জনগণের রক্তচোষা টাকা বা কর এর টাকা(সরকারি অর্থে) দিয়ে ৪০০ সরকারি কর্মকর্তা হজে যাচ্ছেন!
যতটুকু জানি, হজ সবার জন্য নয়। ইসলামের বিধান অনুযায়ী একজন ব্যক্তির যদি উল্লেখিত সামর্থ্য থাকে তাহলে তিনি হজ পালন করতে পারবেন। এমনকি হজ করতে যাওয়ার আগে পাওনাদারদের পাওয়া অর্থ একদম পরিশোধ করেই হজে যেতে হবে। অন্যের টাকা দিয়ে হজ করা ইসলামে এই ধরণের কোন বিধান নেই!
তবে, পুত্র-পিতার, মা বা আত্মীয় পরিজনের অর্থ সাহায্য করতে পারেন। কিন্তু জনগণের অর্থে হজ পালন করাটা ইসলাম ধর্মের বিধানের মধে পড়ে না!
গতকাল নিউজে দেখেছিলাম, এ বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বেশ একটা যুক্তি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন এই ধারা অনেক বছর ধরে চলে আসছে, এটা নতুন কিছু নয়। তাছাড়া এ নিয়ে কেউ আপত্তি তো তুলছে না। তাহলে অসুবিধা কোথায়?
মাননীয় প্রতিমন্ত্রীর এমন কথায় মানুষের মনে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। একটা অনিয়ম অনেক দিন ধরে চলতে থাকলে সেটি নিয়ে কেউ আপত্তি না তুললেই সেটি বৈধ নিয়মে পরিণত হবে? তাহলে নীতি আর নৈতিকতা বলে কি কিছু থাকতে নেই? ওনার নিজের বিবেক কি বলে? আর আপত্তির কথা যদি বলতে হয়, তাহলে বলবো, প্রতিবছর এনিয়ে অনেক আপত্তি ওঠে, প্রশ্ন ওঠে। কিন্তু ওনারা পাত্তা দেন না!
হজ প্রতিটি সামর্থ্যবান মুসলমানের জন্য ফরজ। কিন্তু এভাবে জনগণের অর্থে, জনগণের অনুমতি না নিয়ে হজে গেলে, সে হজ কবুল হবে তো?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




