তিনিই আমাদের একমাত্র নোবেল লরিয়েট। অনেক বিতর্ক তাঁকে নিয়ে!
এই সেই ড. মোহাম্মাদ ইউনুস, যিনি এই ছোট বাংলাদেশকে পরিচয় করে দিয়েছেন বহু দেশের কাছে। নোবেল প্রাইজ কিন্তু ছেলের হাতের মোয়া নয়। যে যত কিছুই বলুক, বিশ্বনন্দিত এই মানুষ বাংলাদেশে তাঁর প্রাপ্য সম্মান ফিরে পাবে এটাই আশা রাখি। নোবেলের ইতিহাসে বাংলাদেশের নাম লেখানো এই মানুষটাকে আমরা সবারই শ্রদ্ধা করা উচিত। শুধু নোবেল না জীবনে জয় করেছেন আরও বহু আন্তর্জাতিক সম্মান। বিশ্বের কাছে সবচেয়ে পরিচিত বাংলাদেশী এই ব্যক্তিটি। এটা আসলেই সত্য অনেক দেশ এই মানুষের জন্য বাংলাদেশকে চেনে। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষই তাঁকে ভুলে গেছি আমরা। সত্যি দুঃখজনক!
২০০৬ সালে যে সম্মান তিনি এনেছেন তা ঠিক ১৯১৩ সালে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আনা সম্মানের মত। তিনি নোবেল বিজয়ী ৩য় বাঙ্গালী। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও আমর্ত্য সেন এর পরে তাঁর অবস্থান। তবে তাঁর সবচেয়ে বড় যে অর্জন তা হচ্ছে, তিনি প্রথম বাংলাদেশী। ধন্যবাদ ড. মোহাম্মাদ ইউনুস। পরিচিত পোশাকের হাসি মুখের এই মানুষটা এদেশের কোটি কোটি মানুষের প্রতিনিধি, ভাবতে ভালোই লাগে!
তাঁর জন্মদিনে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানাই- শুভ জন্মদিন ড. ইউনুস স্যার...

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




