somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমিই আপনাদের বিরক্তির কারণ হয়তো

০১ লা এপ্রিল, ২০১৭ সকাল ১০:৩১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


আমি স্বীকার করছি ,আমি একজন অনিয়মের লিখিয়ে,ফেসবুকি। এক সময় দিনে পঞ্চাশ গরূপে লেখা পোষ্ট করতাম।এখন নিজে যে গ্রূপ গুলির সাথে আছি সেখানে অথবা আমার নিজের প্রোফাইলে আর অনলাইনে লেখা পোষ্ট করি এবং পাঠাই.অন্য গরূপে দেই না কারণ তাদের এতো নিয়ম কানুন আর ইদানিং ফেসবুকে থেকে ফেসবুকের লেখা নিয়ে হডালা/রেন্ডম /সবাইকে এক সাথে জ্ঞানীরা যা বলছেন তাতে দূরেই থাকায় ভালো ,নিজের ইজ্জত না থাকুক তাদেরতো আছে.ফেসবুকে এসে ফেসবুকে সভ্য অসভ্য ভাষায় গালাগালি লজ্জা দেয়া ,এতেও অবাক হই না.


ফেসবুক এর স্টাটাসে লেখা হোয়াট ইজ ইন ইউর মাইন্ড তাই মাইন্ডে যা আসে তাই লেখা স্বাভাবিক।ফেসবুকে ফেস দেখাবে তাও যথার্ত। কে কিভাবে ব্যবহার করলো ফেসবুক তা মূল বিষয়।যখন ফেসবুক ছিলোনা তখন কেউ ম্যাগাজিন পড়তো ডাইরি লিখতো। আমরাতো ফেসবুকের পূর্বে কিউপিড এ ও ছিলাম।এক ভাবে না একভাবে দিন গুজরান হতোই।



আমি একজন ফ্রি ল্যান্সার শখের সংবাদ প্রেরক।যদিও আজকাল এই শখের বিষয় গুলিতে শকুনের চোখ পড়েছে।গলায় রাখছে ছুরি ,পায়ে দিতে চায় শেকল।। প্রায় ত্রিশটির উপর অনলাইনে লিখি ,যেখানে বহুল প্রচারিত থেকে নতুন অনলাইন পত্রিকায় রয়েছে।লেখালিখি কম পোক্ত হলেও ১৯৮৮ সাল থেকে চলছে তবে ২০০৯ এর পর অভ্র আসার পর ২০১১ থেকে বেশুমার বেড়েছে আর মোবাইল সুবিধার পর তো ঘুমের ভেতর ও মনে হয় আঙ্গুল দৌড়ায়। তার মানে কি আমি ক্রেক। একটা ভিডিও শো নিজে যা পারি করি.এখানেও শুরু হয়েছে ঈর্ষা।বাবার আলী শো শুরুর আগে বাংলার কণ্ঠে ২০১১ থেকে ২০১৬ মাঝামাঝি ধারাবাহিক লিখতাম।ভাবলাম নিয়ে আসি ভিডিও তে এখন সব কিছুতেই পরিবর্তন।আমার সব কাজ আমি একই করি.রেকডিং,এডিটিং ভোকাল,লেখালেখি সব। অনেকে বলে প্রুফ দেখবেন তারপর পোষ্ট দিবেন,সুপরামর্শ, কিন্তু এক জন আসক্তকে কি সুপরামর্শে কাজ হয়। স্টেটাস বারে, কমেন্টেসে যে লেখা সে লেখা পোষ্ট বাটনে টিপ দেয়া হয়ে যায় নিজের অজান্তে।

অনেক কিছু করা হয় তাই গুনগত মানে প্রশন বিদ্ধ।হ্যা বি এস টি আই এর মত গ্রুপ এডমিন, গুরু জনেরা সেই দায়িত্ব নিজেরাই নিয়েছেন। সংগঠন গুলির বেশির ভাগের মুল উদ্দ্যেশ্য সাহিত্য সমৃদ্ধি নয়,নামের সাথে লেজ জুড়ে আত্ন সমৃদ্ধি মুল লক্ষ্য,আর প্রাক্তন গন নতুন দের বাহবা অন্তর থেকে নয়,সন্মান নিতে মাঝে মধ্যে দু এক জনকে আশির্বাদের ছিটে ফোটা দেন।তারা নিজেদেরকেই পারফেক্ট ভাবেন,নিজেরা শিক্ষক থেকে বাকীদের ছাত্র রেখে অমর হতে চান।

