somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সুখ-দু:খ

২১ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ৯:১১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

অনেককে বলা হয়েছিল তাদের সুখ আর দু:খের স্মৃতি নিয়ে কিছু বলতে। নানা জনের নানান কাহিনী। পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট, মা-বাবার মৃত্যু, বন্ধুর উপেক্ষা - ইত্যাদিই গড়পড়তা কাহিনী।


একজনের পালা এলে উনি কোন ভূমিকা ছাড়াই শুরু করলেন।
"বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির কিছুদিন পর একজনকে ভালো লাগল, হাবে ভাবে বুঝালাম। কিছু সময় পর উনারও আমাকে ভালো লাগল। সুন্দর একটা সম্পর্কের শুরু, ধীরে ধীরে তা ৪/৫ বছরে গড়ালো। একটা সময় পোক্ত কমিটমেন্ট চেয়ে উনাকে বিয়ের প্রস্তাব দিলাম, আমাকে আশ্চর্য করে উনি কিছু না বলে চলে গেলেন। পরদিন সাধু ভাষায় একটি চিঠি পাঠালেন যার মূল কথা --- আপনার কোনই চাকুরি নাই বিধায়, আপনার প্রস্তাবে সম্মতি প্রদান করা সমীচিন ভাবিলাম না। এ বিষয়ে আপনার সহায়তার আশা রাখি।-----

প্রচন্ড হতাশায় মনভাঙ্গার বেদনায় নিজেকে কিছুতেই জড়াতে পারছিলাম না, চারিদিকে ব্যর্থতার দেয়াল আমি নিজেই তৈরি করতে লাগলাম। আমার অধ:পতন দেখে এগিয়ে আসলেন একবড়ভাই, চমৎকার কাউন্সেলিং-এর মাধ্যমে বুঝালেন, জীবনটা কি একটাই মানুষের জন্য? আর সারা জীবন যারা আগলে ছিলো ওরা কিছুই নয়? আর ওই মানুষটাই যদি সব হয়, তবে ওকে দেখিয়ে দাও তুমিও পারো, ব্যর্থতায় ঘরা নয় তোমার জীবন।

নতুন করে শুরু করলাম। একটা সময় দেশের নামকরা প্রতিষ্ঠানে চাকরি হলো। যেদিন জয়েন করলাম চাকরিতে বাসায় ফিরে পেলাম আর একটা সাধুভাষার চিঠি, যার মুল কথা ---- আমি ফিরিতে চাই----"


এতটুকু বলে ভদ্রলোক চুপ করে গেলেন। সবাইতো জানতে উদগ্রীব, কি হলো? তারপর কি হলো? উনাকে আপনি কি বললেন? দিছেন না ঝাড়ি? আরে মিয়া বলেন না?

মিটিমিটি হেসে উনি বললেন ''ওটাই তো দু:খ আর ওটাই দারুন সুখ, যে উনাকে নিয়ে অদ্যাবধি জীবনানিপাত করিতেছি"
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ৯:১৪
২৫টি মন্তব্য ১৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আপনার কি ভালো লাগে, ভূত না জ্বীন?

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৮ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



হ্যা ভূতের গল্প ভালো লাগে।
নলে অবাক হবেন, আমি নিজেও ভূতের কবলে পড়েছি অনেকবার। অথচ জ্ঞানীগুণীরা বলেন, ভূত বলতে কিছু নেই। এই আধুনিক যুগে আমি নিজেও বিশ্বাস করি ভূত... ...বাকিটুকু পড়ুন

শামস সুমন: এক মধ্যবিত্ত অভিনেতার নিঃশব্দ রুচিকর প্রস্থান

লিখেছেন শরৎ চৌধুরী, ১৮ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৩:২৭

শামস সুমন বিষয়ক সংবাদটি যখন স্ক্রীণে পৌছালো ততক্ষণে আমরা ঋদ্ধি ক্যাফেতে, মিরপুর। বসে আছি মাঝখানের টেবিলে। আমি দরজামুখি, ওপাশে রমিন এবং তার পাশে আরো দশ মিনিট পরে এসে বসবে ফরহাদ।... ...বাকিটুকু পড়ুন

Mismatch( মিসম্যাচ)

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৮ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:২২


বাংলাদেশ সরকারের নিয়োগ দর্শন: সঠিক মানুষ, ভুল চেয়ার। ভুল মানুষ, সঠিক চেয়ার। এবং কিছু ক্ষেত্রে, ভুল মানুষ, ভুল চেয়ার।একটা দেশ কীভাবে বোঝা যায়? অনেকে বলেন জিডিপি দেখে। অনেকে বলেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার একটু ঘুম দরকার

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ১৮ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:০৭


আমার একটু ঘুম দরকার—
শান্তির, স্বস্তির গভীর এক ঘুম।
গা এলিয়ে, পা ছড়িয়ে দিয়ে
নিবিড়, নির্বিঘ্ন এমন এক ঘুম;
যে ঘুম পশুপাখির ডাক, মেঘের গর্জন,
বা বাঁশির সুরেও কখনও ভাঙবে না।

প্রভাত থেকে নিশীথ—বিরামহীন পথচলা,
ভাবনারা অহর্নিশ... ...বাকিটুকু পড়ুন

মশা কামড়ায় রে, কামড়ায় ইরানী মশা

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৯ শে মার্চ, ২০২৬ ভোর ৪:৫৭


মশা কামড়ায় রে, কামড়ায় ইরানী মশা
সীমানা পেরিয়ে নীরবে হামলা চালায়
কেউ বলে ড্রোন, কেউ বলে গুপ্তচর
আঁধার রাতে আদান-প্রদান করে খবর!

এর হুলের যন্ত্রণায় আইরন ডোমও কাতরায়
মিসাইলও ভাবে এই যুদ্ধে কে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×