২৫ তারিখ সকাল ২০০৯
রাজনগর...রাঙ্গামাটি
বিডিআর কর্মকর্তা ডিএডি রিয়াজ (লেফটেন্যান্ট পদমর্যাদার) ২৫ তারিখ ভারপ্রাপ্ত সিও মেজর কর্তৃক ঘটনাটা জানার পর সিও কে একটা উপায় বলেন,‘‘ যেহেতু পুরো ব্যাটালিয়ন এর সবার জন্য নতুন এমুনিশন (গুলি) আনা হয়েছে, এই কথা জানিয়ে পুরাতনগুলো নিয়ে আসি,স্যার।’’ সিও রাজি হন। বিজিবি কর্মকর্তা রিয়াজ ৭টি স্পটের ৬টি নিজে কালেক্ট করেন অন্য ১টি একজন জেসিও দিয়ে আনান এবং কোত...যেখানে গোলাবারুদসহ অস্ত্র রাখা হয় সেখানে তালা দিয়ে ভারপ্রাপ্ত সিও এঁর কাছে চাবি বুঝিয়ে দেন আর বলেন,‘‘ স্যার জীবন থাকতে যেন এই চাবী অন্য কারোর কাছে না যায় এবং অনুগ্রহ করে আমাকে ছাড়া বাইরে বের হবেন না।’’
২০০৯ সালে
বিডিআর কর্মকর্তা ডিএডি রিয়াজ এর অনন্য কৌশলের জন্য তাঁর ব্যাটালিয়ন রাজনগর এ বিডিআর বিদ্রোহ সৃষ্টি হতে পারেনি। তাঁর সততা , দক্ষতা এবং পরবর্তী কাজের মূল্যায়ন সরূপ তাঁকে রাষ্ট্রপতি বিজিবি পদক প্রদান করা হয়।
২০০৯ সালের আগেই তিনি ক্যাপ্টেন পদমর্যাদার অফিসার হবার সবগুলো পরীক্ষায় পাশ করেন। ২০০৯ সালের ঘটনার জন্য যা পিছিয়ে যায়। যদিও পরিশেষে ক্যাপ্টেন পদমর্যাদার অফিসার হন এবং ব্যাজ পারেন।
বিজিবি কর্মকর্তা রিয়াজ সহকারী পরিচালক হন আবার পরবর্তীতে উপ- পরিচালকের ব্যাজ পরার রাষ্ট্রিয় অনুমতি পেয়ে সেই র্যাংক-ব্যাজ পরেন।



অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


