতো লোক আড়ালে হাসতোনা, আঙ্গুল তুলতোনা ৷ আমার সাহেদ কে দেখে রাখিস ৷
সোনালী দেখে রেখেছে আমার সাহেদ কে ৷ আমাদের ডিভোর্সের দু বছর পর তারা বিয়ে করেছে ৷ কতো সুন্দর সংসার করছে তারা ৷ মাঝে মাঝে ভাবতাম কতোটা বোকা ছিলাম ৷ দুজন আমার নাকের ডগার ওপর দিয়ে সম্পর্ক করে গেলো কিচ্ছু বুঝিনি ৷ অবশ্য দুজনের নিখুত অভিনয় প্রশংসার যোগ্য ৷
সোনালীর নাকি এ নিয়ে চতুর্থবার মিসক্যারেজ হয়েছে ডক্টর বলেছে সে আর কোন দিন মা হতে পারবেনা ৷ কিছুদিন আগে ওর বোনের সাথে দেখা হয়েছিলো শুনলাম সাহেদ নাকি আবার বিয়ে করছে ৷ সোনালী মা হতে পারবেনা তাই ৷ শুনে হাসি পেলো ৷ বাসায় ফিরে কড়া করে এক মগ কফি বানিয়ে খেতে খেতে ভাবছিলাম "যে একজনের হতে পারেনা সে কখনো একশ জনেরও হতে পারেনা" আমি কখনো চাইনি আমার কষ্টটা কারো কাছে ফিরে যাক ৷ কিন্তু তবুও!! বিধাতা আছেন ৷ :-)





সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৪৮
৫টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অশনি সংকেত

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৪০


কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকা থেকে নিখোঁজ অপ্রতিম নামের ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার দুপুর ১ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কের পাশের একটি জঙ্গল থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

এই ধরণের মানুষগুলোই বি,এন,পি-কে আবারও ডোবাবে!

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:০১



পড়ালেখার পিছনে টাকা খরচ করা 'টাকা পাচার'?
যারা বিদেশে পড়ালেখা করতে যান, তাঁরা কি দেশের টাকা লুট করে নিয়ে যান, নাকি নিজের বাপের টাকায় পড়ালেখা করেন?

পড়ালেখার... ...বাকিটুকু পড়ুন

এক কাপ চা, আর ফিরে দেখা ২০০৯-এর সেই দিনগুলো

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৯:০১



এক কাপ চা, আর ফিরে দেখা ২০০৯-এর সেই দিনগুলো

কিছু জায়গা শুধু জায়গা নয়—সেগুলোর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে আমাদের জীবনের একটি সময়, কিছু মানুষ, কিছু অভ্যাস আর অসংখ্য ছোট ছোট স্মৃতি।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের ফরেন কারেন্সি আয়ের মাধ্যম কি?

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৩০



প্রায় বিশ কোটি মানুষের এক লক্ষ সাতচল্লিশ হাজার বর্গ কিলোমিটারের দেশ বাংলাদেশ। আর বাংলাদেশের ফরেন কারেন্সি আয়ের মাধ্যম মাত্র: - রেমিট্যান্স আর পণ্য রপ্তানি।

রেমিট্যান্স: সাধারণত কোনো ব্যক্তি যখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

জীবনের স্টেশনে

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৫:৫৭

রেল স্টেশনে অপেক্ষা। ট্রেন আসছে। এখনো ঐ দূরে। কিন্তু তার আগমন দেখলেই আমার ভেতরে এত কন কন করে উঠে কেন জানি না। কেন এই কষ্ট বারবার হয়?... ...বাকিটুকু পড়ুন

×