আসলে এ সব কিছুতেই আমার প্রফেশনাল ভাবটা নেই.কারন আমার প্রফেশন ভিন্ন যা দিয়ে আমার সংসার আর জীবন চলে. দ্বিতীয় শ্রেণী থেকেই মঞ্চে উঠি.আজও মঞ্চে আছি.তাই ইচ্ছে করলেই গুটিয়ে নিতে পারছিনা।তবে হয়তো সময় এসেছে ,গুটিয়ে নেবার। আমার লেখায় সব সময় আমার চারপাশে ঘটে যাওয়া বিষয় উঠে আসে, আমি ধারণ করি নিজের মাঝে শত হাজার চরিত্র।কল্পনা ছুটে বেড়াই টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া,দেশ থেকে দেশান্তর।পৃষ্ঠপোষক আর সুযোগের অভাবে ,দারিদ্রতার অজুহাতে কিংবা নিজের গুনের অভাবে পেশা নেশার কোন মিল নেই.এখনো অনেকে জানতে চায় হোয়াট ইজ ইউর গোল ? আমি থাকি নিরুত্তর। গোল গোল অশ্রুস্নাত চোখে অনেক গুলি গোল গোল চোখের শান্তিময় জীবন আমার গোল.

বিনীত অনুরোধ রইলো বেশি বেশি মনে হলেই ব্লক কিংবা আনফ্রেন্ড করুন আমাকে।

জাহাঙ্গীর বাবু /বাবর আলী.মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বাবু আমিই আপনাদের বিরক্তির কারণ হয়তো।
সিঙ্গাপুর,
১-৪-২০১৭ ইং
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা এপ্রিল, ২০১৭ সকাল ১০:৩৫
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কি আসলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৪



“রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন “, “মূর্খের দেশে আবার কীসের বিশ্ববিদ্যালয়” – এসব প্রচারণা আমাদের দেশে অনেকদিন ধরেই হয়ে আসছে। বিশেষ করে ফেসবুকে আকছারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৯৭১ঃ নদী-নালায় ভেসে থাকা স্বদেশের কান্নাঃ শহীদদের প্রতি নিবেদিত একটি কাব্যগাথা জাতির রক্ত, অশ্রু ও স্বাধীনতার অমর ইতিহাস

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০৫


পঁচিশে মার্চ ১৯৭১
রাত্রি তখন গভীর, নগরীর বাতিগুলো
যেন অনাগত বিপদের সামনে অসহায়
ঢাকার আকাশে হঠাৎ গর্জে উঠল কামান
ট্যাংকের চাকার নিচে কেঁপে উঠল রাজপথ
গুলি ছুটে গেল মানুষের ঘুমন্ত জানালায়
আগুন ছড়িয়ে পড়ল... ...বাকিটুকু পড়ুন

শরিয়াতন্ত্রের নিষ্ঠুরতা, ধর্মীয় উগ্রবাদ ও নৈতিক দেউলিয়াপনা

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:৪৭


পৃথিবীজুড়ে মুসলমানদের প্রতি ঘৃণা বাড়ছে। এই বিদ্বেষ শুধু ইসরায়েল বা তার পৃষ্ঠপোষক ডানপন্থী দেশগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। কানাডার মতো তুলনামূলকভাবে মধ্যপন্থী এবং ফিলিস্তিনের প্রতি জোরালো রাজনৈতিক সমর্থন থাকা আয়ারল্যান্ডের মতো... ...বাকিটুকু পড়ুন

দিল্লির রাজপথে তরুণদের ‘জেনজি ২.০’ অভ্যুত্থান এবং বাংলাদেশের জুলাই-পরবর্তী রূপান্তরের নির্মম বাস্তবতা

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:৩৮

ভারতের রাজধানী দিল্লির বুকে যা ঘটে গেল, তা সাম্প্রতিক ইতিহাসে সত্যিই অভূতপূর্ব। ভারতের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফা ও এসআইআর প্রক্রিয়া বাতিলের দাবিতে ‘তেলাপোকা’ বা ককরোচ জনতা পার্টির... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিমানবন্দরে নির্ঘুম রাত (সাময়িক পোষ্ট)

লিখেছেন কাছের-মানুষ, ১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:১৭

আমার এখানে বাজছে রাত প্রায় দুটা! এখনো জেগে আছি। জেগে থাকার শানে নুযুল হলো, আমি অনেকটা ফাইসা গেছি! হায়দার সাহেবের গানের মতো, "আমি ফাইসা গেছি, আমি ফাইসা গেছি মাইনকা চিপায়!"... ...বাকিটুকু পড়ুন

×